এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মান অভিমান মিটছে না কিছুতেই, ক্রমশ দূরে যাচ্ছেন শোভন, পদ থেকে ইস্তফা কাননের

মান অভিমান মিটছে না কিছুতেই, ক্রমশ দূরে যাচ্ছেন শোভন, পদ থেকে ইস্তফা কাননের

যত দিন যাচ্ছে ততই যেন দলের সঙ্গে নিজের দূরত্বকে আরও চওড়া করছেন একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ তথা বেহালা পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক শোভন চট্টোপাধ্যায়। এবার স্পিকারের ফোনেও বরফ গলল না। উল্টে বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায়ের করা ফোনে যখন তাকে বিধানসভার মৎস্য এবং প্রাণী সম্পদ স্থায়ী সমিতির চেয়ারম্যান হিসেবে বৈঠকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হল, ঠিক তখনই সেই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা বলেও আজ অবশেষে সেই স্পিকারের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিলেন শোভনবাবু।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

যা তার দল তৃণমূলের সঙ্গে তার সম্পর্ককে আরও অনেকটাই তিক্ত করল বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। বস্তুত, বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠতা ঠিকভাবে মেনে নিতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপরই শোভনবাবুকে কলকাতা পৌরসভার মেয়র এবং রাজ্যের মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়।

এদিকে গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর সেইভাবে দলের কোনো কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া তো দূর অস্ত, সরকারের কোনো কর্মসূচিতেও যোগ দিতে দেখা যায়নি সেই শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। তবে সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরে তিনি ফের খবরের শিরোনামে উঠে আসতে শুরু করেন। তৃণমূলের তরফে কখনও পার্থ চট্টোপাধ্যায় আবার কখনও বা ফিরহাদ হাকিম তার মান ভাঙিয়ে যাতে তাকে দলে সক্রিয় করা যায়, তার জন্য তার কাছে অনেক আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

তবে অবশেষে সম্প্রতি বিধানসভার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ স্থায়ী সমিতির চেয়ারম্যান থাকা শোভন চট্টোপাধ্যায়ের কেন বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না, সেই ব্যাপারে তাকে ফোন করেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকে মনে করেছিলেন, বিধানসভার স্পিকার এই ফোন করলেও এর পেছনে রাজ্যের শাসকদলের সূক্ষ্ম কৌশল রয়েছে।

কেননা নিজেরা কোনোভাবেই শোভন চট্টোপাধ্যায়কে বাগে আনতে না পেরে অবশেষে স্পিকারকে দিয়ে তিনি যে বিভাগের চেয়ারম্যান, তার বৈঠকে কেন তিনি যোগ দিচ্ছেন না তা বলে শোভনবাবুর ওপর চাপ সৃষ্টি করার কৌশল করেছিল রাজ্যের শাসক দল। অনেকে ভেবেছিলেন, হয়ত বা শোভন চট্টোপাধ্যায় স্পিকারের ডাকে বিধানসভায় এই স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বৈঠকে যোগ দেবেন!

এমনকি তিনি নিজেও কলকাতার এক জনপ্রিয় পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সময় পেলে সামনের সপ্তাহে তিনি বিধানসভায় গিয়ে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানিয়েছিলেন। তবে অবশেষে তার আর যাওয়া হল না। সূত্রের খবর, আজ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি দিয়ে বিধানসভার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ স্থায়ী সমিতির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কেন হঠাৎ তিনি এই কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন! তাহলে কি তিনি তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা নিয়ে নিয়েছেন!

সমালোচকদের দাবি অনুযায়ী তাহলে কি তিনি এবার শিবির বদল করতে চলেছে! আর তাই কি এবার চেয়ারম্যান পদেও ইস্তফা দিয়ে দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়! এদিন এই প্রসঙ্গে স্পিকারের কাছে দেওয়া চিঠিতে শোভনবাবু লিখেছেন, “অনিবার্য কারণবশত আমি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ স্থায়ী সমিতির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।”

তবে শোভন চট্টোপাধ্যায় শেষ পর্যন্ত স্পিকারের আবেদন যেমন খারিজ করলেন, ঠিক তেমনই এই কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তার দল তৃণমূল কংগ্রেসকে বার্তা দিলেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে অনেকের মনে এই ঘটনার সাথে সাথে একটা আশঙ্কা কাজ করছে, তাহলে কি এবার তৃণমূলের সাথে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন কোনো পথে পা বাড়াবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় কানন! জল্পনা তুঙ্গে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!