এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > সিঙ্গুরে টাটাদের বিরুদ্ধে লড়েননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – জানিয়ে দিলেন ফিরহাদ হাকিম

সিঙ্গুরে টাটাদের বিরুদ্ধে লড়েননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – জানিয়ে দিলেন ফিরহাদ হাকিম

সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ফের রাজ্যবাসীর কাছে তৃণমূলের ভাবমূর্তি স্পষ্ট করার চেষ্টা করলেন ফিরহাদ হাকিম। বললেন,অনেকেরই মনে হয় সিঙ্গুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে লড়াইটা করলেন সেটা আসলে টাটার বিরুদ্ধে। কিন্তু ব্যাপারটা সেটা নয়। তিনি জমি দানে অনিচ্ছুক চাষীদের পক্ষেই সেসময় লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছিলেন। মানুষের গণতান্ত্রিক স্বার্থরক্ষার অধিকারের দাবীতে গর্জে উঠেছিলেন তিনি।

কৃষকদের জমি,তাঁদের চাষবাস,তাঁদের কর্মসংস্থানের উপায়কে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন তিনি। জোর করে ইচ্ছের বিরুদ্ধে মানুষের জমি কেড়ে নেওয়া গনতান্ত্রিক নিয়ম বিরুদ্ধ। আর সেজন্যেই লড়াই করেছিলেন এমনকি এই ইস্যুতে দিনের পর দিন অনশন ধর্মঘটেও বসেছিলেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর নেত্রী যে তখন সঠিক কাজই করেছিলেন সেটা ১০ বছর বাদে আদালতও স্বীকার করে নিয়েছে।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

গতকাল হাজরা মোড়ে আয়োজিত তৃণমূলের জনসভা থেকে এভাবেই দলনেত্রীর প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন কোলকাতা পুরসভার নয়া মেয়র। প্রসঙ্গত,লোকসভা ভোটকে টার্গেট করেই ১৯’এর ব্রিগেড সমাবেশের প্রস্তুতি নিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সভা করছে রাজ্যের শাসকদল। গতকাল হাজরা মোড়ে এরকমই একটি সভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে প্রধান বক্তার ভূমিকায় দেখা যায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মঞ্চে অভিষেকের আগেই বক্তব্য রাখেন ফিরহাদ হাকিম।

বক্তব্যের শুরু থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভূমিকায় দেখা যায় তৃণমূলের এই প্রথম সারির নেতাকে। ফেব্রুয়ারি মাসে মোদী-শাহের ব্রিগেড সভার প্রসঙ্গ তুলে বিজেপিকে তুলোধনা করেন ফিরহাদ। বলেন,তৃণমূল যদি চায় নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহকে এয়ারপোর্টেই আটকে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এরপর জনসভায় উপস্থিত দলীয় কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা করতে বলেন,হাজরা মোড়ে যত মানুষ আজ উপস্থিত রয়েছেন সবাই গিয়ে ওখানে দাঁড়ালে ওদের গাড়ির চাকা ঘুরবে না। কিন্তু তৃণমূল এরকম করবে না। কারণ তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে বিশ্বাসী। আর দলনেত্রী মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারে আস্থা রাখেন। পশ্চিমবঙ্গে যে গনতন্ত্র রয়েছে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দফায় দফায় বুঝিয়ে দিয়েছেন।

তাঁর এই বক্তব্য জোরালো করতে ফিরহাদ হাকিম তুলে ধরলেন বর্তমান সময়ের বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় এবং বিতর্কিত কবি শ্রীজাত-প্রসঙ্গ। ফিরহাদের দাবী,শ্রীজাত বহুবার রাজ্যসরকার বিরোধী কবিতা লিখলেও এ রাজ্যে তাঁর কবিতা পাঠ ব্যান্ড করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর জানালেন,বিজেপির মতো তৃণমূল এই রাজ্যে সাংসদদের আসা আটকায় না কখনোই।

এরপর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল চুরির প্রসঙ্গ তুলে সিবিআইকেও কটাক্ষ করলেন।বললেন, নোবেল চুরির মতো এতো দায়িত্বপূর্ণ তদন্তের কিনারা করতে পারেনি সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যে কতোটা অপদার্থ,তা আর নতুন করে প্রমাণ করার দরকার নেই। তাঁদের আভ্যন্তরীন ডামাডোম,তাঁদের কর্মকান্ডই জানিয়ে দিয়েছে সিবিআই দিয়ে এখন আর কোনো কাজ হয় না।

সিবিআই এখন শুধু কেন্দ্রের নেতাদের রাজনৈতিক ইস্যুর সমাধান করতেই ব্যস্ত এমনটাই দাবী করলেন তৃণমূলের এই শীর্ষ কর্তা। পাশাপাশি তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে আরো জানান,মানুষের অধিকারকে বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো কেউ এতো সম্মান দেয়নি।

এরকম একজন মানুষকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী হিসাবে পেয়ে তিনি গর্বিত বলেই জানালেন। সঙ্গে এটাও দাবী করলেন,”ইতিহাস আমাদের মনে রাখবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনে আমরা পাশে ছিলাম। এইটুকুই জীবনে পাওনা।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!