এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > স্লোগান বিতর্কে বিজেপিকে আটকাতে নিজেদের খেলা গেমের ফাঁদে খোদ শাসকদল, লাভ গেরুয়া শিবিরের

স্লোগান বিতর্কে বিজেপিকে আটকাতে নিজেদের খেলা গেমের ফাঁদে খোদ শাসকদল, লাভ গেরুয়া শিবিরের

সারা রাজ্য জুড়েই এখন জয় শ্রীরাম স্লোগানকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে রাজনীতি। কিছুদিন আগেই চন্দ্রকোনা রোডের পর ভাটপাড়া এবং নৈহাটি দিয়ে তৃনমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয় যাওয়ার সময় হঠাৎই কিছু যুবক সেই গাড়ি উদ্দেশ্য করে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে শুরু করে। আর সেই স্লোগান শুনেই রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গাড়ি থেকে নেমে তিনি বলেন, “এই ক্রিমিনাল, পালাচ্ছিস কেন! আমাকে গালাগালি দিচ্ছে।”

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন আচরণ নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় তা নিয়ে তীব্র ভাইরাল শুরু হয়। কেন রাম নামে এত আপত্তি তৃণমূল নেত্রীর, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে বিজেপি। পাল্টা বিজেপি নেতাদের দেখলেই জয়হিন্দ স্লোগান দিতে হবে বলে জানিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে নেত্রীর এই নির্দেশ পাওয়ার পরই তৃণমূলের সোশ্যাল সাইটে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং মুকুল রায়ের নাম্বার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। যেখানে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, তাদের নাম্বারে জয়হিন্দ লিখে পাঠান। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি নেতাদের নম্বর ভাইরাল হয়ে গেলে একের পর এক তৃণমূল কর্মী তাদের নম্বরে জয়হিন্দ মেসেজ লিখে পাঠান। তবে তাদের নম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেলে তার আদতে তাদেরই সুবিধা করে দিয়েছে বলে জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের ফোন নম্বর মুষ্টিমেয় কয়েকজনের কাছে ছিল। কিন্তু তৃণমূল তা গ্রামের কোণে কোণে ছড়িয়ে দিল। আমরা এখন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারব। ইতিমধ্যেই অনেকে সরাসরি আমাকে ফোন করে তৃণমূল থেকে আমাদের দলে যোগদান করার জন্য আবেদন করেছে। তৃণমূলের তরফ থেকে সবাইকে আমার ফোন নম্বর বিতরণ করার জন্য ধন্যবাদ।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপি নেতাদের ফোন নম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দিলে বিজেপি বিপাকে পড়বে বলে শাসকদলের পক্ষ থেকে মনে করা হলেও তা আদতে বিজেপিরই সুবিধা হয়েছে বলে পাল্টা যুক্তি দিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ। আর দিলীপবাবুর এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!