এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বর্তমান ভারতীয় রাজনীতির আসল “মাস্টারমাইন্ড” তিনিই, আবার প্রমাণ করে দিলেন অমিত শাহ!

বর্তমান ভারতীয় রাজনীতির আসল “মাস্টারমাইন্ড” তিনিই, আবার প্রমাণ করে দিলেন অমিত শাহ!

 

রাজনীতিবিদ আর জাদুকরদের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। পার্থক্য শুধু একটাই। যাদুকরেরা যেমন বিভিন্ন জিনিস নিমেষেই উধাও করিয়ে দিয়ে চমক দেখাতে পারেন, ঠিক তেমনই পাকাপোক্ত রাজনীতিবিদরা মুহুর্তের মধ্যে তাদের দাবাচালে পরিস্থিতিকে ঘুরিয়ে দিতে পারেন। মহারাষ্ট্রের দোদুল্যমান পরিস্থিতিতে শেষ মুহূর্তে বিজেপি বাজিমাত করায় তেমনই কোনো রাজনীতিবিদ জাদুকরের হাত ছিল বলে নিশ্চিত ছিলেন প্রত্যেকেই। তবে কে সেই ব্যক্তি!

সূত্রের খবর, তিনি আর কেউ নন। ভারতবর্ষের রাজনীতির চাণক্য বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। শেষ মুহূর্তে গোটা খেলাকে ঘুরিয়ে দিতে তিনিই মোক্ষম ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে মনে করেন অনেকে। বস্তুত, প্রথমদিকে বিজেপি-শিবসেনা জোট মহারাষ্ট্র সরকার গড়বে বলে মনে করা হলেও পরবর্তীতে বিজেপির সঙ্গে শিবসেনার সম্পর্কে ভাঙ্গন ঘটে।

আর এরপরই শিবসেনা, কংগ্রেস এবং এনসিপির তরফে জোট করার ব্যাপারে খবর পাওয়া যায়। জোট করেই এই তিন দল সরকার গড়বে বলে সমস্ত কিছু ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যায় পাল্টে গেল পরিস্থিতি। শনিবার সকালে এনসিপির শরদ পাওয়ার যখন বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেস এবং শিবসেনার সঙ্গে জোটের ব্যাপারে আলোচনা করছেন, ঠিক তখনই এনসিপির অজিত পাওয়ার বিজেপিকে সমর্থন করায় পুরো খেলা ঘুরে গিয়েছে।

বর্তমানে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন সেই অজিত পাওয়ার। কিন্তু কিভাবে পরিস্থিতি তৈরি হল? জানা গেছে, সরকার গড়ার এই দাবা খেলায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ মোক্ষম চালটি চেলে দিয়েছিলেন।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিন মুম্বইয়ের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দর যাদবের কাছে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। আর সেখানেই দুইজন বৈঠক করে দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে মুখ্যমন্ত্রী করবার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। আর তাতেই সাফল্য পেয়ে যান তারা। তড়িঘড়ি যোগাযোগ করা হয় এনসিপির অজিত পাওয়ারের সঙ্গে। আর তাতে রাজি হয়ে যাওয়ার পরেই সকালে অনেক রাজনীতিবিদ আড় ভেঙে বিছানা ছেড়ে উঠতে না উঠতেই গঠন হয়ে যায় মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকার।

এদিন এই প্রসঙ্গে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সুশিল মোদী বলেন, “অমিত শাহ আবার প্রমাণ করলেন, ভারতীয় রাজনীতিতে তিনিই প্রকৃত চাণক্য।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন এনসিপি কংগ্রেস এবং শিবসেনা মিলে বিজেপিকে ঠেকানোর জন্য উদ্যোগী হয়েছে, তখন এক এনসিপি নেতাকে নিজেদের বাগে আনা সত্যিই বড় কঠিন ব্যাপার। কিন্তু সেদিক থেকে সেই এনসিপির অজিত পাওয়ারকে নিজেদের দখলে এনে সরকার গড়ে বিরোধীদের রীতিমতো মাস্টারস্ট্রোক দিলেন অমিত শাহ বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!