এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > থমকে গেছে রথের চাকা, মোদীর ব্রিগেডের সভার সুষ্ঠু আয়োজনে বিশেষ সাবধানী পদক্ষেপ গেরুয়া শিবিরের

থমকে গেছে রথের চাকা, মোদীর ব্রিগেডের সভার সুষ্ঠু আয়োজনে বিশেষ সাবধানী পদক্ষেপ গেরুয়া শিবিরের

বাংলায় আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝড় তুলতে বিজেপির রথযাত্রা আপাতত থমকে গেছে। কবে হবে সেই রথযাত্রা, আদৌ সেই যাত্রা হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে সকলেই।

কিন্তু রথযাত্রার সম্ভাবনায় আপাতত জল পড়লেও সেই রথযাত্রার পরেই দলের তরফ থেকে ঘোষিত হওয়া ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা আদৌ কি হবে?এখন সেই প্রশ্নও তীব্রভাবে ঘোরাফেরা করছে রাজ্য বিজেপির নেতা কর্মীদের মধ্যে।

সূত্রের খবর, বাংলার তিন প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া এই রথযাত্রা নিয়ে বিজেপির রাজ্য নেতারা অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে যাওয়ায় এখন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফ থেকে সেই রাজ্য নেতাদের স্পষ্ট ভাবে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে যে, এই প্রস্তাবিত ব্রিগেড সমাবেশের প্রধান বক্তা নরেন্দ্র মোদির সভায় যেন কোনরূপ ধোঁয়াশা না থাকে।

সভা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতি চূড়ান্ত হওয়ার পরই যেন রাজ্য নেতৃত্ব সেই ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে আয়োজন শুরু করে। আর এখানেই অনেকে মনে করছেন যে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে এই নির্দেশ দিয়ে আসলে রাজ্য নেতাদের ফের আরও একবার সতর্ক করা হল।

কারণ বারে বারে একের পর এক এই রাজ্যে বিজেপির দলীয় কর্মসূচি যদি ভেস্তে যায় তাহলে আখেরে ক্ষতি হবে সেই গেরুয়া শিবিরেরই, আর তা অনুধাবন করতে পেরেই এদিন রাজ্য নেতাদের এরুপ নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভা নিয়ে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত দলীয় নেতা তথা বিজেপির অন্যতম কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে একটি বৈঠক করেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জানা যায়, দিনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এই বৈঠকে বাংলার সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর নেন অমিত শাহ। এমনকি এই ব্যাপারে রাজ্যের বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বকে দিল্লিতেও ডেকে পাঠাতে পারেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি বলে খবর।

তবে দলের একাংশের মতে, সম্প্রতি বিজেপির রথযাত্রার কর্মসূচি বাতিল হওয়ার পরে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ রাজ্যে আসার কথা বললেও পরে তিনিই তা বাতিল করেছেন। আর এর ফলে অনেকটাই মুখ পুড়েছে রাজ্য বিজেপির।

আর তাই ঘোষণা করেও যাতে নিজেদের কর্মসূচি আটকাতে না হয় সেজন্য বাংলায় প্রধানমন্ত্রীর সভা নিয়ে এখন থেকেই দলের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে শুরু করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। অনেকে মনে করছেন, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুমতি পাওয়ার জন্য কোনোরূপ অসুবিধে হবে না।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মতো হেভিওয়েট নেতার সভায় যাতে জনসমাগম ঠিক থাকে তার জন্যই আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে গেরুয়া শিবিরকে। আদৌ হবে তো বিজেপির এই বিগ্রেড সমাবেশ?

এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপির অন্যতম কেন্দ্রীয় সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের সহ নেতা সুরেশ পূজারী বলেন, “আমরা রথযাত্রা নিয়েও আশাবাদী। তাই ব্রিগেড সমাবেশ নিয়েও গৃহীত সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন করা হচ্ছে না।”

সব মিলিয়ে রথযাত্রার কর্মসূচি থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্রিগেড সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী সভাকে সার্থক রূপ দিতে এখন থেকেই রাজনৈতিক ময়দানে সাবধানে পা ফেলতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!