এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের ঘর বেদখল করে পার্টি অফিস, আদালতের নির্দেশে বড় ধাক্কা শাসকদলের

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের ঘর বেদখল করে পার্টি অফিস, আদালতের নির্দেশে বড় ধাক্কা শাসকদলের

কথায় আছে, “কর্তায় মারে হাস, আর গুষ্টিশুদ্ধু খায় মাস।” ঠিক এইরকমই অবস্থা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কালিপদ সামন্তের। নিজের বাড়ি থাকা সত্তেও এবার সেই বাড়িতে গজিয়ে উঠেছে শাসকদলের অফিস। আর যা নিয়ে এখন আদালতে চলছে জোর টক্কর।

সূত্রের খবর, কাঁথির এক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন এই কালিপদ সামন্ত। পাঁশকুড়াতে বাড়ি হলেও চাকরির জন্যে তাঁকে সেই বিদ্যালয়ের কাছেই থাকতে হত। কিন্তু বাড়িটি তো রয়েছে। তাই সেই বাড়ি দেখভালের জন্য ভাইকে দ্বায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু 2017 তে যখন তিনি শিক্ষকতা থেকে অবসর নিয়ে বাড়ি ফেরেন তখন দেখতে পান যে তাঁর ঘরে এখন তৃনমূলের অফিস হয়েছে। আর এরপরেই নিজের ঘরের এইরুপ অবস্থা দেখে সেই বছরেই আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন সেই কালিপদ সামন্তরের আইনজীবি শৈবাল আচার্য।

জানা যায়, এই অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে আদালতও। 2017 র 21 সেপ্টেম্বর এই ব্যাপারে পুলিশকে একটি রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। কি ছিল সেই রিপোর্টে? সূত্রের খবর, আদালতকে দেওয়া সেই রিপোর্টে পুলিশ দাবি করে যে, কালিপদ সামন্তরা তিন ভাই। তাঁর মধ্যে এক ভাই দুর্গাপদকে এই বাড়িটি দেখাশোনার দ্বায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেটি দুর্গাপদ তাঁর ছেলে বাপির পড়াশোনার জন্যই এখন তা ব্যাবহার করে। আর সেই বাপির জন্যই সেখানে শাসকদলের অফিস হয়েছে। এদিকে এই রিপোর্ট দেখার পরই উক্ত মামলায়  যেন কালিপদ সামন্তের ভাইপো বাপিকেও যুক্ত করা হয় সেই ব্যাপারে চলতি বছরের 13 জুন পুলিশকে একটি নির্দেশ দেয় আদালত।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

আর এরপরেই নতুন একটি রিপোর্ট পেশ করে পুলিশ দাবি করে, সেখানে কোনোও রাজনৈতিক দলের অফিস নেই। বাপি ছেলেমেয়দের পড়াশোনার জন্য একটি স্টাডি সেন্টার চালায়। এদিখে বারবার নিজেদের মন্তব্য বদলানোয় কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা পুলিশের বিরুদ্ধে প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি এদিন তিনি বলেন, “মামলাকারী কালিপদ সামন্ত যাতে চার সপ্তাহের মধ্যে নিজের বাড়িতে বসবাস করতে পারেন তার দ্বায়িত্ব পুলিশকে নতে হবে।”আর এখন কোর্টের এই নির্দেশে পুলিশ ঠিক কী করে আর কালিপদ বাবুই বা তাঁর মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পান কি না সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!