এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > শাসকদলের ছাত্র-যুব সংগঠন ভেঙে তছনছ করছেন শঙ্কুদেব পণ্ডা, আটকাতে আসরে স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী?

শাসকদলের ছাত্র-যুব সংগঠন ভেঙে তছনছ করছেন শঙ্কুদেব পণ্ডা, আটকাতে আসরে স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী?


আমরা আগেই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিলাম বিজেপিতে যোগ দিয়েই শাসকদলের ছাত্র-যুব সংগঠনের গেরুয়াকরণের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছিলেন বিজেপির তরুণ-তুর্কি শঙ্কুদেব পণ্ডা। আর নির্বাচনের ফল ঘোষণা হতেই তাঁর হাত ধরে শাসকদলের ছাত্র-যুব সংগঠনে রীতিমত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ শুরু করে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক কলেজে ঘাসফুলের পতাকাকে আটকে দিয়ে, সেখানে বইছে রীতিমত গেরুয়া ঝড়। জাউরা শিবিরের সদস্যরা কলেজে ঢুকে টাঙিয়ে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশাল বিশাল ফেস্টুন।

আর শুধু ছাত্র-রাজনীতিই নয়, শাসকদলের যুব সংগঠনও রীতিমত ঢোলে পড়েছে গেরুয়া শিবিরের দিকে। সৌজন্যে সেই শঙ্কুদেব পণ্ডা – যিনি একসময় নিজের হাতে দার্জিলিং থেকে দীঘা, সাজিয়েছিলেন তৃণমূল শিবিরের ছাত্র-যুব সংগঠন। কিন্তু, শাসকদলে তৃণমূল নেত্রীর এক আত্মীয়কে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে রাজনৈতিকভাবে তাঁর কেরিয়ার অস্তমিত করার ‘চক্রান্ত’ হয় বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুগামীদের তরফে অভিযোগ ওঠে। ফলে, রাজনৈতিক গুরু মুকুল রায়ের হাত ধরে তিনি পা রাখেন গেরুয়া শিবিরে। আর, গেরুয়া শিবিরে এসেই তিনি কার্যত প্রমান করে দিলেন – এখনও ছাত্র ও যুব রাজ্য-রাজনীতিতে তাঁর জনপ্রিয়তা অটুট।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

কেননা, শাসকদলের একাধিক যুব নেতা শুধুমাত্র তাঁকে দেখেই গেরুয়া শিবিরে আসতে চেয়ে যোগাযোগ করেছেন বলে সূত্রের খবর। সবথেকে বড় কথা – উত্তরবঙ্গ হোক বা দক্ষিণবঙ্গ বা খোদ কলকাতার বুকে – এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, শঙ্কুদেব পণ্ডা আগ বাড়িয়ে শাসকদলের যুব সংগঠনে ভাঙ্গন ধরাচ্ছেন না। বরং, শাসকদলের ওই যুবনেতারাই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে হাতে গেরুয়া পতাকা তুলে নিতে চাইছেন। আর তাই, কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়ের অত্যন্ত প্রিয় গেরুয়া শিবিরের এই তরুণ তুর্কি কার্যত একার হাতেই ছারখার করে দিচ্ছেন শাসকদলের ছাত্র ও যুব সংগঠন বলে সূত্রের খবর।

আর সেই ভাঙন এতটাই তীব্র যে এবার পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামছেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে গোপন সূত্রের খবর থেকে জানা যাচ্ছে। শঙ্কুদেবের একের পর এক ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে’ নাভিশ্বাস উঠে যাওয়া শাসকদলের ছাত্র সংগঠন ধরে রাখতে আপাতত সমস্ত মান-অভিমান ভুলে তৃণমূল নেত্রী নাকি টিএমসিপির প্রাক্তন রাজ্য সভানেত্রী হ্যা দত্তকে নির্দেশ দিয়েছেন বর্তমান টিএমসিপি রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করে সবাইকে নিয়ে জট শীঘ্র সম্ভব বসতে। অন্যদিকে, যুবর ভাঙন ঠেকাতে তৃণমূল নেত্রী স্বয়ং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আসরে নামতে বলেছেন বলেও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে। আর এসব সত্ত্বেও শঙ্কুদেবের আগ্রাসী চ্যালেঞ্জকে কতখানি ঠেকাতে পারেন তৃণমূল নেত্রী এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!