এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > সাইড না দেওয়ার অপরাধে শাসকদলের উপপ্রধানের হাতে বেদম প্রহৃত বাস ড্রাইভার

সাইড না দেওয়ার অপরাধে শাসকদলের উপপ্রধানের হাতে বেদম প্রহৃত বাস ড্রাইভার

যানজটের দরূন সাইড দিতে কিছুটা দেরি হয়েছিল। আর তার জেরেই শাসকের রোষের মুখে পড়তে হলো এক নিরীহ বাস ড্রাইভারকে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভাঙ্গড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ সোনারপুর- ঘটকপুর রুটের এসডি ৩ এই বাসটির ওপরই বেশি নির্ভরশীল।

এদিন সেই যাত্রী বোঝাই বাসটি বেলা দুটোর সময় সুন্দিয়ার কাছে পৌঁছতেই পেছন থেকে একটি চার চাকার গাড়ি প্রবল জোরে হর্ন বাজাতে শুরু করে। কিন্তু জায়গা কম থাকার জন্য সেই বাসের চালক রফিক আলী সরদার পেছনের চার চাকার গাড়িটিকে হাত বাড়িয়ে থামার ইশারা করলেও তারা কোনো কথা শোনেননি। এদিকে সুন্দিয়ার কাছে কিছুটা থামলেই সেই পেছনের চার চাকার গাড়ি থেকে চার জন ব্যক্তি নেমে এসে সেই বাসচালকের ওপর আচমকাই হামলা চালায়।

তবে শুধু বাসচালক নয়, হামলা চালানো হয় বাসের কন্ডাকটারের অপরও। অভিযোগ এই হামলার ঘটনায় জড়িত ছিল চন্দননেশ্বর ২ এর উপপ্রধান আলাউদ্দিন মোল্লা এবং তার অনুগামীরা। এদিকে বাস চালক ও কন্ডাক্টরদের ওপর এহেন হামলার অভিযোগে সেই শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুনদিয়া মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে বাস ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। আরি অবরোধের জেরে এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, ঘটনায় মূল অভিযুক্ত উপপ্রধান ও তার লোকজনকে গ্রেপ্তার করতে হবে। নাহলে তারা এই অবরোধ কোনোমতেই তুলবে না। তবে শেষমেশ পুলিশের আশ্বাসে সেই পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। কিন্তু শাসকের হাতে ক্ষমতা থাকলেই কি এইভাবে আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তা পার হওয়া যায়? তীব্র যানজটের কারণে যদি কোন বাস চালক গাড়ি থামাতে বাধ্য হন এবং যাত্রী নামান তাহলে কেন শাসকদলের নেতারা সেই বাসচালকের উপর আক্রমণ করবেন?

এদিন এই প্রসঙ্গে সেই চন্দনেশ্বর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আলাউদ্দিন মোল্লা বলেন, “আমি কারো গায়ে হাত দিইনি। বাসচালক খুব খারাপ ভাবে গাড়ি চালাচ্ছিল। স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওনাকে মেরেছে। আমার নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।” তবে আলাউদ্দিন মোল্লা যাই বলুক না কেন এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এসডি 3 রুটের বাস মালিক সংগঠনের সম্পাদক ওমর আলি সর্দার।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

পুরো ঘটনার সমাধান চেয়ে পুলিশের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তবে দলের উপ-প্রধানের এহেন কুকীর্তিতে এখন বড়ই অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দলের শ্রমিক সংগঠনও। সব মিলিয়ে সাইড না দেওয়ার অপরাধে এবার শাসক দলের নেতার হাতে মার খেতে হল বাসচালককে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!