এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতিকে নিয়ে বেজায় অস্বস্তিতে বিজেপি

প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতিকে নিয়ে বেজায় অস্বস্তিতে বিজেপি

প্রাক পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্বে দলের প্রাক্তন এবং বর্তমান সভাপতিকে নিয়ে নাজেহাল অবস্থায় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। শাসক দলের সাথে বিরোধীতা নয় এখন গেরুয়া শিবির ব্যস্ত তাদের ঘর গোছাতে।দুই নেতাকে নিয়ে বিজেপি শিবিরের অস্থিরতার মূলে কী কারণ রয়েছে? খোঁজ করতে গিয়ে জানা গেলো বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা অশোক সরকার নির্বাচনী হলফনামায় দিলীপ ঘোষের দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যকে চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থ মামলা করেন । হাইকোর্ট ওই মামলায় দিলীপ ঘোষকে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এরফলে স্বাভাবিক ভাবেই দিলীপ বাবুর রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে রাজনৈতিক মহল সহ রাজ্য রাজনীতির নানান ক্ষেত্রে জল্পনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে শংসাপত্র না দেখাতে পারলে বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাবে বিজেপির বর্তমান রাজ্য সভাপতির।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এখন খোঁজ চলছে যে ব্যক্তির যাঁর বা যাঁদের সৌজন্যে দিলীপ ঘোষের হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে । এই বিষয়ে খোঁজ খবর করার জন্যে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব অত্যন্ত স্ক্রিয় হয়ে উঠেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের বিজেপি জেলা সভাপতিকে তলব করা হয়েছে এই বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়ার জন্যে। এদিন জানা গেলো শুধু দিলীপ ঘোষ বলেই নয় দল সহ রাজ্য নেতৃত্বকে অস্বস্তির মুখে ফেলেছে প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি রাহুল সিনহাও। সপ্রতি এক দলীয় জনসভায় নিজের বক্তব্যে তিনি দাবি করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্য শুনে যারপরণাই হতবাক স্বয়ং রাজ্য নির্বাচন কমিশনার অমরেন্দ্রকুমার সিং। এদিন আচমকাই সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচন কমিশনার জানালেন তিনি এইরকম কোনো হুমকি কোনো রাজনৈতিক দলের থেকে পান নি। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা অবশ্য অন্য কথা বলছে। বিজেপির অন্দরে ইতিমধ্যেই রাহুল বাবুর বেমক্কা মন্তব্য করার অভ্যাস সম্পর্কে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। ভবিষ্যতে এই মন্তব্যকে ভিত্তি করে মামলা হলে কীভাবে নিজের দাবি প্রমাণ করবেন রাহুল সিনহা? দলের অন্দরেই উঠছে এই প্রশ্ন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!