এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > পুরুলিয়াতে বনধের বড় প্রভাব – সরকারি অফিস-স্কুলে যেতে নাজেহাল কর্মীরা

পুরুলিয়াতে বনধের বড় প্রভাব – সরকারি অফিস-স্কুলে যেতে নাজেহাল কর্মীরা

ইসলামপুরে ছাত্রমৃত্যুর প্রতিবাদে আজ বিজেপির ডাকা ১২ ঘন্টার বনধে রাজ্যজুড়ে মিশ্র-প্রভাব পড়লেও, পুরুলিয়াতে এর প্রভাব সর্বাত্মক। বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই পুরুলিয়া জেলাতে গেরুয়া ঝড়ের আভাস পাওয়া গেছে, কিন্তু পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের সময়ে বহু বিজয়ী প্রার্থী গেরুয়া শিবির ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখান। ফলে, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা ছিল – পুরুলিয়াতে বোধহয় বিজেপির সংগঠনের রাশ আলগা হয়ে গেছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না – তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

কিন্তু আজকের বনধের পরে দেখা গেল – পুরুলিয়াতে গেরুয়া শক্তি অটুট। তীব্র প্রতিক্রিয়া গোটা জেলা জুড়েই। বিশেষ করে বলরামপুরে সর্বাত্মক বনধ পালিত হল। এদিন দোকান-পাট, সবজী মার্কেট সমস্ত বন্ধ ছিল। চকবাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় ছিল পুলিশ মোতায়েন। তবে সব থেকে সমস্যায় পড়েছেন অফিস থেকে বিদ্যালয় কর্মীরা। তাঁরা এদিন কাজে এলেও কর্মস্থলে পৌছাতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন রাস্তাঘাটে যানবাহনের অভাবে।

বিজেপি জেলা নেতাদের এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া, আমরা বনধ-বিরোধী। কিন্তু, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, যেভাবে গণতন্ত্রকে প্রতিপদে লুন্ঠিত হতে হচ্ছে – তাতে করে এই বনধ না ডেকে কোনো উপায় ছিল না। তবে, এই বনধে যোগদানের জন্য আমরা কাউকে জোর করিনি, যেহেতু মানবিক কারণে বনধ ডাকা হয়েছে – তাই আমরা সাধারণ মানুষের শুভবুদ্ধির উপরেই আস্থা রেখেছিলাম। তৃণমূল রাস্তায় রাস্তায় ‘উন্নয়ন-বাহিনী’ নামিয়েও সাধারণ মানুষের এই বনধকে যে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন তা আটকাতে পারে নি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!