এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > নাবালক ‘তন্ত্রসাধকের’ হাতে ‘বলি’ আর এক নাবালক, তুলকালাম খড়্গপুরে – দেখুন ভিডিও

নাবালক ‘তন্ত্রসাধকের’ হাতে ‘বলি’ আর এক নাবালক, তুলকালাম খড়্গপুরে – দেখুন ভিডিও

নাবালক ‘তন্ত্রসাধকের’ হাতে ‘খুন’ হল আরেক নাবালাক, যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়্গপুর এলাকায়। শনিবার রাতের দিকে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। মৃত ওই নাবালকের নাম রুদ্র নায়েক। সাত বছরের ওই ছেলেটিকে, তন্ত্র সাধনার গেরোয় খুন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে মৃতের পরিবারের তরফে। অভিযুক্তও নাবালক, তার বাড়ি থেকেই উদ্ধার করা হয় রুদ্র নায়েকের রক্তাক্ত দেহ। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে খড়্গপুর থানার অন্তর্গত নিরঞ্জন বারে।

স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, শনিবার বিকেলে চারটে থেকে নিখোঁজ ছিল রুদ্র। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরে রুদ্রের মা-বাবা বাড়ির পাশে রতন নায়েকের বাড়ি যান। পড়শি রতনের নাবালক ছেলে তন্ত্রসধনা করে বলেই স্থানীয় স্তরে খবর। তার কাছেই জানতে চাওয়া হয় রুদ্রের অবস্থান সম্পর্কে। তখনও কারো ধারণা হয়নি যে ছোট্ট রুদ্রকে খুন করেছে ওই নাবালক তন্ত্র সাধক। রুদ্রের বাবা-মায়ের কথার জবাব দিতে গিয়ে সে নিজের উপরে ঠাকুরের ভর হওয়ার ভান করে।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

একই সাথে জনায় যে দু’জন ব্যক্তি তাদের ছেলেকে নিয়ে অনেক দূরে চলে গিয়েছে। এরপর রুদ্রের মা-বাবা তাদের ছেলেকে ফেরত নিয়ে আসার অনুরোধ করেন। তারা আরও বলেন ছেলেকে ফেরত এনে দিলে পুলিশে জানাবে। এরপর তন্ত্রসাধক ছেলেটি জানায় যে রুদ্র এখানেই আছে। একথা বলার পর পাশের ঘর থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় রুদ্রকে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই উত্তেজিত গ্রামবাসীরা রতনের বাড়িতে চড়াও হয়। পুলিশকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয়। অভিযুক্তদের নিয়ে বেরোবার সময় পুলিশকে ঘিরে গ্রামবাসীরা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। অভিযুক্ত নাবালক সহ রতনের পুরো পরিবারকেই আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও পুলিশ ভ্যানে বসে, ওই নাবালক দাবি করেছে, যে সে খুন করে নি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!