এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রোজভ্যালি কাণ্ডে ফের সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি,

রোজভ্যালি কাণ্ডে ফের সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি,



 

ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এবার রোজভ্যালির স্বর্ণবিপনি সংস্থার লুকোনো নথির খোঁজ পেতে গৌতম কুন্ডু সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দেখা গেল কেন্দ্রের এই তদন্তকারী সংস্থাকে। বস্তুত, রাজ্যের চিটফান্ড কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসতেই রোজভ্যালির গচ্ছিত টাকার বিরাট অংশ সরিয়ে ফেলা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল।

শুধু তাই নয়, এই বিপুল অঙ্কের টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে নিয়ে গিয়ে তার মাধ্যমে সোনা কিনে দেশে নিয়ে আসা হয়েছে বলেও জানা যায়। আর এর পরেই তার তদন্ত করা শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে এই ব্যাপারে ইডি এবং সিবিআই তদন্ত করলেও এর মাঝখানে বেশ কিছু ত্রুটি সামনে আসতে শুরু করে।

একাংশ দাবি জানাতে থাকেন, রোজভ্যালির গৌতম কুন্ডুর স্ত্রী শুভ্রা কুন্ডুর সাথে রোজভ্যালি কাণ্ডের প্রাক্তন তদন্তকারী অফিসার মনোজ কুমারের ভালো সম্পর্ক থাকার কারণেই সেই শুভ্রাদেবীকে তদন্ত থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তবে এবার এক্ষেত্রে কোনো রাখঢাক না করেই বিষয়টি নিয়ে পৃথকভাবে তদন্ত করতে শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গেছে, এদিন এই তদন্ত করার জন্য ইডির একটি টিম যাদবপুর এলাকায় একটি অভিজাত আবাসনে হান দেন।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

জানা যায়, এখানেই থাকেন গৌতম কুন্ডুর স্ত্রী শুভ্রা কুন্ডু। তবে এদিন তদন্তকারীরা সেই আবাসনে যাওয়ার সময় সেখানে ছিলেন না শুভ্রাদেবী। পরিচারিকার কথা অনুযায়ী জানা যায়, শুভ্রা কুন্ডু কলকাতার বাইরে রয়েছেন। আর এরপরই শুভ্রা দেবীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বস্তুত, এর আগে এই গৌতম কুন্ডুর স্ত্রীকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু তখনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ডাকে সেখানে উপস্থিত হননি শুভ্রা কুন্ডু। তবে এবার এই ব্যাপারে নিজেদের সক্রিয়তা দেখাতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

অতীতের তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকার জন্য তিনি ছাড় পেয়ে গেলেও এবার যে তিনি আর ছাড় পাবেন না, তা কেন্দ্রের তদন্তকারী সংস্থার অতি সক্রিয়তাতেই প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে বলে মত বিশ্লেষকদের। সব মিলিয়ে আমানতকারীদের টাকা ঘুরপথে বাইরে নিয়ে এসে তা সোনায় রূপান্তরিত করায় রীতিমতো তাজ্জব বনে গেছেন তদন্তকারীরা। এখন গোটা রহস্য উন্মোচনে এবং গৌতম কুন্ডুর স্ত্রীকে জেরা করে তারা কতটা সাফল্য পায়, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!