এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > শঙ্কুদেব পণ্ডার হাত ধরে বড়সড় ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ ছাত্র-যুব ভোটে, আগামী দিনে আরও বড় চমক?

শঙ্কুদেব পণ্ডার হাত ধরে বড়সড় ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ ছাত্র-যুব ভোটে, আগামী দিনে আরও বড় চমক?

প্রিয় বন্ধু বাংলা এক্সক্লুসিভ – একদা রাজ্যের বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অঘোষিত দুনম্বর নেতা মুকুল রায় গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েই ঘোষণা করেছিলেন – শাসকদলের অন্দরে ‘শ্বাস-প্রশ্বাসের’ বড় কষ্ট! তাই তিনি দল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন এবং আগামীদিনে এই ‘শ্বাস-প্রশ্বাসের’ কষ্টে ভোগা বহু নেতাই দল ছেড়ে একইভাবে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হবেন। আর তাঁর কথা সত্যি করে, লোকসভা নির্বাচনের আগেই শাসকশিবির ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন রাজ্য-রাজনীতিতে পরিচিত একাধিক নেতা-নেত্রী। আর এই যোগদানের মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য – একদা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি শঙ্কুদেব পণ্ডা।

কেননা গেরুয়া শিবিরের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, মুকুল রায়ের হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করলেও, শঙ্কুদেবকে দলে নেওয়ার জন্য কথাবার্তা বলার জন্য নির্দেশ ছিল স্বয়ং বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে। কিন্তু, তৃণমূলের এত নেতা থাকতে হঠাৎ শঙ্কুদেব কেন? গেরুয়া শিবিরের অন্দরে কান পাতলে যা শোনা যাচ্ছে, বাংলায় একদম নতুন ছাত্র ও যুব ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১২ লক্ষের কাছাকাছি। এর মধ্যে প্রায় ৯ লক্ষ ভোট বেশ কিছু আসনে এবার বড় ডিসাইডিং ফ্যাক্টর হতে চলেছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ছাত্র ও যুব ভোটকে কাছে টানার নির্দেশ দিয়েছেন।

গেরুয়া শিবিরের ওই সূত্রের আরও দাবি, এই বিপুল সংখ্যক ছাত্র ও যুব ভোটারের মধ্যে শঙ্কুদেব পণ্ডার প্রভাব রয়েছে প্রবলভাবে। যে কারণে দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরী হলেও, আবার তাঁকেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মাথায় বসানোর জল্পনা শুরু হয়ে যায় প্রবলভাবে। তাছাড়া, বর্তমানে শাসকদলের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি সম্মুখসমরে নামার সাহসও রাখেন তিনি। কেননা, তাঁর অনুগামীদের স্পষ্ট অভিযোগ, দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থান ‘কন্টকহীন’ করতেই, দিনের মধ্যে ২৪ ঘন্টাই তপসিয়ার তৃণমূল ভবনে পরে থেকে সংগঠন সামলানো শঙ্কুদেব পণ্ডাকে রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা করা হয়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

একই সঙ্গে, গেরুয়া শিবিরের আরও দাবী, শঙ্কুদেব রাজনীতিটা করে এসেছেন প্রবল বাম জমানায়, বিরোধী আসনে থাকার সময়ে। সেই সময়ে, একাধিক মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়েও আটকানো যায় নি শঙ্কুদেবের উত্থান – বলতে গেলে একক ক্যারিশমায় ছিনিয়ে এনেছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতা। আর সেই সময়ে ছাত্র রাজনীতিতে যে ঝড়টা তুলতে তিনি সক্ষম হয়েছিলেন, তার প্রভাব সরাসরি পড়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। আর তাই, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলায় পরিবর্তনের পরিবর্তন করতে গেলে, আবারো দরকার ছাত্র-যুব রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন। আর শঙ্কুদেবকে যতই শাসকদল কোনঠাসা করে রাখুক – ছাত্র-যুব নেতাদের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ এখনও অত্যন্ত দৃঢ়।

সূত্রের খবর, শঙ্কুদেব পণ্ডা গেরুয়া শিবিরে পা দিয়েই নিজের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ঘাসফুল শিবিরের অভ্যন্তরে রীতিমত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ শুরু করে দিয়েছেন – তাঁর হাত ধরে আগামীদিনে একাধিক প্রভাবশালী ছাত্র ও যুবনেতা নাকি গেরুয়া শিবিরে যোগদান করতে চলেছেন। এই ব্যাপারে শঙ্কুদেব পণ্ডার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলে – তাঁর দুটি ফোনই বেজে গেছে, কেউ ধরে নি। এমনকি তাঁকে এসএমএস বা হোয়াটস্যাপ করা হলেও তিনি জবাব দেন নি। অন্যদিকে, সূত্রের খবর, একাধিক জাতীয় গোয়েন্দা ও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের রিপোর্টে উঠে এসেছে শঙ্কুদেব পণ্ডার প্রাণহানির আশঙ্কার কথা। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দুই অত্যন্ত প্রভাবশালী অফিসার বাংলায় এসে সরেজমিনে খতিয়ে দেখছেন শঙ্কুদেব পণ্ডার নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এমনকি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তর এই রিপোর্টের ভিত্তিতে এতটাই চিন্তিত যে, ইতিমধ্যেই রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবকে এই নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে, বিজেপিরই একটি অংশের দাবি ছিল – স্থানীয় প্রভাবশালী যুবনেতা হিসাবে তাঁকে আগামী লোকসভা নির্বাচনে কাঁথি থেকে টিকিট দেওয়ার সম্ভাবনা ক্রমশ উজ্জ্বল হচ্ছে। কিন্তু, আজ সকালে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ অনুগামীর দাবি, ১০০% নিশ্চিত শঙ্কুদেব পণ্ডাকে কাঁথিতে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। তবে, তাঁর মত যুবনেতাকে সামনে রাখতে রাজ্য-রাজনীতির ছাত্র ও যুব সমাজকে কাছে টানতে মরিয়া স্বয়ং অমিত শাহ। আর তাই, শঙ্কুদেব পণ্ডাকে আগামী লোকসভা নির্বাচনে সম্ভবনাময় একটি আসনে টিকিট দেওয়ার আলোচনা চলছে। ওই অনুগামীর আরও দাবি, তবে শঙ্কুদেব পণ্ডা তৃণমূলকে ভাঙতে যে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালিয়েছেন, তার প্রভাবটা বুঝতে আরও কিছুদিন, বিশেষ করে নির্বাচনটা ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। তাহলেই বুঝতে পারবেন আগামী দিনে কি চমক দিতে চলেছেন গেরুয়া শিবিরের এই নয়া তারকা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!