এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > চাকরি > অবসরপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর – কর্মজীবনের শেষেও ডাক পেতে চলেছেন সরকারি কাজে

অবসরপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর – কর্মজীবনের শেষেও ডাক পেতে চলেছেন সরকারি কাজে

একদিকে বেকারদের চাকরি নেই রাজ্যে। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের জন্য কাজের ব্যবস্থা করছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। প্রায় ১২০০ অবসরপ্রাপ্ত কর্মীকে চুক্তিতে নিয়োগ করতে চলেছে খাদ্যদপ্তর। বেতনও মিলবে ভালোই।
সম্প্রতি ধানের সংগ্রহ মূল্য একলাফে প্রতি কুইন্টালে ২০০ টাকা করে বেড়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে সরকারের কাছে ধান বিক্রির চাহিদা বেড়েছে। তাই কৃষকদের থেকে ধান কেনার প্রক্রিয়া চালানোর জন্য মানবশক্তির প্রয়োজন। সেই জন্যই হতে চলেছে এই বিপুল নিয়োগ। খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, এক বছরের চুক্তিতে অবসরপ্রাপ্ত খাদ্যদপ্তর বা বিডিও অফিসে কর্মীদের নিয়োগ করা হবে। নিয়োগ হবে বাড়ির কাছাকাছি এলাকায় মাসিক আন্দাজ ২০-২৫ হাজার টাকা বেতনে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এই নিয়ে ইতিমধ্যে খাদ্য, সমবায় ও কৃষি দপ্তরের শীর্ষকর্তারা দুই দফায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন। নেওয়া হয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। আগামী খরিফ মরশুমে রাজ্য সরকারের ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা কী হবে, সেব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জন্য মন্ত্রিসভার খাদ্য সংক্রান্ত কমিটি বৈঠকে বসবে। ওই বৈঠকের দিন এখনও স্থির হয়নি। চলতি মরশুমে রাজ্য সরকার ৫২ লক্ষ টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছিল। কিন্তু পরবর্তী কালে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ধান কেনার পরিমাণ অনেকটা কমিয়ে দেওয়া হয়। বেশি ধান কেনা হলে তার থেকে উৎপাদিত চাল বেশি সময় মজুত করে রাখতে হত। এতে চালের গুণগত মান খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তার উপর কেন্দ্রীয় সরকার আগামী মরশুমের জন্য দাম বেশি হারে বৃদ্ধি করায় চলতি মরশুমে সরকারের কাছে ধান বিক্রি অনেক কমে গিয়েছে। প্রতিদিনের বিক্রি ১৫-২০ হাজার কুইন্টাল থেকে এক ধাক্কায় চার-পাঁচ হাজারে নেমে এসেছে। চলতি মরশুমে ইতিমধ্যে ৩২ লক্ষ টন ধান সরকারি উদ্যোগে কেনা হয়েছে। এই

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

মরশুমে ৩৫ লক্ষ টন ধান কিনতে চাইছে খাদ্যদপ্তর। এতে আগামী জানুয়ারি মাস পর্যন্ত রেশন ব্যবস্থা, মিডডে মিল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের চালের চাহিদা মেটানো যাবে বলে দপ্তর মনে করছে।
আগামী মরশুমে কৃষকদের কাছ থেকে অনেক বেশি ধান কেনা হলে তা কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা এফসিআই-কে ধান কেনার জন্য চাপ দিচ্ছে খাদ্যদপ্তর। বেশ কয়েক বছর ধরে এফসিআই রাজ্য থেকে ধান কেনা কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। রাজ্য চাইছে, মিড ডে মিল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির প্রয়োজনীয় চাল উৎপাদনের জন্য এখানকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনুক এফসিআই। ভিন রাজ্যে চাল পাঠাতেও পারে তারা। ইতিমধ্যে এফসিআই-র আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে খাদ্যদপ্তরের।
উৎপাদিত চাল মজুত করার পরিকাঠামো আরও বাড়াতে হবে। বাম আমলে সরকারি ব্যবস্থায় ৬৫ হাজার টন মজুত করা যেত। এখন তা বেড়ে ৮ লক্ষ ৭৯ হাজার টন হয়েছে। আগামী খরিফ মরশুম শুরু হওয়ার সময় এটা বেড়ে ১৩ লক্ষ টন হবে বলে আশাবাদী খাদ্যদপ্তর। এছাড়া বেসরকারি গুদাম ভাড়া নিয়ে আরও ৭ লক্ষ টন চাল মজুত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ধান কেনার জন্য কোনও অগ্রিম অর্থ কেন্দ্র দেয় না। রাজ্য সরকারকেই অর্থ জোগাড় করতে হবে। ঠিক হয়েছে, বেনফেড, কনফেড, ইসিএসসি প্রভৃতি সরকারি সংস্থা প্রয়োজনীয় অর্থের অর্ধেক ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেবে। বাকি টাকা দেবে খাদ্যদপ্তর। ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেওয়ার পাশাপাশি অর্থদপ্তরের কাছ থেকে টাকা পাওয়া যাবে।
লোকসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে ধান কেনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। গ্রামীণ ভোট ব্যাঙ্কের উপর সরকারি উদ্যোগে ধান কেনার বড় প্রভাব পড়ে। তাহলে কি ভোট ব্যাঙ্কের দিকে তাকিয়েই এই পদক্ষেপ সরকারের? এই প্রশ্ন উঠলেও সরকারের যুক্তি পুরোটাই করা হয়েছে কৃষকদের স্বার্থে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!