এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন উস্কে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি বিজেপি-কংগ্রেস-সিপিএম এক হয়ে গেছে

বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন উস্কে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি বিজেপি-কংগ্রেস-সিপিএম এক হয়ে গেছে

তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে যতই বলুন – তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন না – তাঁর অনুগত সৈনিকরা কিন্তু সেই স্বপ্নে বিভোর। একইসঙ্গে সেই ‘বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর’ স্বপ্ন তাঁরা বঙ্গবাসীকেও দেখতে শুরু করে দিয়েছেন। গতকাল, ভরতপুর ২ নম্বর ব্লকের সালার বাসস্ট্যান্ডে ব্রিগেড কর্মসূচির প্রস্তুতিসভায় আরও একবার তা স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী তথা তৃণমূলের জেলা পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী।

পাশাপাশিই শুভেন্দুবাবুর নিশানায় স্বাভাবিকভাবেই ছিল অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তবে দিন নজিরবিহীনভাবে তিনি বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএমকে একসাথে মিলিয়ে দিলেন! জেলার একাধিক বিধায়ক ও একঝাঁক নেতা-নেত্রীর সামনে শুভেন্দুবাবুর বক্তব্যের বেশিরভাগটাই জুড়ে ছিল অধীরবাবুর সমালোচনা। শুভেন্দুবাবু বলেন, সম্প্রতি যে তিন রাজ্যে বিজেপির পরাজয় হয়েছে, তাতে এখানে সবচেয়ে বেশি দুঃখ পেয়েছেন অধীরবাবু! আবার তিনি যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে লাঞ্চ করছেন!

পাশাপাশিই তিনি জানান, ১৯ শে জানুয়ারি ব্রিগেডের সভায় দেশ থেকে বিজেপি হটাও কর্মসূচির জন্য শপথ নেওয়া হবে। শুভেন্দুবাবুর আরও দাবি সেই শপথ পাঠ করাবেন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওইদিন সেখানে দেশের অবিজেপি জোটের ১৯ টি দলের নেতারা থাকবেন। আর এরপরেই স্বপ্ন উস্কে দিয়ে তাঁর দাবি, এবার দিল্লির মসনদে বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমাদের নেত্রীকে দেখতে চাই আমরা। আর আমাদের তা বাস্তবায়িত করতে গেলে ব্রিগেডে যেতে হবে। জেলা থেকে অন্তত আড়াই লক্ষ কর্মী-সমর্থককে ব্রিগেডে নিয়ে যেতে চাই।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

শুভেন্দুবাবু এরপরেই অধীরবাবুকে আক্রমন করে বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলা বাংলা, বিহার, ওড়িশার রাজধানী ছিল। এখানকার মানুষ সিরাজদৌল্লাকে সম্মান করেন। মীরজাফরকে ঘৃণা করেন। আমরা মনে করি, অধীর চৌধুরী একজন বিশ্বাসঘাতক, মীরজাফর। তিনি নকশাল, সিপিএম, আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক, কংগ্রেস সব দল করেছেন। অতীশ সিনহা, মান্নান হোসেনকে বিশ্বাসঘাতকতা করে ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে এখানকার কেউ যদি বেশি দুঃখ পেয়ে থাকেন, তিনি হলেন অধীর চৌধুরী।

পাশাপাশিই সম্প্রতি তিন রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপির হারের প্রসঙ্গ নিয়ে বলেন, উত্তরপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশের মানুষ যদি বিশ্বাসঘাতক বিজেপিকে হারাতে পারেন, তা হলে আমরা পারব না কেন? জেলার বেশ কয়েকজন বিধায়ক ও কংগ্রেস নেতারা বিনা শর্তে আমাদের দলে এসেছেন। এখন অধীরবাবু একা অফিস সামলাচ্ছেন। সকলেই বুঝেছেন, যা বিজেপি বলে, তা অধীর বলেন। যা অধীর বলেন, তা বিজেপি বলে। আর সিপিএমের যে কটা লোক রয়ে গিয়েছেন, তারাও একই কথা বলেন। কাজেই এই লড়াই তৃণমূল বনাম অন্যান্যদের। আগামী দিনে জেলার তিনটি লোকসভা আসনে আমাদের জিততেই হবে – এই শপথ নিয়ে আমরা নেমেছি।

আপনার মতামত জানান -
Top