এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > সারদায় টাকা নিয়েছিলেন বিজেপি মন্ত্রী, অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সারদায় টাকা নিয়েছিলেন বিজেপি মন্ত্রী, অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

এবারের লোকসভা ভোটে বাংলায় শাসক দল তৃণমূল বনাম বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে মূল ইস্যুই হয়ে উঠেছে দুর্নীতি। বাংলার প্রতি বাড়তি নজর দিয়ে বারে বারে বঙ্গ সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সারদার মতো আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা তুলে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলোধোনা করেছেন।

পাল্টা প্রধানমন্ত্রীর সাথেই দুর্নীতিমূলক ব্যক্তিরা ঘুরছেন বলে দাবি করে বিজেপিকে বিঁধেছেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দুই দলের দুই হেভিওয়েট নেতা নেত্রীর তরজা এমন আকার ধারণ করেছে যে অনেক ক্ষেত্রে তা ব্যক্তিগত আক্রমণের ঊর্ধ্বে উঠতে দেখা যাচ্ছে। আর বিজেপির নেতা নেত্রীরা যখন সারদাকাণ্ডে রাজ্যের শাসক দল এবং তার সর্বাধিনায়কা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করছেন, ঠিক তখনই এবার পাল্টা অসমের বিজেপি সরকারের অর্থমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার বিরুদ্ধে সেই সারদা কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ তুললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

সূত্রের খবর, এদিন দক্ষিণ 24 পরগনা বাসন্তীর জনসভা থেকে অসমের এই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “হিমন্ত বিশ্বশর্মা টাকা ছড়িয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। মথুরাপুরের প্রতিটি জায়গায় ঢুকছে। বাসন্তী, গোসাবায় আসছে। কলকাতার তাজবেঙ্গলে থাকছে। সুদীপ্ত সেন নিজের চিঠিতে লিখে বলেছে, ওকে তিন কোটি টাকা দিয়েছে। সিবিআই ওকে গ্রেপ্তার করতে পারছে না। তাজবেঙ্গলে রেখে দিয়েছে।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসমের বিজেপি সরকারের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বিরুদ্ধে সারদা কাণ্ডে অভিযোগ থাকার কথা বলার পেছনে অন্য এক কারণ রয়েছে। কেননা এই হিমন্ত বিশ্বশর্মার হাত ধরেই বিজেপি অসমে সরকার গড়েছে। আর অসমের পর বাংলায় পরিবর্তন আনার জন্য এবারে ভোটের আগে সেই বাংলায় হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে পাঠিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। ইতিমধ্যেই জয়ের লক্ষ্যে তিনি তার কাজও শুরু করে দিয়েছেন। আর তাই এবার ভোটের বাজারে সেই হিমন্ত বিশ্বশর্মা সারদা কাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ তুলে পাল্টা বিজেপিকে চাপে ফেলানোর চেষ্টা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

অন্যদিকে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বিজেপির পক্ষ থেকে দেওয়া এই টাকা যাতে কেউ না দেয়, তার জন্যও এদিন সকলকে সতর্ক করে তৃণমূল নেত্রী বলেন, “ওই টাকা পাপের টাকা। ওদের টাকা স্পর্শ করবেন না। ওতে পাপ মেশানো আছে। অনেক লোকের কান্না আছে। অনেক লোকের চোখের জল আছে। ওই টাকা নিলে গোল্লায় যাবেন।”

আর তৃণমূল নেত্রীর পক্ষ থেকে যখন হিমন্ত বিশ্বশর্মার বিরুদ্ধে সারদাকাণ্ডে যোগ এবং টাকা ছড়ানোর অভিযোগ তোলা হচ্ছে, ঠিক তখনই পাল্টা বিজেপির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, সারদাকাণ্ডে যদি সব থেকে বড় সুবিধাভোগী কেউ হয় তাহলে তার নাম তৃনমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কে চিটফান্ডে জড়িত, আর আদৌ কেউ জড়িত কিনা, তার কিছুটা হলেও প্রতিফলন ভোটবাক্সে পড়বে। আর তখনই প্রমাণ হয়ে যাবে কে প্রকৃত জনদরদি? তবে তা দেখবার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে আগামী 23 মে পর্যন্ত।

Top
error: Content is protected !!