এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বঙ্গে পঞ্চায়েত রঙ্গ: কে পাবেন শাসকদলের প্রতীক ফয়সালা হচ্ছে থানায়!

বঙ্গে পঞ্চায়েত রঙ্গ: কে পাবেন শাসকদলের প্রতীক ফয়সালা হচ্ছে থানায়!

শনিবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে প্রতীকের নথি (বি ফর্ম) ভর্তি ব্যাগ এক নেতার কাছ থেকে ছিনতাই এর অভিযোগ উঠলো আরেক নেতার বিরুদ্ধে। এই দুই নেতার মধ্যে কার অনুগামীরা দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবে সেই নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবৎ বিবাদ চলছিলো।এদিন তার জেরেই হাতাহাতি করে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটলো। অভিযোগ উঠেছে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার সময় ওই নেতাকে মারধরও করা হয়। আক্রান্ত নেতা এখন হাসপাতালে ভর্তি। তিনি অভিযোগ করে জানালেন, থানার মধ্যেই পুরো ঘটনাটি ঘটেছে ।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

পুলিশ যদিও তা মানতে অস্বীকার করেছে। দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মিহির চন্দের সঙ্গে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সূর্যকান্ত অট্টের বহুদিনেরই বিরোধীতার সম্পর্ক। তার প্রভাব পড়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আসন বন্টনের ক্ষেত্রেও। ব্লকের বাখরাবাদ, হেমচন্দ্র ও বেলদা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে কিছু আসন নিয়ে সমঝোতা হলেও বহু ক্ষেত্রেই গোঁজ প্রার্থী থেকে গিয়েছিল। মিহিরবাবু এদিন দাবি করলেন, তাঁকে বেলদা থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিলো আসন বন্টন সংক্রান্ত সমস্যার নিস্পত্তির জন্যে। সেখানেই বাকযুদ্ধ শুরু হয় সূর্য অট্টের সাথে তাঁর। এইসময় তাঁর হাত থেকে প্রতীকের নথি ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করা হয় বলে অভিযোগ । ধাক্কাধাক্কি এবং শারীরিক নিগ্রহের ফলে মিহিরবাবু পড়ে যান । এই বিষয়ে অভিযোগের সুরে মিহিরবাবু জানালেন, ”দু’টি গ্রাম পঞ্চায়েতের টিকিট বণ্টন নিয়ে সমস্যা ছিল। বেলদা থানার আধিকারিক থানায় ডেকে পাঠান। সেখানে সূর্য অট্টকেও ডাকা হয়। সূর্য অট্টের অনুগামীরা আমাকে মারধর করে দলীয় প্রতীক কেড়ে নেয়। খড়গপুর গ্রামীণ থানার আধিকারিক বিশ্বরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় ও বেলদা থানার আধিকারিক অমিত মুখোপাধ্যায়ের সামনেই মারধর করা হয়েছে।” এই ঘটনায় গুরুতর আহত মিহিরবাবুকে প্রথমে বেলদা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে তাঁকে মেদিনীপুর মেডিক্যালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এদিনের ঘটনার বিষয়ে মিহির বাবু কোনো অভিযোগ করেছেন করেছেন কীনা জানতে চাওয়া হলে মিহিল বাবু সাফ জানালেন, ”আগে সুস্থ হই। পরে অভিযোগ করব।” অন্যদিকে সূর্যবাবু মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বললেন, ”আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক যে দ্বন্দ্ব ছিল তা পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেকটা মিটিয়ে নিয়েছি। মারধরের কোনও প্রশ্নই ওঠে না।” এখন প্রশ্ন উঠেছে থানার মধ্যে শাসক দলের বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা নিয়ে। এ প্রসঙ্গে খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী বললেন, ”সরকারি ভাবে থানায় কোনও বৈঠক ছিল না। তবে নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে থানায় অনেকসময় অনেককে ডাকা হয়।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!