এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনায় সরগরম এসএসকেএম, জানুন বিস্তারিত

চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনায় সরগরম এসএসকেএম, জানুন বিস্তারিত

কিছুদিন আগেই এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত জুনিয়র চিকিৎসক পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে মারধরের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। যেখানে খিদিরপুরের একদল বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে এই চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, জুনিয়র চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় তীব্র অচলাবস্থা তৈরী হয়।

তবে চিকিৎসকদের ওপর যাতে এইভাবে কোনরূপ আঘাত না আসে, তার জন্য হাসপাতালের আউটডোরের বাইরে কোলাপসিবল গেট দিয়ে অবাঞ্ছিত মানুষদের যাতায়াত রুখে দেওয়ার কথা শোনা যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। কিন্তু তারই মাঝে ফের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনা প্রকাশ্যে এল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

জানা যায়, রবিবার খিদিরপুরের বাসিন্দা মহম্মদ আকবর কিডনির সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তবে সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হলে সেই মৃতের পরিবার চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে তাদের ওপর চড়াও হন। অভিযোগ, এসএসকেএমের কর্তব্যরত আরএমও মৃনালেন্দু দাসকে সেই মৃতের পরিবারের সদস্যরা চড় থাপ্পড় মারেন। এমনকি হাসপাতালেও ব্যাপক ভাঙচুর করেন।

এদিকে এই ঘটনায় এক চিকিৎসক মৃতের পরিবারকে বাধা দিতে এলে তাকেও প্রহারের মুখে পড়তে হয়। আর অতীতে পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের উপর হামলায় এই খিদিরপুরের বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর এবার সেই খিদিরপুরের বাসিন্দাদের বিরুদ্ধেই এসএসকেএমের চিকিৎসককে মারার অভিযোগ উঠলে স্বাস্থ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠতে শুরু করল প্রশ্ন। তবে এদিন চিকিৎসককে মারধরের খবর পেয়েই এসএসকেএমে পৌঁছে যায় ভবানীপুর থানার পুলিশ।

প্রথমে 2 জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার পর মহম্মদ সাজিদ নামে আরও এক ব্যক্তিকে পরে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে চিকিৎসক নিগ্রহ এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের মতো গুরুতর অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এনআরএসের পর এবার এসএসকেএমে রোগীর মৃত্যুতে রোগীর পরিবারের দ্বারা চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনায় আরও একবার রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!