এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সৌরভকে সামনে রেখেই কি তৃণমূল নেত্রীকে মাস্টারস্ট্রোকে দিলো গেরুয়া শিবির?

সৌরভকে সামনে রেখেই কি তৃণমূল নেত্রীকে মাস্টারস্ট্রোকে দিলো গেরুয়া শিবির?

বহুদিন পর বাংলার মহারাজ সৌরভ গাঙ্গুলীকে ঘিরে বাঙালি আবার গর্বের শিখরে। সৌরভ গাঙ্গুলীকে নিয়ে বাঙালির স্বপ্নের শুরু হয়েছিল 1996 সালের লর্ডসের মাঠ থেকে আর তারপর একটার পর একটা স্বপ্নের বুননে বাঙালি মশগুল হয়ে রয়েছে। এবার আবার ‘বাপি বাড়ি যা’ বলে সৌরভ গাঙ্গুলী বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন।

23 শে অক্টোবর বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সভাতেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন সৌরভ গাঙ্গুলী। প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী যদি এবার বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হন, তাহলে ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে তিনি দ্বিতীয় অধিনায়ক যিনি বোর্ড প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব হাতে পাবেন। এর আগে ভারতীয় অধিনায়ক ভিজির মহারাজ কুমার বিসিসিআইয়ের পূর্ণ সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব নেওয়ার খবরে তার বাড়িতে অসংখ্য শুভেচ্ছা বার্তা আসছে।

রবিবার রাতে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ফলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই বাঙালির গর্বের জায়গায় বাংলার মহারাজ আবার জায়গা করে নিয়েছেন। তবে একটা প্রশ্ন বারে বারে উঠে আসছে, এই প্রেসিডেন্ট পদের পেছনে কি বিজেপি যোগ আছে? যদিও এই কথাতে প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী এবং সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ দুজনেই সম্পূর্ণ নস‍্যাৎ করে দিয়েছেন। তাঁরা বারবার বলছেন, তাঁদের মধ্যে কোন রকম চুক্তি হয়নি।

এরই মধ্যে জল্পনা উসকে এবার প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ ও রাজ্য বিজেপির নেতা অনুপম হাজরা দাবি জানিয়ে বললেন, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট পদে বসিয়েছে বিজেপি। অনুপম হাজরার একটি বিবৃতিতে এই কথা পরিষ্কার হয়ে গেছে।

সোমবার একটি ফেসবুক পোস্টে সৌরভ গাঙ্গুলী সম্পর্কে একটি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অনুপম হাজরা। সেখানে লেখা আছে, ‘তৃণমূল নেত্রীর কথায় বিজেপি নাকি বাঙালি বিদ্বেষী। সত্যিই বিজেপি এত বাঙালি বিদ্বেষী যে একজন বাঙালিকে বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদে মনোনীত করল।’ অনুপম হাজরার কথা অনুযায়ী দাঁড়াচ্ছে, সৌরভ গাঙ্গুলীকে বিজেপি বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট পদে মনোনীত করেছে। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন এই কথা। তিনি বলেছেন, সৌরভের সঙ্গে তাঁর কোনো রাজনৈতিক চুক্তি হয়নি। বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী সৌরভ গাঙ্গুলী প্রেসিডেন্ট পদে নিযুক্ত হয়েছেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

তবে সূত্রের খবর, বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে সৌরভ গাঙ্গুলী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন এবং নিভৃতে তাঁদের একটি বৈঠক হয়। আর তারপরেই সৌরভ গাঙ্গুলির প্রেসিডেন্ট পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। যদিও সৌরভ গাঙ্গুলী এই সম্ভাবনাকে চূড়ান্ত নস্যাৎ করে জানিয়েছেন, অমিত শাহের সাথে বৈঠক করলেও তিনি জানতেন না যে তিনি পরবর্তী বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন।

সৌরভ গাঙ্গুলী বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হবার পরেই বারেবারে একটাই প্রশ্ন উঠে আসছে। পশ্চিমবাংলায় কি এবার বিজেপির মুখ হিসেবে সৌরভ গাঙ্গুলী প্রচার করবেন ? অবশ্য এই ঘটনায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, ‘আমাদের সঙ্গে সৌরভের কখনো এ ব্যাপারে কথা হয়নি। আমরা কখনও তাঁকে যোগ দিতে বলিনি আবার তিনিও কখনো দলে যোগ দিতে অস্বীকার করেননি।’

সম্পূর্ণ ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রাক্তন অধিনায়ক যদি রাজনীতিতে যোগদান করেন, তাতে ভালই হবে। কারণ সম্পূর্ণ অন্য স্তর থেকে রাজনীতিতে যোগদান করার ফলে রাজনীতির মধ্যে যে সংকীর্ণতা আছে বলে মনে করা হয়, তা দূরীভূত হবে। তবে প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর তরফ থেকে রাজনীতিতে যোগদান করার যেকোনো রকম জল্পনাকে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বয়ং মহারাজ সৌরভ গাঙ্গুলী রাজনীতির বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে গেছেন। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, এই মুহূর্তে হয়তো প্রাক্তন অধিনায়ক কোন রকম সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। তবে ভবিষ্যতে কি হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না  সমগ্র পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

তবে রাজনৈতিকমহলের মতে এর ফলে নেত্রীর দেওয়া বাঙালি বিদ্বেষীর তকমা ছিঁড়ে ফেললো বিজেপি। কেননা সৌরব গান্সোপাধ্যায় ওরফে দাদা ,মহারাজ রাজীনীতির উর্ধে গিয়ে প্রত্যেক বাঙালির মনের মধ্যে আছেন তাই তাঁকে সম্মনজনক পদ দিয়ে বিজেপি বাঙালির মন জয় করল বলেই মত রাজনৈতিকমহলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!