এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সিঙ্গুরের চাষীরা কি করছেন না করছেন তার দায়িত্ব আর নিতে রাজি নন মমতা? বিস্মিত রাজনৈতিকমহল

সিঙ্গুরের চাষীরা কি করছেন না করছেন তার দায়িত্ব আর নিতে রাজি নন মমতা? বিস্মিত রাজনৈতিকমহল

তবে কি এতদিনে সিঙ্গুর নিয়ে ধৈর্যচ্যুতি ঘটল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? গতকাল বিধানসভায় বিরোধীদের সিঙ্গুর প্রশ্নে মেজাজ হারালেন তিনি।বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান রাজ্যসরকার সিঙ্গুরের চাষিদের সব রকম সাহায্য করেছে। কিন্তু তবুও কেন চাষের পরিমাণ কমেছে, আমি কী করে বলব ?

২০১১ তে এই রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পথে সিঙ্গুর আন্দোলন তাঁর সবচেয়ে বড় সহায়ক হয়ে উঠেছিল। ৮০% নির্মাণকাজ হয়ে যাওয়ার পর তাঁর আন্দলনের জেরেই টাটা সিঙ্গুর ছেড়ে চলে যায়। এরপর তৃণমূল ক্ষমতায় এসে দীর্ঘদিন টাটাদের বিরুদ্ধে মামলা লড়ে। শেষে সুপ্রীম কোর্ট থেকে কৃষকদের হাতে টাটার অধিগৃহীত জমি ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ পেয়ে রাজ্যসরকার বুলডোজার ও ডিনামাইট দিয়ে কনক্রিটের কারখানা ভেঙে ফেলে।

সিঙ্গুরের কৃষকদের স্বল্পমূল্যে চাল ও মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করেন মুখমন্ত্রী। কিন্তু ধীরে ধীরে কর্মসংস্থানের দাবি জোরালো হতে থাকে সিঙ্গুরে।তৃণমূল আমল না দিলেও ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে সিঙ্গুর থেকে ব্যাপক লিড পেয়ে যান বিজেপির লকেট চ্যাটার্জি। সিঙ্গুরের নির্বাচনের ফল দেখে বিস্মিত হন মুখ্যমন্ত্রী।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এইদিন বিধানসভায় সিপিএমের সুজন চক্রবর্তীর এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সিঙ্গুরের ৯৯৭ একর জমির মধ্যে মাত্র ২৬০ একর জমিতে চাষ হয়েছে। সার, বীজ ও অনুদান দেওয়ার পরেও সেখানে কৃষকরা চাষ করতে চাইছেন না। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, চাষিরা কেন চাষ করছেন না আমি কী করে বলব?

পাশাপাশি মুখমন্ত্রী দাবি করেন, মাটি পরীক্ষা করা, সার ও বীজ এই সব মিলিয়ে প্রত্যেক কৃষককে প্রায় ১০ হাজার টাকা করে সহযোগিতা করা হয়েছে।কিন্তু কেন তাঁরা চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে তা বলতে পারবো না. হতে পারে চাষের খরচ বেড়েছে। আবার শোনা যাচ্ছে কেউ কেউ কেউ বেশি দাম পেয়ে জমি বিক্রি করে দিচ্ছে। আমরা তো আর জোর করে চাষিদের বলতে পারি না যে চাষ কর।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!