এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপির জয় নিশ্চিত, বহু আসনে তৃণমূল তৃতীয়! সুনীল দেওধরের গোপন রিপোর্টে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরে

বিজেপির জয় নিশ্চিত, বহু আসনে তৃণমূল তৃতীয়! সুনীল দেওধরের গোপন রিপোর্টে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরে

এবারের লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে পুনরায় ক্ষমতার ফেরার পাশাপাশি বাংলায় দুর্দান্ত ফলাফল করার ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের বহু দিন আগে থেকেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ দাবি করে আসছিলেন, বাংলা থেকে এবারে নাকি গেরুয়া শিবির কমপক্ষে ২২-২৩ টি আসন জিততে চলেছে। কিন্তু, বাংলায় বিজেপির সংগঠন এখনও সেভাবে পোক্ত হয় নি, বহু বুথে এখনও এজেন্ট বসানোর মত জায়গায় নেই – তাহলে বাংলায় এত আসন কি করে পাবে? অমিত শাহদের হিসাবে ছিল তৃণমূলের ‘আন্ডার কারেন্ট’।

তৃণমূলের এক এক জায়গায় নিজেদের মধ্যেই বিবাদের জেরে অন্তত ৩-৪ টি করে গোষ্ঠী। ফলে, দলীয় প্রার্থীকে জেতানোর জন্য একটি গোষ্ঠী ময়দানে নামলেও, প্রতি জায়গাতেই নাকি বাকি ২-৩ টি গোষ্ঠী পাল্টা তৃণমূলকে হারাতে ময়দানে নামবে। এছাড়াও গেরুয়া শিবিরের সমীকরণে ছিল, বাম ভোটের হিসেব। এবারের লোকসভা নির্বাচনে নাকি বামেরা ভালো লড়াই দিয়ে দ্বিতীয় বা তৃতীয় হওয়ার মত জায়গায় আছে, কিন্তু তৃণমূলকে হারিয়ে আসন জেতার মত জায়গায় নেই। ফলে, বামেরা ভোট কাটলে, তা তৃণমূলের সুবিধা হবে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এই অবস্থায় বিজেপির নিজস্ব ভোট অঙ্ক জানিয়েছিল, বাম সমর্থকদের একটা বিশাল অংশ নাকি এবার বিজেপিকে ভোট দেবে। এই অংশের মত হল, বিধানসভা নির্বাচন আলাদা – সেখানে দলীয় প্রার্থীকেই ভোট দেব। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে হারাতে হলে, পদ্ম প্রতীকেই ভোট দেওয়া উচিত। নির্বাচনের আগে, এই দুই সমীকরণের কতটা ইভিএমে যাবে তা মাপার জন্য অরবিন্দ মেনন থেকে শিব প্রকাশ সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা দফায় দফায় বাংলায় এসেছেন। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় তো মাটি কামড়েই পড়ে আছেন। কিন্তু, চার দফার ভোট মিটতেই এবার বাস্তবে কি হয়েছে সেই খোঁজ নিতে স্বয়ং সুনীল দেওধরকে বাংলায় পাঠিয়েছিলেন অমিত শাহ।

এই সুনীল দেওধরের হাত ধরেই পার্শ্ববর্তী বাঙালি রাজ্য ত্রিপুরায় প্রায় শূন্য থেকে শুরু করে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতা দখল করেছে। ফলে, সুনীল দেওধর যে বাংলার ‘পাল্স’ বুঝে সঠিক রিপোর্ট দেবে তা নিয়ে নিশ্চিত ছিল গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, বাংলায় এখনও পর্যন্ত যা ভোট হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে সুনীল দেওধরের যে রিপোর্ট জমা পড়তে চলেছে, তাতে রীতিমত হাসি ফুটতে পারে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহদের। সূত্রের খবর, সুনীল দেওধরের রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ভোট হয়ে যাওয়া ১৮ টি লোকসভার মধ্যে যেগুলি বিজেপি পাখির চোখ করেছিল, সবগুলোতেই জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত তিনি।

তার থেকেও বড় কথা, তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ অংশের ও বাম সমর্থকদের এক বৃহদংশের যে ভোট বিজেপিতে ‘ট্রান্সফার’ হওয়ার আশায় ছিলেন গেরুয়া নেতারা, সেই অঙ্ক ঠিকঠাক কাজ করেছে। আর তাই, বহু আসনে বিজেপি জেতার পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস একেবারে তৃতীয় স্থানে নেমে আসছে বলে ওই রিপোর্টে বিস্ফোরকভাবে দাবি করা হয়েছে। এই নিয়ে যদিও সরকারিভাবে কেউই মুখ খুলছেন না রাজ্য বিজেপির নেতারা। কিন্তু, তাঁদের ‘বডি-ল্যাঙ্গুয়েজ’ বলে দিচ্ছে সুনীল দেওধরের রিপোর্টে যদি এই তথ্য যায়, তাহলে বঙ্গ-বিজেপির নিজস্ব রিপোর্টের সঙ্গে তা নাকি প্রায় মিলে যেতে চলেছে। আর তাই, চতুর্থ দফার নির্বাচনের পরে সবমিলিয়ে ‘ফিল গুড’ পরিবেশ মুরলীধর সেন লেনের রাজ্য অফিসে।

Top
error: Content is protected !!