এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > হারার আগে হার না মেনে বুক চিতিয়ে দলীয় কর্মীদের লড়াই করার জন্য জাগিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

হারার আগে হার না মেনে বুক চিতিয়ে দলীয় কর্মীদের লড়াই করার জন্য জাগিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের অনেকটাই ভরাডুবি হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি এরাজ্যে তাদের শক্তি অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছে। আর লোকসভা নির্বাচনে দলের খারাপ ফলাফলের পরই কিছু কিছু জায়গায় শাসক দলের কর্মীরা মুছড়ে পড়তে শুরু করেছেন। কিন্তু কিছুদিন পরেই যে বিধানসভা নির্বাচন। আর তাই এখন থেকেই দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করতে নতুন রূপে সংগঠনকে সাজাতে শুরু করেছে তৃণমূল।

সূত্রের খবর, বাঁকুড়া জেলায় সংগঠনের হাল ধরতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হেভিওয়েট মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। আর দায়িত্ব পেয়েই গত শনিবার বাঁকুড়া শালতোড়ার সালমা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান নিহত কাজল মন্ডলের বাড়িতে এসে দেখা করেন শুভেন্দু বাবু। সেখানেই নিহত কর্মীর পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সাহায্য এবং চাকরি দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। আর এরপরই স্থানীয় পাবড়া মোড়ে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য রাখতে উঠে দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার চেষ্টা করেন শুভেন্দু অধিকারী।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন তিনি বলেন, “বাঁকুড়া এবং বিষ্ণুপুর দুই লোকসভা কেন্দ্রে আমাদের সংগঠন আরও চাঙ্গা হবে। আমরা নানা মিটিং মিছিলের মধ্যে দিয়ে দলকে পুনরুজ্জীবিত করব। তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের সাথে আছে। বুথে বুথে আলোচনা করুন। যারা আমাদের থেকে সরে গিয়েছেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিন। বাঁকুড়া আমার কাছে নতুন কিছু নয়। আগেও আমাকে এখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাই সংগঠন সাজাতে আমার বেশি সময় লাগবে না।”

অন্যদিকে সিপিএমের পুরনো হার্মাদ আর বিজেপির জল্লাদ এক হয়েছে বলেও এদিন অভিযোগ করেন রাজ্যের এই হেভিওয়েট মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, “রাজ্যে আমরা এখনও 164 টি বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে আছি। তাই কেউ হতাশ হবেন না। ভয় না পেয়ে বুকটা সোজা করে লড়াই করুন। শক্ত হাতে দলের ঝান্ডাটা তুলে ধরুন। বাংলায় আমরা এক নম্বর ছিলাম, এক নম্বর আছি, আর আগামী দিনেও এক নম্বর থাকব। সিপিএম খাল কেটে কুমির এনেছে। ওদেরকে পস্তাতে হবে। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস 2021 এ দুশোর বেশি আসন নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবি হওয়ার পরই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মীরা বিজেপিতে যোগদান করতে শুরু করেছেন। আর তাই সেই জায়গা থেকে দলকে বের করে নিয়ে এসে 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!