এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > তৃনমূলকে একবার জেতান, উন্নয়নের স্বাদ বদলে দেব, না পারলে ২১-এ ভোট চাইতে আর আসব না: শুভেন্দু অধিকারী

তৃনমূলকে একবার জেতান, উন্নয়নের স্বাদ বদলে দেব, না পারলে ২১-এ ভোট চাইতে আর আসব না: শুভেন্দু অধিকারী

লোকসভা নির্বাচনের মরসুমে যখন রাজ্যে তৃনমূল বনাম বিজেপির মধ্যে কে কত আসন জিতবে তা নিয়ে চূড়ান্ত জল্পনা চলছে নানা মহলে, ঠিক তখনই এবার তৃনমূল প্রার্থীকে জেতানোর আবেদন জানালেন মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক তথা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, শনিবার মুর্শিদাবাদের হরিদাসমাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈরগাছী এলাকায় ভগিরথী দুগ্ধ সমবায় সমিতির সদস্যদের নিয়ে একটি কর্মীসভা করেন তৃণমূলের শুভেন্দু অধিকারী।

এদিনের এই সভায় শুভেন্দুবাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি অশোক দাস, বহরমপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকুমার অধিকারী, তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকার সহ অন্যান্যরা। আর সেখানেই রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী করার আবেদন জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এবার অপূর্ব সরকারকে জেতান। অপূর্ব সরকার জিতলেন বহরমপুর যা চাইবে তাই পাবে। তাই আপনারা এখানে আমাদের প্রার্থীকে জেতান। আমি উন্নয়নের স্বাদ বদলে দেব।”

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে ভাগীরথী দুগ্ধ সমবায়ের উন্নয়ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই করেছেন বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে তৃনমূল প্রার্থী জয়ী হলে যদি এখানে কোনো উন্নয়ন না হয়, তাহলে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি আর ভোট চাইতে আসবে না বলেও জানিয়ে দেন মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক। অন্যদিকে এদিনের সভা থেকে মুর্শিদাবাদের একদা শাহেনশা বলে পরিচিত কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি বলেন, “দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে এখানে অধীরবাবু এমপি রয়েছেন। ওনার শরীর বহরমপুরে, আর মন পড়ে আছে দিল্লীতে। সারা বছর ধরে তিনি কোনো কাজ করেন না। এক সময়ে জেলার কংগ্রেসের বড় নেতা অতীশ সিনহা, শংকরদাস পালের মত ব্যাক্তিকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাই এই বেইমানকে এবার হারাতে হবে।” সব মিলিয়ে এবার বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারাতে ‘উন্নয়ন মন্ত্রকেই’ হাতিয়ার করে বড়সড় দাবার চাল দিলেন শুভেন্দু অধিকারী বলে অভিমত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!