এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > সব্যসাচীর জল্পনার মাঝেই আর এক হেভিওয়েট নেতার বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা ছড়াল, শোরগোল রাজ্যে

সব্যসাচীর জল্পনার মাঝেই আর এক হেভিওয়েট নেতার বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা ছড়াল, শোরগোল রাজ্যে

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের অনেক বিধায়ক, নেতা, কাউন্সিলররা গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে শুরু করেন। সম্প্রতি বিধাননগরের মেয়র তথা রাজারহাট নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচী দত্তের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা তৈরি হয়। আর এই ঘটনা নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতির অন্দরমহলের শোরগোল পড়েছে, ঠিক তখনই এবার উত্তরবঙ্গের এক হেভিওয়েট তৃণমূল বিধায়কের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা ছড়াল।

বস্তুত, এবারে উত্তরবঙ্গের তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। মালদহ জেলার দুটি আসন তৃণমূলের দখলে থাকার জন্য সেখানে দলীয় সংগঠনের দায়িত্ব শুভেন্দু অধিকারীর ওপর দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও উত্তর এবং দক্ষিণ মালদা- এই দুটি লোকসভা কেন্দ্র হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের।

দক্ষিণ মালদহে তৃণমূলের তরফে মোয়াজ্জেম হোসেনকে প্রার্থী করা হলে সেখানে তার জয়ের ব্যাপারে প্রথম থেকেই নিশ্চিত ছিল শাসক দল। কিন্তু এই দক্ষিণ মালদহ লোকসভার অন্তর্গত ইংরেজবাজার পৌরসভার ভোটের ফলাফলের তৃণমূলের ভরাডুবি হতবাক করে দিয়েছিল ঘাসফুল শিবিরকে।

এমনকি যেখানে ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক নিহার রঞ্জন ঘোষ নিজের ওয়ার্ডেও দলীয় প্রার্থীকে জেতাতে পারেননি। উল্টে এখানে 1500 ভোটে পিছিয়ে পড়ে তৃণমূল। আর এরপর থেকেই নীহার ঘোষের ভূমিকা নিয়ে দলের অন্দরে ব্যাপক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

অনেকেই অভিযোগ করেন, লোকসভা ভোটের পরবর্তীতে তলায় তলায় বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল বিধায়ক। আর এবার সেই অভিযোগেই কিছুটা সীলমোহর দিতে দেখা গেল সেই ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কথা তৃণমূল বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মালদা শহরের ফোয়ারা মোড়ে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর সেদিক দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎই সেখানে নেমে যান তৃনমূলের নীহাররঞ্জন ঘোষ। বিজেপির অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মালদহ জেলা বিজেপির সভাপতি গোবিন্দ মন্ডলের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ গল্প করতেও দেখা যায় তাঁকে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তীব্র বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে।

অনেকেই বলেন, এবার হয়ত জল্পনার অবসান ঘটতে চলেছে। তাহলে কি ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক নীহার রঞ্জন ঘোষ এবার বিজেপিতে নাম লেখাচ্ছেন! এদিন এই প্রসঙ্গে জেলা বিজেপির সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল বলেন, “কে কোন দলে যাবে জানি না। তবে আমি তো কখনও দল ছাড়ব না। এটা বাংলা তথা ভারতের মানুষ জানে।”

অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সঞ্জিত মিশ্র বলেন, “অনেকেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। আমার ব্যক্তিত্বের জন্য অনেকেই ভয়ে বলতে পারেনি। এখন আমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই কে কোথায় যোগদান করবে, তা আমি জানি না।” কিন্তু যাকে নিয়ে এত বিতর্ক, সেই তৃণমূল বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ কি বলছেন!

এদিন এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কলকাতা থেকে মালদা ফিরছিলাম। রাস্তাতে ফোয়ারা মোড়ে শ্যামাপ্রসাদের অনুষ্ঠান চলছিল। তাই চলে এলাম। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই।” তবে নীহারবাবু যাই বলুন না কেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে সম্মান জানানোর জন্য তো অন্য অনুষ্ঠানও তৃণমূলের পক্ষ থেকে আয়োজন করা যেত। কিন্তু তা না করে এইভাবে প্রবল বিরোধীদলের অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি কিন্তু অন্য কথা বলছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!