এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > অসহিষ্ণুতার যে কোনও চেহারাই গণতন্ত্রের পক্ষে ধ্বংসাত্মক! আবার বিস্ফোরক রাজ্যপাল

অসহিষ্ণুতার যে কোনও চেহারাই গণতন্ত্রের পক্ষে ধ্বংসাত্মক! আবার বিস্ফোরক রাজ্যপাল

রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাত যেন থামছেই না কিছুতেই। যেদিন থেকে তিনি রাজভবনের প্রধান ব্যক্তি হিসেবে রাজ্যে পা রেখেছেন, ঠিক সেদিন থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে তার সাথে রাজ্য সরকারের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। অতীতে যা খুব একটা দেখা যায়নি বলেই মনে করছে একাংশ।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে উদ্ধার করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলা সফর, জিয়াগঞ্জ কাণ্ড নিয়ে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করা থেকে শুরু করে কার্নিভালে তার অপমানিতবোধের কথা তুলে ধরে সরকারের অস্বস্তিকে বিভিন্ন সময় বাড়িয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার।

আর প্রত্যেকটি ঘটনায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনকভাবে নজিরবিহীন মন্তব্য করতে দেখা যাচ্ছে রাজ্যের শাসক দলের হেভিওয়েট মন্ত্রীদের। সুব্রত মুখোপাধ্যায় থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রবীণ মন্ত্রীদের রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের বিরুদ্ধে তোপ দাগাকে ভালো চোখে দেখছেন না রাজনৈতিক মহল। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত, রাজ্যের মন্ত্রীদের কিভাবে কথা বলতে হয়, তা সম্পর্কে অবগত করা বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যপাল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

পাল্টা এই ব্যাপারে মুখ খুলে সম্প্রতি তৃণমূল মহাসচিব শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্যের মন্ত্রীদের রাজ্যপালের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য করার কোনো সময় নেই। তাদের অনেক কাজ রয়েছে।” যা নবান্ন বনাম রাজভবনের দ্বৈরথকে আরও চরমে তুলে দেয়। আর এবার ফের রাজ্য সরকারের অস্বস্তি বাড়িয়ে অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে মন্তব্য করলেন জাগদীপ ধনকার।

সূত্রের খবর, এদিন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এক বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্যপাল জানান, “নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করা আমাদের সংবিধানের মহৎ প্রাপ্তি। অসহিষ্ণুতার যে কোনো চেহারাই গণতন্ত্রের পক্ষে ধ্বংসাত্বক। একে অন্যের সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ করার শালীন পথ শেখানো উচিৎ। কাঠামোগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অসহিষ্ণুতা বেদনাদায়ক ও চিন্তার।”

বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, যখন কংগ্রেস নেতা সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো, ঠিক তখনই রাজ্যপালের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি সন্ময়বাবুর ঘটনার কথা সেই ভাবে তুলে না ধরলেও পরোক্ষে রাজ্য সরকারের প্রতি বার্তা দিয়ে বুঝিয়ে দিতে চাইলেন অসহিষ্ণুতা বড় ধ্বংসাত্বক জিনিস।

অনেকে বলছেন, রাজ্য বনাম রাজ্যপালের একদিন অন্তর অন্তর একে অপরের বিরুদ্ধে এই মন্তব্য রাজ্যের ইতিহাসে সত্যিই বিরল। একজন সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যপাল তার কাজ সঠিক পদ্ধতিতে করলেও কেন তার এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন করছেন রাজ্যের শাসকবর্গের নেতা-মন্ত্রীরা! আর এই কারণেই তো রাজ্যপাল তার মন্তব্য দিয়ে পরোক্ষে শাসক দলকে বিধতে ছাড়ছেন না।

তবে এবার আবার যদি রাজ্যপালের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার তার কোনো এক মন্ত্রীকে ময়দানে নামিয়ে রাজ্যপাল-বিরোধী মন্তব্য করেন, তাহলে রাজ্যের ক্ষেত্রে তা অত্যন্ত অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়াবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!