এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > জরুরি অবস্থায় ছুটিতে কাজ করেও প্রাপ্য ছুটি থেকে বঞ্চিত, ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মীদের

জরুরি অবস্থায় ছুটিতে কাজ করেও প্রাপ্য ছুটি থেকে বঞ্চিত, ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মীদের

পুজোর মরশুমে সরকারী কর্মচারীদের ছুটি থাকলেও জরুরি এবং আপৎকালীন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের কোনো ছুটি দেওয়া হয় না। বছরের অন্যান্য দিনগুলোর মতোই নিয়মিত অফিসে আসতে হচ্ছে তাঁদের। ইতিমধ্যে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মী-আধিকারিকরা – কে কোনদিন কাজে আসবেন সে তালিকা সরকারিভাবে তৈরি করা হয়ে গিয়েছে। পুজোর ছুটিতে ১৫, ১৬, ১৮, ২২, ২৩ এবং ২৫ অক্টোবর অফিস খোলা রেখে কিছু কর্মী-অফিসারের আসার ব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তর থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

আর এতেই রীতিমতো অসন্তোষে ফুঁসছেন ওইসব সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সরকারি আধিকারিকরা। কারণ সাধারণত সহমতের ভিত্তিতে পুজোর দিনগুলোতে কাজে আসার তালিকা প্রস্তুত করার নিয়ম রয়েছে। জোর করে কাজ চাপিয়ে দেওয়া হয় না রাজ্য সরকারের তরফে। কিন্তু সে নিয়ম না মেনেই এ বছর অফিসে আসার ফতোয়া জারি করেছে রাজ্য সরকার। এছাড়া ছুটির দিন কাজ না করলেও তার বদলে অন্যদিন কাজ করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না – তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

ফলে, ইচ্ছে করে রাজ্য সরকার পুজোর ছুটি সংক্রান্ত বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি করেছে – এমনটাই অভিযোগ কর্মচারীদের একাংশের। এই ছুটি নেওয়ার ব্যাপারে সরকারি নির্দেশিকার ব্যাপারটাও স্পষ্ট নয় অনেক আধিকারিকের কাছে। উল্লেখ্য, ১৯৫৫ সালের সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী পুজোর ছুটিতে কাজ করলে ‘কমপেনসেটরি ক্যাজুয়াল লিভ’ নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এতে স্পষ্ট উল্লিখিত রয়েছে একমাত্র পুজোর ছুটির সময় কাজ করলেই এই ছুটি পাওয়া যাবে। সাতদিন পর্যন্ত এই ছুটি নেওয়া যাবে। তবে এই নির্দেশিকায় ত্রুটি রয়েছে এমনটাই দাবী করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের কোর কমিটির সদস্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

তিনি জানান, এতে বলা রয়েছে সচিবালয় ও ডাইরেক্টরেটের কর্মীরাই এই বিশেষ ছুটি নিতে পারবেন। তিনি আরো জানান, কলকাতা ও জেলায় অবস্থিত সরকারী আঞ্চলিক অফিসগুলোর কর্মীরা এই ছুটি থেকে বঞ্চিত। একারণেই আঞ্চলিক অফিসের কর্মীরা পুজোর ছুটিতে কাজ করতে চান না। অধিকাংশ আঞ্চলিক অফিসই পুজোর সময় তাই বন্ধ রাখতে হয়। বিশেষ ছুটির তালিকায় আঞ্চলিক অফিসের কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলেই মনে করছেন তিনি। তবে লোকসভা ভোটের আগে সরকারি কর্মচারীদের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভের উপশম না ঘটাতে পারলে ভোটব্যাঙ্কে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে – এমনটাই আশঙ্কা করেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!