এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মতুয়া সঙ্ঘাধিপতির বৈঠক দিলীপ ঘোষের সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

মতুয়া সঙ্ঘাধিপতির বৈঠক দিলীপ ঘোষের সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

অসমের জাতীয় নাগরিকপঞ্জী থেকে বাদ যাওয়া ৪০ লাখ বাঙালির মধ্যে নাম ছিল বেশ কিছু সংখ্যক মতুয়াদেরও। আর তাই নিয়ে বেজায় অসন্তুষ্ট ভারতীয় মতুয়াসংঘ। এই ইস্যুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই বিক্ষোভে আন্দোলনে সামিল হচ্ছে মতুয়াসংঘ। দফায় দফায় রাজ্যে চলছে রেল অবরোধ কর্মসূচি।

অন্যদিকে, এই সমস্যাটি নিয়েই এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা করলেন সর্ব ভারতীয় মতুয়া মহাসংঘের সভাপতি শান্তনু ঠাকুর। বিজেপি দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন তিনি এদিন এবং প্রকাশ্যে এটাও জানালেন বৃহস্পতিবার রেল অবরোধে মতুয়া সংগঠনের কোনো হাত ছিল না।

ওদিকে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, অসম ইস্যুতে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বরাই মতুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দুর্বল মুহূর্তে তাঁদের পাশে থেকে আসন্ন লোকসভা ভোটের জন্য জয়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, মতুয়াদের সমস্যাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে বলেই আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের পদ্মবাহিনীর সেনাপতি দিলীপ ঘোষ।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে, খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আবার বিধানসভায় সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন মতুয়া মহাসঙ্ঘের পাশে তৃণমূল কংগ্রেসে আছে। মতুয়াদের অধিকার ফেরাতে প্রয়োজন মতো লড়াই করার আশ্বাসও দেন তিনি। এরপরই মতুয়ারা রাজ্য জুড়ে রেল ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন, এমনকী জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কর্মসূচিও গ্রহন করেছিলেন তাঁরা।

আর এরপরই বিজেপি রাজ্য সভাপতির কাছে ছোটেন মতুয়া মহাসংঘের সভাপতি। এ ব্যাপারে তৃণমূল নেতৃত্ত্বের দাবী, মতুয়াদের পাশে রাজ্যের শাসকদলকে দাঁড়াতে দেখে সহ্য হচ্ছে না বিজেপির। তাই কৌশল করে তাঁদের দলে টানার পরিকল্পনা নাকি করছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতারা।

অন্যদিকে,তৃণমূলের ‘কালাদিবস’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি জানান, ”তৃণমূল নেতৃত্বকে অসমে কেউ ডাকেনি। তাহলে কেন তাঁরা গিয়েছিলেন। বুড়ি নজর তেরে মু মে কালা – এটা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি। তৃণমূল নিজেদেরই মুখ পুড়িয়েছে, তাই কালা দিবস পালন করছে। এ রাজ্যে জনসভা করতে হলে কোর্টে যেতে হয় – তাই তৃণমূলের কাছে গণতন্ত্র শিখব না”। দিলীপ ঘোষের পাশাপাশি দলের রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসুও দাবী করেন, পার্থবাবু সাড়ে বারো লক্ষ হিন্দুর যে তথ্য দিচ্ছেন, তা আসলে ভুল। আসলে তিনি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার ফিকির খুঁজছেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!