এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার – কমিশনের কড়া দাওয়াই রাজনৈতিক দলগুলির জন্য, পেতে পারেন শোকজ

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার – কমিশনের কড়া দাওয়াই রাজনৈতিক দলগুলির জন্য, পেতে পারেন শোকজ

এবারের লোকসভা ভোটের প্রচার কর্মসূচিতে সোশ্যাল মিডিয়াই সবথেকে আকর্ষণীয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে ভোটে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে। তবে এসব ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ব্যাপারেও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম স্থির করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল যদি প্রার্থীর ছবি বা ভিডিও দিয়ে প্রচার চালায় তাহলে সেই প্রার্থীকে শোকজ করা হবে বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

সেইমতো সোশ্যসোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি চালানোর জন্য মিডিয়া সার্টিফিকেট অ্যান্ড মনিটারিং কমিটি নামে একটি কমিটিও তৈরি করা হয়েছে জেলায়। এই কমিটিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ও দক্ষ লোকেদেরই রাখা হয়েছে। যারাই ২৪ ঘন্টাই সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজর রাখবে। এমনটাই জানিয়েছে কমিশন।

এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তথ্য সাংস্কৃতিক আধিকারিক শান্তনু চক্রবর্তী জানান,এবছরই প্রথম সোশ্যাল মিডিয়াতে নজরদারি চালানোর জন্যে বিশেষ একটি টিম তৈরি হয়েছে। সেই কমিটির বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি চালানো শুরু করে দিয়েছে।

এবার থেকে কোনো রাজনৈতিক দল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালাতে গেলো আগ প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। না হলে প্রশাসনের কোপে শিকার হতে হবে। একটি সর্বদলীয় বৈঠক করে পুরো বিষয়টি সব রাজনৈতিক দলগুলোকে জানিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে,কমিশনের সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত এই নিয়মের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বিভাস চট্টোপাধ্যায়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

তবে এ বিষয়ে এখনো তাঁদের কিছু জানানো হয়নি বলে জানালেন তিনি। একই বক্তব্য আর এস পি জেলা সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরীর। প্রশাসন জানানোর আগে তিনি এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাইলেন না। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মানস সরকারের বক্তব্য,প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি। তবে এ ধরনের কোনো নিয়ম চালু হলে অবশ্যই তা মেনে চলবেন বলে আশ্বাস দিলেন।

তবে বিভিন্ন বিরোধীমহলের তরফ থেকে এই প্রেক্ষিতে একটি প্রশ্ন বার বার উঠছে যে,প্রচার কর্মসূচিতে নেমে বিরোধী পক্ষের কেউ হেনস্তা হলে কমিটির অনুমতি না নিয়ে প্রচার করলে সেটা কীভাবে নির্দিষ্ট করা হবে? যদিও এ ব্যাপারে কোনো জবাব এখনো মেলেনি কমিশনের পক্ষ থেকে।

এবারের লোকসভা ভোটে কেন্দ্র থেকে বিজেপি উৎখাতের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিরোধীদের কাছে। আর সেজন্যে ডিজিট্যাল ইন্ডিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়াকে প্রচারের মাধ্যম করতে উঠে পড়ে লেগেছে প্রতিটি রাজনৈতিক দল। প্রতিটি দলই সোশ্যাল মিডিয়া সেল খুলেছে। সেখানে প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলের কর্মীরা বিভিন্ন ছবি,পোস্টার বানিয়ে প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন। অনেকে আবার ভিডিও বানিয়ে এলাকার উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেছেন। প্রচার কর্মসূচিতে সোশ্যাল মিডিয়ার এই রমরমা নজর এড়ায়নি নির্বাচন কমিশনের।

আর সেজন্যে রবিবার ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত একগুচ্ছ নিয়মাবলী বেঁধে দিয়েছে কমিশন। সেখানেই উঠে এসেছে প্রচার কর্মসূচিতে সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত এই নিয়মটি। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার কর্মী সমর্থকদের উপর সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কীভাবে নজরদারি চালানো সম্ভব হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!