এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেতেই পুজোর মুখে চাকরির নিয়োগপত্র পাঠানো শুরু রাজ্য সরকারের

সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেতেই পুজোর মুখে চাকরির নিয়োগপত্র পাঠানো শুরু রাজ্য সরকারের

কথায় আছে, ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। আর এই কথাকেই হয়ত এবার নিজেদের আপ্তবাক্য হিসেবে ধরে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেতেই পুজোর মুখে চাকরির নিয়োগপত্র পাঠানো শুরু করল রাজ্য সরকার। বস্তুত, সম্প্রতি রাজ্য সরকারের “রিভিউ পিটিশন” খারিজ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট।

যেখানে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, গত 2006 সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী এবং রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা প্রার্থীদের আগামী 30 সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকে শিক্ষক পদে নিয়োগ করতে হবে। ইতিমধ্যেই বিকাশ ভবন থেকে প্রায় 1200 মামলাকারীকে তাদের নিয়োগ পত্র পাঠানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। যার ফলে মামলাকারীরা তাদের দীর্ঘ দশ বছরের আন্দোলন চালিয়ে অবশেষে বড়সড় সাফল্য পেলেন বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

পাশাপাশি শীর্ষ আদালতের দেওয়া এই নির্দেশ রাজ্য পালন করল কি করল না, তা 21 অক্টোবরের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। মূলত রাজ্য সরকার অনুমোদিত বিভিন্ন পিটিআই থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা গত 2001 সালের ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রাইমারি টিচার রিক্রুটমেন্ট অনুযায়ী 22 নম্বর বেশি পাবেন কিনা, সেই প্রশ্ন নিয়েই এই মামলার সূত্রপাত হয়েছিল।

জানা যায়, এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো রাজ্য সরকারের অনুমোদিত হলেও ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ টিচার এডুকেশনের অনুমোদিত নয়। এর ফলে তৈরি হওয়া বিতর্কে কেন্দ্র এবং রাজ্যের আইনী ব্যবস্থায় তীব্র সংকট দেখা দেয়। যার ফলে হাইকোর্টের পক্ষ থেকে সেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়। আর এরপরই সেই প্রার্থীরা শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়। আর এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের শারদ উৎসবের মুখে চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগপত্র পাঠাতে শুরু করল রাজ্য সরকার।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!