এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বনধ সমর্থন করায় শাসকদলের ইউনিয়ন কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়া থেকে আটকাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠল

বনধ সমর্থন করায় শাসকদলের ইউনিয়ন কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়া থেকে আটকাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠল

কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সারা দেশের পাশাপাশি এরাজ্যেও গত 8 এবং 9 তারিখে এক সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বামেদের ডাকা সেই সাধারণ ধর্মঘটকে ব্যর্থ করার জন্য সক্রিয় ছিল রাজ্য প্রশাসন। স্কুল, কলেজ সচল রাখার পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থা এবং কলকারখানাকেও সচল রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল।

কিন্তু এবারে সেই বনধে শামিল হওয়া কর্মীদেরই কারখানায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলের শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, কলকাতা পৌরসভার 2 নম্বর ওয়ার্ডের সিঁথি এলাকায় অ্যালবার্ট ডেভিট নামে এক কারখানার 80 জন কর্মীর মধ্যে প্রায় 34 জন কর্মীই এই ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন।

আর দুদিনের ধর্মঘট সেরে বৃহস্পতিবার যখন একটি কারখানায় কাজে যোগ দিতে এসেছিলেন তারা, ঠিক তখনই কারখানার গেটে ঢুকতে তাদের বাধা দেয় শাসকদলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির সদস্যরা। যা নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয় তুমুল উত্তেজনা। অভিযোগ, বনধে শামিল হওয়া কর্মচারীরা যখন বৃহস্পতিবার কারখানার গেটে ঢুকতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই সেই গেটের দলবল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ওই এলাকার তৃণমূল নেতা সৃজন বসু।

হাতের মুঠোয় আরও সহজে প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে যোগ দিন –

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এমনকি শাসকদলের শ্রমিক সংগঠনের বেশ কয়েকজন কর্মী ও বহিরাগত নেতারাও সেখানে ছিলেন। এদিন এই প্রসঙ্গে শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুর চড়িয়ে এই কারখানার সিটু সমর্থক তরুণ নামে এক কর্মী বলেন, “আমরা সারে ন টায় কারখানায় পৌঁছে গেলেও দেখি গেটের সামনে তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মী দাঁড়িয়ে আছেন। স্বাভাবিকভাবেই আমরা কারখানায় ঢুকতে গেলে তাঁরা আচমকাই আমাদের বাধা দেন।”

তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে নিয়েছেন তৃণমূল নেতা সৃজন বসু। এদিন তিনি বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে ওরা এলাকায় ধর্মঘটের নামে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে। এদিন আমরা কারখানার গেটের সামনে এমনিই দাঁড়িয়ে ছিলাম। কাউকে বাধা দেওয়া হয়নি। ধর্মঘটে যোগ দেওয়া ঠিক হয়নি তা বুঝেই ওঁরা চলে গিয়েছে।”

সব মিলিয়ে এবার দুদিনের বনধে শামিল হয়ে তৃতীয় দিন কাজে এসেও শাসক দলের কর্মী-সমর্থকদের বাধার মুখে পড়তে হলো বনধ সমর্থনকারীদের।

Top
error: Content is protected !!