এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > রাজ্যজুড়ে বনধ সর্বাত্মক না হলেও, বিক্ষিপ্ত সাড়া বহু জায়গাতেই – জানুন বিস্তারিত

রাজ্যজুড়ে বনধ সর্বাত্মক না হলেও, বিক্ষিপ্ত সাড়া বহু জায়গাতেই – জানুন বিস্তারিত

পেট্রোপণ্যের মূলবৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশ জুড়ে ১২ ঘন্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাম এবং কংগ্রেস। সকাল ৬ টা থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে বনধ। অন্যান্য দিনের তুলনায় রাস্তায় যান চলাচল কম থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখারই নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যসরকার। ইস্যুকে সমর্থন করলেও রাজ্যে বনধ কোনো ভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়,এমনটাই সাফ কথায় আগেই ঘোষণা করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে।

 পেট্রোল,ডিজেল,রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ পথে নামছে তৃণমূলও। কিন্তু বনধ যাতে কোনোভাবেই রাজ্যে পরিস্থিতি প্রতিকূল না করতে পারে সেদিকে কড়া নজর থাকবে প্রশাসনের,এমনটাই আগাম ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শুধু কোলকাতার রাস্তায় নামানো হয়েছে ৪০০০ পুলিশ। এছাড়া অতিরিক্ত ৮০০ টি সরকারি বাসও চলছে শহরে। এছাড়া রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমান ট্যাক্সি,অ্যাপ ক্যাব। তবে জানা গিয়েছে,সপ্তাহের প্রথম দিন হলেও রাস্তাঘাটে যাত্রীর সংখ্যা অন্যান্য দিনের তুলনায় কম। ট্রেন,বাসগুলোও অপেক্ষাকৃত খালি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য জুড়ে বিক্ষিপ্ত অবরোধ চোখে পড়ছে।

আসনু বিস্তারে জেনে নেওয়া যাক্ বনধের প্রভাব রাজ্যের কোথায় কেমন পড়েছে:-

বনধের সমর্থনে বাম-কংগ্রেস সকাল থেকে সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। সকাল থেকে বাম মিছিল অবরুদ্ধ করে রেখেছে হাজরা মোড়। যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড,ডানকুনি রেল লাইন সব জায়গাতেই বাম সমর্থকরা বনধের সমর্থনে ভীড় জমিয়েছে সকাল থেকেই। এর জেরে বাস,ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। একটি ডানকুনি লোকাল ট্রেন দাঁড়িয়ে পড়েছে এর জেরে।

যাদবপুরের বাসস্ট্যান্ড চত্বরে দাঁড়িয়ে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন,‘‘সারা দেশের মানুষ বন‌্ধকে সমর্থন করেছেন। শুধুমাত্র এ রাজ্যে ছবিটা অন্য। কারণ এ রাজ্যের সরকার বিজেপিকে সমর্থন করছে।’’  ওদিকে,হাওড়ার দাশপুর অবরুদ্ধ করে রেখেছে বাম সমর্থকরা। অবরোধ তোলাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে বামদের ধস্তাধস্তিও হয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় র‌্যাফ নামানো হয়। এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। হাওড়ার শানপুরেও একই অবস্থা। তবে পুলিশ এখানের অবরোধ তুলে দিয়েছে। দুর্গাপুরের ওয়ারিয়া স্টেশানের কাছে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে বামেরা। রেলপুলিশের হস্তক্ষেপে সে অবরোধ উঠে যায়।

কংগ্রেসও বনধের সমর্থনে সকাল নটা থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মিটিং মিছিল পথ অবরোধ শুরু করেছে। হাওড়ার পঞ্চাননতলা,পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায়  অবরোধ করার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। পরে অবরোধ ওঠাতে বাধ্য হয় তাঁরা। যাদবপুরে শিয়ালদাগামী ক্যানিং লোকান আটকানো হলে যাত্রীদের বিক্ষোভের জেরে পিছু হটতে বাধ্য হন অবরোধকারীরা। ট্যাক্সিতে বেশি ভাড়া চাওয়ার অভিযোগ সকাল থেকেই রয়েছে শিয়ালদায়। শিয়ালদা দক্ষিণ শাখার বারুইপুর লক্ষীকান্তপুর লোকালে ভোরেই ওভারওয়েট তারে কলাপাতা ফেলে দেয় বনধ সমর্থনকারীরা। এর জেরে ৫ টি আপ এবং দুটি ডাউন ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। বেহালায় সরকারি বাস চললেও রাস্তায় সেভাবে দেখা মিলছে না বেসরকারি বাসের।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তবে বনধের কোনো প্রভাবই পড়ে নি ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে। হাওড়া ডিভিশনের ট্রেন চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রী সংখ্যা অনেকটাই কম। দক্ষিণ শাখা ছাড়া  শিয়ালদার অন্যান্য শাখায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। উওরবঙ্গের কোচবিহারে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সকাল থেকে তৃণমূলের শ্রমিক ইউনিয়ন পথে নেমেছে।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!