এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে সুজন চক্রবর্তী ইডিতে, আবার থাপ্পর খাবে – দাবি ফিরহাদ হাকিমের

তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে সুজন চক্রবর্তী ইডিতে, আবার থাপ্পর খাবে – দাবি ফিরহাদ হাকিমের

Priyo Bandhu Media


লোকসভা নির্বাচনের আগে যখন রাজ্যের শাসকদল তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা- মন্ত্রীদের দুর্নীতিকে হাতিয়ার করে বঙ্গ রাজনীতিতে শোরগোল তুলতে ব্যস্ত রাজ্যের বর্তমান বিরোধী দল বিজেপি, ঠিক তখনই সেই রাজ্যের শাসকদলের ওপরে চাপ বারিয়ে ইডির দ্বারস্থ হলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।

আর ইডির দরবারে সুজনবাবুর যাওয়ার এই ঘটনা নিয়েই এখন শাসক বনাম বিরোধীর তুমুল তরজা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই সুজন চক্রবর্তী কলকাতার আয়কর দপ্তরের ইনভেস্টিকেশন বিভাগের শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করে সেখানে রাজ্যের শাসকদলের 27 জন নেতা, মন্ত্রীদের একটি নামের তালিকা জমা দেন।

আর এই 27 জনের বিরুদ্ধেই সুজন বাবুর অভিযোগ, 2011 থেকে 2016 সালে বিধানসভা নির্বাচনের সময় এই সমস্ত তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রীরা তাদের যে সম্পত্তি দাখিল করেছিলেন, পাঁচ বছরে সেই সম্পত্তির পরিমাণ কারও 1138 শতাংশ আবার কারও বা 700 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর আয়কর দপ্তরে শাসক দলের এই নেতা, মন্ত্রীদের নামের তালিকা জমা দিয়েই বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “শুধু এই 27 জনই নয়, রাজ্যের প্রায় সমস্ত জেলা, মহকুমা ও ব্লকের তৃণমূলের অধিকাংশ নেতার আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি যেভাবে হয়েছে, তা এলাকার মানুষের কাছে বিস্ময়ের বিস্ময়। প্রয়োজনে আমরা এরকম আরও তথ্য আয়কর দপ্তরে জমা দেব। আমরা চাই এর সঠিক তদন্ত হোক।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে এদিন পাল্টা মুখ খুলে সেই সুজনবাবুকে খোঁচা দেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “আমাদের দলের অনেক নেতা মন্ত্রীরা ব্যবসা করেন। ব্যবসা করলে সম্পত্তি তো বাড়তেই পারে। কিন্তু তারা আয়কর দপ্তরে তার রিটার্ন জমা দেন। তাই সুজনবাবুরা এই সমস্ত অভিযোগ করে কোনো লাভ করতে পারবে না। আসলে আমরা ওনাদের মতো জনগণের টাকায় পার্টি করি না। বারে বারে ওনারা এজেন্সি বা আদালতে নালিশ জানাতে গিয়ে থাপ্পড় খেয়েছেন। এক্ষেত্রেও তাই হবে।”

সব মিলিয়ে এবার রাজ্যের শাসকদলের 27 জন হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রীর সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে আয়কর দপ্তরে অভিযোগ জানানোর পর এবার পাল্টা সেই বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীকে খোঁচা দিয়ে আসরে নেমে পড়লেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!