এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > শুভেন্দুর হাত ধরে প্রাক্তন বিধায়ক ঘাসফুলে, বড় ধাক্কা বিরোধী শিবিরে

শুভেন্দুর হাত ধরে প্রাক্তন বিধায়ক ঘাসফুলে, বড় ধাক্কা বিরোধী শিবিরে

জেলায় জেলায় গিয়ে আগামী 19 শে জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশকে সফল করার জন্য জোর প্রচারে নেমেছেন রাজ্যের শাসকদলের হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রীরা। আর এই ব্রিগেডের সমর্থনে বিভিন্ন জেলায় সভায় গিয়ে কেন্দ্রের বর্তমান বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল তোপ দেগে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার আহ্বান জানান রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আর এবার শুক্রবার মালদহের বামনগোলা পাকুয়াহাট ধানহাটি মাঠের সবাইকে সেই একই আবেদন দলের নেতাকর্মী-সমর্থকদের কাছে রাখলেন মালদা জেলা তৃণমূলের দলীয় পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী। তবে শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী আসনে বসানোর আহ্বানই নয়, মালদহের এই দলীয় সভায় যোগ দিয়ে একদিকে যেমন এখানকার কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরীকে কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু বাবু, ঠিক তেমনি এলাকার প্রাক্তন বাম বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সির হাতেও ঘাসফুলের পতাকা ধরালেন তিনি।

জানা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের এই সভায় প্রাক্তন বাম বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি সহ একাধিক সিপিএম নেতা শাসকদলের যোগদান করেন। পাশাপাশি চাঁচোল 1 পঞ্চায়েত সমিতির কংগ্রেসের পূর্ত কর্মাধক্ষও এদিন তৃণমূলে যোগ দেন। যা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে এই মালদা জেলায় তৃণমূলের ভিতকে অনেকটাই শক্তিশালী করবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিনের এই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মালদা জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক তথা রাজ্যের পরিবহন ও পরিবেশ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিজেপি সরকার তাঁদের একটা প্রতিশ্রুতিও পালন করেনি। পাঁচ রাজ্যে বিজেপি হারার পরেই জিনিসের দাম কমে গেছে। তাই মনে রাখবেন এবারে কেন্দ্রে বিজেপি হারলে আর মূল্যবৃদ্ধি হবে না।” কিন্তু কেন্দ্রে 2019 সালে যদি বিজেপি সরকার পরাজিত হয় তাহলে কে হবেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী?

এদিন সেই প্রশ্নেরও কিছুটা আভাস দিয়ে রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী বলেন, “দেশের সমস্ত বিরোধী দলের নেতারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দেশের কান্ডারী হিসেবে চাইছেন। এই অবস্থায় তৃণমূলের গুরুত্ব অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। মনে রাখবেন কেন্দ্রে এবার কেউই একক ক্ষমতায় সরকার গড়তে পারবে না। তৃণমূলই হবে দেশের নির্ণায়ক শক্তি।”

তবে শুধু বিজেপিকে কটাক্ষ নয়, এদিনের সভা থেকে মালদহের কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরীকেও বিরুদ্ধে তোপ দাগেন শুভেন্দু অধিকারী। মালদহের এই কংগ্রেস সাংসদের নাম করে তিনি বলেন, “উনি ভুলেই গেছেন যে কোতোয়ালির পঞ্চায়েত প্রধান পদ আমরা ওনাদের দয়া করে ছেড়েছিলাম। মালদহের দুটি আসনেই এবার আমরা জিতব।”

এদিকে এদিনের এই সভা থেকে প্রাক্তন বাম বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সির তৃনমূলে যোগদানের পর শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “উন্নয়ন একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসই করতে পারে। তাই তো সমর মুখোপাধ্যায়, সাবিনা ইয়াসমিন, মইনুল হাসানের পর এবার রহিম বক্সিও আমাদের সাথে এসেছেন। তাই সকলের উদ্দেশ্যে আহবান, যারা মানুষের কাজ করতে চান তাঁরা আমাদের দলে আসুন। সকলের দরজা খোলা আছে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে বিরোধীদলকে কার্যত মুছে দিতে ফের সেই বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের শাসকদলের ছাতার তলায় আসার আহ্বান জানালেন শাসকদলের হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!