এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > শাসকদলের বিরুদ্ধে সরকারি দপ্তরে ঢুকে মারধর ও তোলাবাজির অভিযোগ উঠতেই পাল্টা দুর্নীতির অভিযোগ

শাসকদলের বিরুদ্ধে সরকারি দপ্তরে ঢুকে মারধর ও তোলাবাজির অভিযোগ উঠতেই পাল্টা দুর্নীতির অভিযোগ

বিভিন্ন জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়ে সরকারি কর্মচারীদের ওপর শাসক দলের কর্মীদের চোখ রাঙানি যে বরদাস্ত করা হবে না তা বারে বারে স্পষ্ট করে দিয়ে রাজধর্ম পালনের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কে কার কথা শোনে! কিন্তু এবার সেই শাসকদলের ইউনিয়নের নেতাদের দ্বারাই উঠল বারুইপুর মহকুমা সেচ দপ্তরের অফিসার বাস্তুকারকে মারধর এবং এসডিও ইরিগেশনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ।

আর যে ঘটনা নিয়ে এখন তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। কিন্তু ঠিক কি কারনে এই গন্ডগোল? জানা যায়, বারুইপুর মহকুমা সেচ বিভাগের অফিসের এক তলায় বসেন এসডিও ইরিগেশন জয়দেব হালদার এবং দ্বিতীয় তলায় বসেন মগরাহাট আউটফলের জুনিয়র বাস্তুকার মৃণাল হালদার। এক সময় এই অফিসটি বাম নিয়ন্ত্রিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির দখলে থাকলেও এখন তা তৃণমূলের হাতে চলে এসেছে।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এইখানেই একাংশের অভিযোগ যে, 15 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা শাসক দলের ইউনিয়ন নেতা বিভাস সর্দারের ইন্ধনেই এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, বিভাস সর্দার এবং তাঁর অনুগত একাংশ ঠিকাদার সমস্ত কাজ নিজেদের দিতে হবে বলে অফিসারদের কাছে প্রবল চাপ সৃষ্টি করে। এমনকি কাজ দেওয়ার ব্যাপারে আপত্তি জানানোর জন্য গত বুধবার নাকি সেই জুনিয়র বাস্তুকার মৃনাল হালদারের উপর চড়াও হন তাঁরা। কিন্তু এইভাবে সামান্য কাজ না দেওয়ার জন্য কোনো অফিসারের উপর চড়াও হওয়া যায় কি?

এদিন এই প্রসঙ্গে তৃণমূল ঠিকাদার ইউনিয়নের নেতা তথা কাউন্সিলের বিভাস সর্দার বলেন, “কাউকে মারধর করা হয়নি। এই অফিসের অধিকাংশ স্থায়ী কর্মী কোন অর্ডিনেশন ভুক্ত। ইউনিয়নভুক্ত ঠিকাদাররা কাজ করলেও বিল পেতে কালঘাম ছোটে। এইসব অফিসারদেরও টাকা দিতে হয়। তা নিয়েই অনেকের মধ্যে ছিল। এক ঠিকাদারের বিল পাস করিয়ে মৃণাল বাবু 2 লক্ষ টাকা নিয়েছিল। তাই তারা সেই টাকা ফেরত চেয়েছে।”

যদিও বা অফিসারদের তরফে সেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এদিন এই ব্যাপারে বারুইপুরের এসডিও ইরিগেশন জয়দীপ হালদার বলেন, “আসল ঘটনা ধামাচাপা দিতেই দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে। তদন্ত হলেই সব বেরিয়ে আসবে।” সব মিলিয়ে এবার শাসকদলের বিরুদ্ধে সরকারি দপ্তরে ঢুকে মারধর ও তোলাবাজির অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!