এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > এবার অপ্রতুল এসআই- সরকারি কাজকর্মে তীব্র প্রভাব, চিন্তায় শিক্ষাদপ্তর

এবার অপ্রতুল এসআই- সরকারি কাজকর্মে তীব্র প্রভাব, চিন্তায় শিক্ষাদপ্তর

শিক্ষাঙ্গন তো চলছে। কিন্তু সেই শিক্ষাঙ্গন ঠিকমত চলছে কিনা তা দেখবেন কারা? যারা দেখবেন তাদের পদই শূন্য। তাই এবার সেই এসআইদের ঘাটতিতে চরম বিপর্যস্ত আলিপুরদুয়ার জেলার প্রাথমিক স্কুলের সার্কেলগুলি। রুটিন ভিজিট তো দূর অস্ত, সার্কেল অফিসের কাজে পড়ছে এর তীব্র প্রভাব। কিন্তু ঠিক কতজন এসআইয়ের ঘাটতি রয়েছে?

জেলা শিক্ষাদপ্তর সূত্রের খবর, আলিপুরদুয়ার জেলার ছটি ব্লকে 12 টি সার্কেল রয়েছে। যার দ্বায়িত্বে রয়েছেন মোটে চারজন এসআই। জানা গেছে, আলিটুরদুয়ার 6 সার্কেলের এসআইকে কুমারগ্রাম (পূর্ব) এবং আলিপুরদুয়ার (পূর্ব) দ্বায়িত্ব সামলাতে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ার উত্তর সার্কেলের এসআই কুমারগ্রাম ও কামাখ্যাগুড়ি দেখছেন। মাদারিহাটে গিয়ে কাজ করতে হচ্ছে ফালাকাটা উত্তর সার্কেলের এসআইকে। আলিপুরদুয়ার পশ্চিম সার্কেলের পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার সদর সার্কেলটিও দেখতে হচ্ছে এক এসআইকে। আর এসআইদের এত চাপ কমাতে কালচিনি এবং আলিপুরদুয়ার দক্ষিনের সার্কেলের দ্বায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছেন জেলা বিদ্যালয় প্রাথমিক পরিদর্শকের দপ্তরের এসআই।

একাংশের অভিযোগ, এই এসআইদের ঘাটতির জেরে প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। স্কুলের বিভিন্ন কাজ নিয়ে এসেও এসআইদের দেখাই পাচ্ছেন না অধিকাংশ শিক্ষক শিক্ষিকারা। এমনকী বিদ্যালয়ে বাইখাতা থেকে পরিকাঠামোর বিষয়ে কোনো আলোচনাই করা সম্ভব হচ্ছে নাএই এসআইদের সাথে। এহেন অবস্থায় সকলের একটাই প্রশ্ন কবে মিটবে এই এসআইদের ঘাটতি? কবে স্বাভাবিক হবে এই পরিস্থিতি? এদিন সেই প্রসঙ্গে আলিপুরদুয়ারের প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক শ্যামলচন্দ্র রায় বলেন, “মোট আটজন এসআইয়ের ঘাটতি রয়েছে। আমরা রাজ্যকে চিঠি দিয়েছি। এরমধ্যেই এসআই নিয়োগের পরীক্ষা হবে। আশা করি তার পরে আর সমস্যা থাকবে না।” আর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের এসআই ঘাটতি মেটাতে এই কথা শুনে বুকভরা আশা নিয়ে বাঁচছেন জেলার শিক্ষক শিক্ষিকারা।

Top
error: Content is protected !!