এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > খোদ তৃণমূল নেত্রীর গড়েই ভাঙ্গন, প্রবল চাপে শাসকদল, চাঞ্চল্য রাজ্যে

খোদ তৃণমূল নেত্রীর গড়েই ভাঙ্গন, প্রবল চাপে শাসকদল, চাঞ্চল্য রাজ্যে

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টার্গেট পূরণ হয়নি। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 42 এ 42 এর স্লোগান দিলেও বাস্তবে 22 টি আসন দখল করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে শাসকদলকে। অন্যদিকে এবার বিজেপির দখলে এসেছে 18 টি আসন। আর রাজ্যে গেরুয়া শিবিরের এই অভূতপূর্ব উত্থানের পরই দিকে দিকে শাসকদলের নেতা, বিধায়ক, কাউন্সিলররা বিজেপিতে নাম লেখাতে শুরু করেন। যা নিয়ে প্রবল অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল।

আর এবার তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির সভানেত্রী দোলা সেনের গড়েই তৃনমূলের শ্রমিক সংগঠন ছেড়ে প্রচুর কর্মী সমর্থক যোগ দিলেন বিজেপির শ্রমিক সংগঠনে। সূত্রের খবর, শনিবার নিতুড়িয়া ব্লকের সড়বড়ি কমিউনিটি হলে আইএনটিটিইউসির জেলার পদাধিকারীদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন দোলা সেন।

এদিকে এদিনই সেই নিতুড়িয়া ব্লকে যোগদান দিবস নামে পাল্টা বিজেপি প্রভাবিত শ্রমিক সংগঠন বিজেএমটিইউয়ের পক্ষ থেকে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর বিজেপির এই অনুষ্ঠানেই প্রায় শতাধিক তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা বিজেপিতে যোগদান করেন।আর যখন তৃণমূলের আইএনটিটিইউসির সভানেত্রী দোলা সেন দলের সংগঠনকে চাঙ্গা করার জন্য জেলায় বৈঠক করছেন, ঠিক তখনই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরাও সেই দোলাদেবীর অস্বস্থি বাড়িয়ে বিজেপিতে যোগদান করায় এখন প্রবল চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি কাজলকৃষ্ণ সিংহ বলেন, “আমাদের যোগদান দিবসের সভায় নিতুড়িয়ার একটি স্পঞ্জ আয়রন কারখানার তৃণমূলের প্রায় 50 জন সদস্য ও হুড়ার তৃণমূলের প্রগ্রেসিভ ট্যাক্সি মেন্স ইউনিয়নের 50 জন সদস্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।” কিন্তু কেন তারা হঠাৎ তৃনমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন!

এদিন এই প্রসঙ্গে দলবদলকারী ভগিরথ বাউল মানিক দাসরা বলেন, “তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতারা শ্রমিকদের স্বার্থ দেখার বদলে নিজেদের স্বার্থ দেখতেই বেশি আগ্রহী হয়ে পড়েছিলেন। তাই শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান করতেই আমরা বিজেপির শ্রমিক সংগঠনে যোগ দিয়েছি।” তবে দলবদলের এই যুক্তিকে মানতে নারাজ শাসকদল।

এদিন এই প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলা আইএনটিটিইউসির সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় পরামানিক বলেন, “আমাদের সংগঠন থেকে যারা বিজেপি প্রভাবিত সংগঠনে যোগ দিয়েছে বলে দাবি করছে, তাদের অনেককেই সংগঠনবিরোধী কাজের জন্য আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে।” তবে তৃণমূল যাই বলুক না কেন, বিজেপি শাসক দলের এই দাবি মানতে নারাজ।

সব মিলিয়ে এবার ঘাসফুল শিবিরের অস্বস্তিকে আরও দ্বিগুণ ভাবে বাড়িয়ে দিয়ে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনে ধ্বস নামিয়ে প্রচুর কর্মী সমর্থক যোগ দিল বিজেপির শ্রমিক সংগঠনে।

Top
error: Content is protected !!