এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > স্কুল ছুট ও পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের কথা ভেবে অভিনব পদক্ষেপের পথে রাজ্য শিক্ষা দফতর

স্কুল ছুট ও পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের কথা ভেবে অভিনব পদক্ষেপের পথে রাজ্য শিক্ষা দফতর

সরকার চায় স্কুল ছুটরা স্কুলে ফিরুক। আর সেই উদ্দেশ্যেই পিছিয়ে পড়া স্কুলছুট ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অভিনব পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই নয়া পদক্ষেপ অনুসারে শিক্ষা দপ্তর স্কুলছুট ছাত্র-ছাত্রীদের নতুন করে স্কুলে ভর্তি করার উদ্যোগ নিয়েছে। এখানেই শেষ নয়,তাদের পড়াশোনায় যাতে কোন রকম খামতি না থাকে সেই উদ্দেশ্যে শিক্ষাদপ্তর স্কুল ছুট দের জন্য বিশেষ সহায়িকা বই তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।

জানা গেছে, এই বই তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। বিভিন্ন ক্লাসের বাংলা ইংরেজি ও অংক বই এর নির্যাস থেকেই মূলত এই বই তৈরি হবে। যা স্কুলছুট ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে তাদের শিক্ষাপোযোগী হবে।

সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন মহল। কিন্তু পাশাপাশি এখন সঙ্গে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে কতটা বাস্তবসম্মত হবে এই প্রক্রিয়া। কেননা শিক্ষার অধিকার আইন (আরটিই-২০০৯) অনুযায়ী, প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত কাউকে ফেরানো যাবে না। কিন্তু সমীক্ষা বলছে অন্য কথা। দেখা যাচ্ছে রাজ্যে বিভিন্ন ক্লাসে স্কুল ছুটের সংখ্যা ক্রমশই বেড়ে চলেছে। কেন্দ্রের কাছে জমা করা রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যে স্কুল ছুট এর সংখ্যা ৬ হাজারেরও বেশি।

এই বিপুল সংখ্যায় স্কুলছুট সমস্যার জন্য প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্যকে। যার ফলে স্কুলছুট দের স্কুলমুখী করতে নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে এই প্রকল্প চালু করছে রাজ্য সরকার। জানা গেছে,প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল ছুট ছাত্র-ছাত্রীদের এই শিক্ষাদান করা হবে ক্লাসে মাঝে অবসর সময়ে।

বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান অভি মজুমদার এ বিষয়ে জানান, স্কুল ছুট এর সংখ্যা রাজ্য থেকে নির্মূল করতে সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় স্কুলছুটদের জন্য বিষয়ভিত্তিক নতুন ধরনের বই লেখা হচ্ছে। স্কুলছুট ছাত্র ছাত্রীরা যদি স্কুলে ফিরে আসতে চায় তবে এই বইয়ের মাধ্যমে শিক্ষাদান করে তাদের উপযুক্ত ক্লাসের উপযোগী করে নেওয়া হবে। নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ওই তৈরি কাজ শেষ হয়ে গেছে আগামী সপ্তাহে এই বইগুলি শিক্ষা দপ্তরে জমা দেওয়া হবে।

অন্যদিকে এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নবকুমার কর্মকার বলেন, “বয়স উপযোগী ক্লাসে পড়ানোর জন্য বিশেষ রকমের বইয়ের প্রচেষ্টা ভালো। কিন্তু তা কতটা বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

একই সঙ্গে তা কি হয়েছে প্রধান শিক্ষক পরেশ নন্দ জানান, “পরিকল্পনা ভালো, শুনতেও ভালো লাগে। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর করা অনেকটাই কঠিন। কারণ কারা করবে এই কাজ? শিক্ষকরা কি নিজস্ব রুটিন এর বাইরে এই কাজ করতে রাজি হবেন?

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!