এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > রায়গঞ্জে দীপা দাশমুন্সিকে প্রার্থী হিসেবে না পেলে বড়সড় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে কংগ্রেসের নিচুতলায়

রায়গঞ্জে দীপা দাশমুন্সিকে প্রার্থী হিসেবে না পেলে বড়সড় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে কংগ্রেসের নিচুতলায়

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে বাম এবং কংগ্রেস হাতে হাত ধরে প্রথম থেকে লড়ার কথা বললেও একদা কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদে কে প্রার্থী দেবে তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র জটিলতা তৈরি হয়। বামেদের দাবি ছিল, বিগত 2014 সালের লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ আসনে তারাই জিতেছে। ফলে জোটের শর্ত অনুযায়ী, এই লোকসভা দুটিতে তারাই প্রার্থী দেবে।

সেইমত রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদের প্রার্থী ঘোষনা করে দিয়েছে বামেরা। এদিকে এখানে এবার কংগ্রেস প্রার্থী দিলে অনেক লাভবান হওয়া যেত বলে মনে করেছিলেন কংগ্রেস কর্মীরা। তবে কংগ্রেস হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে শক্তঘাঁটি হিসেবে পরিচিত প্রয়াত প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির রায়গঞ্জকে প্রার্থী দেওয়ার জন্য সেই আসন নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে। অন্যদিকে বামেদের তরফ সেই মহম্মদ সেলিম প্রার্থী হলে তারা সিপিএমের হয়ে ভোট চাইতে পারবেন না বলে কদিন আগে জানিয়ে দিয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত।

এমনকি উত্তর দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন জায়গায় রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে দীপা দাশমুন্সির নামে দেওয়াল লিখনও করতে দেখা যায় কংগ্রেসের একাংশকে। ফলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে আদৌ রায়গঞ্জ আসনে বাম কংগ্রেস জোট হবে? নাকি জোট বিনা নিজেদের মতো করে বাম এবং কংগ্রেস নিজেদের দল থেকে ভিন্ন ভিন্ন প্রার্থী দেবে তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো কিছুই বুঝতে পারছে না জেলার কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

তবে জোট প্রার্থী হিসেবে হাইকমান্ডের তরফে এই রায়গঞ্জ লোকসভা আসনটি যদি সিপিএমকে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে সিপিএমের হয়ে তারা যে ভোটে নামবে না সেই কথা কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার কংগ্রেস নেতারা। এদিন এই প্রসঙ্গে ইসলামপুর ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি মুজাফ্ফর হোসেন বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি না বামেদের সাথে আমাদের জোট হচ্ছে কিনা। প্রদেশের তরফে এই ব্যাপারে কোনো স্পষ্ট বার্তা আসেনি। ফলে কর্মীরা ধরেই নিয়েছে যে, দীপা দাশমুন্সি এখানে প্রার্থী হচ্ছে। তাই তার সমর্থনে কয়েকটি দেওয়াল লেখাও হয়ে গিয়েছে।”

অন্যদিকে চাকুলিয়া ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি মহম্মদ মোস্তাফা বলেন, “এখনও দলের প্রার্থী ঘোষণা না হওয়ায় হতাশা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উচিত কংগ্রেস কর্মীদের লড়াই-সংগ্রাম, আবেগের মর্যাদা দেওয়া। জেলায় আমরা দীপা দাশমুন্সিকেই প্রার্থী হিসেবে চাইছি।” অন্যদিকে প্রার্থী নিয়ে প্রদেশের আলোচনা চলছে। তাই এখনই এই ব্যাপারে কিছু বলব না বলে এদিন জানান প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

তবে যে যাই বলুন না কেন, রায়গঞ্জ লোকসভা আসনটিতে যদি দীপা দাশমুন্সিকে প্রার্থী না করে জুট প্রার্থী হিসেবে এখানে বামেদের তরফে কাউকে মেনে নিতে হয় তাহলে সেক্ষেত্রে নিচুতলার কংগ্রেস কর্মীদের ক্ষোভ যে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করবে সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

Top
error: Content is protected !!