এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > BREAKING NEWS – ২১-০ জিতেও চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল? বড় ‘রহস্য’ ফাঁস করলেন শঙ্কুদেব

BREAKING NEWS – ২১-০ জিতেও চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল? বড় ‘রহস্য’ ফাঁস করলেন শঙ্কুদেব

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ – গতকাল সারাদিন ধরেই সংবাদ শিরোনামে ছিল টালিগঞ্জ ইন্ড্রাস্ট্রির ‘ইম্পা’ (ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন)-এর নির্বাচনে বিজেপিকে ধুয়েমুছে সাফ করে দিয়ে তৃণমূলের ২১-০ ফলাফলে জয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয় – এই নির্বাচনে বিজেপির ৩ টি সংগঠন ‘একত্রিত’ হয়ে ‘খোলা হাওয়ার’ ব্যানারে নির্বাচন লড়েও দাঁত ফোটাতে পারে নি! আর এই জয়ের সব ‘ক্রেডিট’ স্বাভাবিকভাবেই দেওয়া হয় রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে।

লোকসভা নির্বাচনের পরেই, টালিগঞ্জ ইন্ড্রাস্ট্রিকে তৃণমূলের ‘দখলমুক্ত’ করতে মরিয়া ছিল গেরুয়া শিবির। আর এই লক্ষ্যে তিন-তিনটি সংগঠন কাজ করছিল। একটির শীর্ষে ছিলেন রন্তিদেব-শঙ্কুদেব জুটি, আরেকটি সংগঠন তৈরী হয়েছিল দিলীপ-অগ্নিমিত্রার হাত ধরে এবং তৃতীয়টির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু। গতকালের প্রকাশিত খবর অনুযায়ী এই ৩ টি সংগঠন মিলেও হারাতে পারলেন না তৃণমূল প্রার্থীদের। টালিগঞ্জে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রমান করে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডার সঙ্গে প্রিয় বন্ধু বাংলার তরফ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রথম কথা – পূর্বের তিনটি সংগঠন মিলে বিজেপির যে নতুন ও একমাত্র সংগঠন তৈরী হল (খোলা হাওয়া) – তা বাবুলদা (কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়), স্বপনদা (বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রখ্যাত সাংবাদিক স্বপন দাসগুপ্ত) ও রন্তিদার (প্রখ্যাত সাংবাদিক ও লেখক রন্তিদেব সেনগুপ্ত) হাত ধরে আত্মপ্রকাশ করেছে গতকালই। তাহলে সেই সংগঠন কি করে নির্বাচনে লড়ল? এই তথ্যই সম্পূর্ণ ভুল!

এরপরেই কার্যত ‘বোমা’ ফাটিয়ে শঙ্কুদেব পণ্ডা প্রিয় বন্ধু বাংলাকে এক্সক্লুসিভলি জানান, এই ২১-০ জয়ের পিছনে আসল ‘রহস্য’ জানেন? এখানে যে ২১ আসনে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে বিজেপির তরফে কোনো প্রার্থীই দেওয়া হয় নি! বিজেপি মনোভাবাপন্ন একটি সংগঠন সেখানে প্রার্থী দিয়েছিল। কিন্তু, সেই সংগঠনের তরফে যে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল, নিজের প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস সেইসব নমিনেশন বাতিল করিয়ে দেন! কোনোদিন শুনেছেন একটি সংগঠনের ১৯ জনের মনোনয়ন একসাথে বাতিল হয়েছে?

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

শঙ্কুদেবের বক্তব্য, ফলে এই নিয়ে ওই সংগঠনের তরফে সিটি সিভিল কোর্টে একটি মামলা করা হলে – এই নির্বাচনের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। এরপর, তৃণমূলপন্থীদের হয়ে ১৭ জন আইনজীবী নিয়ে গিয়ে একদিনের জন্য সেই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়। আদালতে জানানো হয়, ‘ইম্পা’ নাকি কোম্পানি অ্যাক্টে আছে। আর তারপরেই, সেই একদিনের মধ্যেই তড়িঘড়ি মধ্যরাতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করিয়ে তৃণমূল-পন্থীদের এখানে ২১-০ জিতিয়ে নেওয়া হয়েছে! আর তারপরে প্রচার করা হচ্ছে বিজেপিকে ধুয়ে-মুছে নাকি সাফ করে দেওয়া হয়েছে!

বিস্ফোরকভাবে শঙ্কুদেব প্রশ্ন করেন, কিন্তু, কতজন ভোট দিয়েছেন এই নির্বাচনে? মাত্র ১৬৪ জন! আর ইম্পার মেম্বার কত? ৪,০০০ জন! এবার বুঝে নিন – তৃণমূল ‘ঝড়ে’ বিজেপির ‘খোলা হাওয়া’ কতখানি কুপোকাত হয়েছে! যে নির্বাচন নিয়ে মামলা চলছে, যার উপর আইনি স্থগিতাদেশ আছে, যেখানে বিজেপি অংশগ্রহণই করে নি – সেখানে নাকি তৃণমূলের কাছে হেরে গেল বিজেপি! আর যদি তৃণমূলের এতই দাপট – তাহলে নির্বাচন জিতে উঠেই অরূপ বিশ্বাস কেন মধ্যরাতে বিরোধী মনোভাবাপন্ন এক প্রযোজকের বাড়িতে ছুটলেন বৈঠক করতে?

শঙ্কুদেবের বক্তব্য, যদিও সেই বৈঠকে গিয়ে অরূপবাবুকে শুনতে হয়েছে, যেভাবে টালিগঞ্জ চলছিল, আর সেইভাবে চলবে না! আমরাও এই নির্বাচন নিয়ে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সেই বিজেপি মনোভাবাপন্ন সংগঠনকে আইনের সাহায্য নিতে বলেছি এবং প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার কথাও জানিয়েছি। এই ব্যাপারে বিজেপির তরফ থেকে সবরকমের আইনি সাহায্য ওই সংগঠনকে করা হবে। আমি এই নিয়ে ইম্পার সুপ্রিম অথরিটির কাছে মুম্বইতে গিয়েও জানাবো – কিভাবে অগণতান্ত্রিকভাবে, নির্বাচনের নামে এখানে প্রহসন হচ্ছে।

শঙ্কুদেব পান্ডা আরও জানান, শাসকদলের এই সব ‘অবিশ্বাস্য’ পদক্ষেপ বন্ধ করতেই তো ‘খোলা হাওয়া’ এসেছে। এবার শুধু দেখতে থাকুন – এইসব ‘অভিশপ্ত’ পদক্ষেপ থেকে কিভাবে টালিগঞ্জকে বের করে আনি। আসলে, গতকাল ‘খোলা হাওয়া’ আত্মপ্রকাশ করতেই টলে গেছে অরূপবাবুর ‘স্বঘোষিত টালিগঞ্জের সাম্রাজ্য’! আর তাই, মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে অগণতান্ত্রিকভাবে, নিয়ম না মেনে একটা নির্বাচনের নামে প্রহসন করে – বিজেপিকে হারিয়েছি করে ‘লাফাচ্ছেন’! এই সব ‘লাফানিই’ এবার একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হবে – সবে তো খেলা শুরু!

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!