এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রেশনে ভর্তুকি বন্ধ করতে অভিনব পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চলেছে রাজ্য সরকার

রেশনে ভর্তুকি বন্ধ করতে অভিনব পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চলেছে রাজ্য সরকার

2014 সালে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরই নরেন্দ্র মোদি দেশের আর্থিক সম্পন্ন লোকদের রান্নার গ্যাসের ভর্তুকি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আর প্রধানমন্ত্রীর শ্লোগানে আশ্বস্ত হয়ে অনেকেই স্বেচ্ছায় গ্যাসের ভর্তুকি ছেড়ে দিলেও তার জন্য কোনো বাড়তি পুরস্কার পাওয়া যায়নি।

কিন্তু কেন্দ্রের পক্ষ থেকে গ্যাসের ভর্তুকি ছেড়ে দেওয়ার জন্য কোনো পুরস্কার না দেওয়া হলেও এবার রাজ্যের পক্ষ থেকে রেশনে ভর্তুকি খাদ্যসামগ্রী যদি মানুষ স্বেচ্ছায় ছেড়ে দেন, তাহলে তাদের পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানা গেল। বিশেষ সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযায়ী জানা গেছে, রেশনে ভর্তুকির খাদ্য মিলবে না এমন বিশেষ রেশন কার্ড এনে রাজ্য খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে নামি সংস্থার শপিং মলে কেনাকাটায় যাতে বিশেষ কিছু ছাড় গ্রাহকদের দেওয়া যায়, সেই সুবিধা এবার নিয়ে আসা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব দোকানেই এই রেশন ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

তবে কত শতাংশ ছাড় সেই রেশন কার্ডের মধ্য দিয়ে পাওয়া যাবে, তা নিয়ে এখনও সন্দিহান সকলেই। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রায় 6 কোটি 1 লক্ষের মত রেশন গ্রাহক জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতাধীন রয়েছেন। তবে রাজ্যের দুটি খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পে যুক্ত আছেন তিন কোটির কিছু বেশি রেশন গ্রাহক।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি মাপকাঠি নির্ধারণ করে এগুলি যে পরিবারে থাকবে, তারা ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যে পাওয়ার রেশন কার্ড পাবে বলে জানা গেছে। কিন্তু কি কি সেই মাপকাঠি! প্রথমত, সরকারি কর্মী। দ্বিতীয়ত, মাসে 15000 টাকার বেশি বেতণ। তৃতীয়ত, পাকা বড় বাড়ি। চতুর্থত, গাড়ি সহ বেশ কিছু উপকরণ থাকলে সেই সমস্ত পরিবার এই ভর্তুকির খাদ্য সামগ্রী পাওয়ার রেশন কার্ড পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন না।

খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনেক লোকের কার্ড থাকলেও তারা নিজেদের ব্যবহারের জন্য খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ না করায় তা বেশি দামে বাইরে বিক্রি হয়ে যায়। এমনকি 7 নম্বর ফর্ম পূরণ করে ডিজিটাল রেশন কার্ড ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করলেও তাতে খুব একটা সাড়া পাওয়া যায়নি।

এক্ষেত্রে একাংশ মনে করছেন যে, বিশেষ রেশন কার্ডের মাধ্যমে শপিংমলের পণ্যে ছাড় পাওয়ার জন্য অনেক গ্রাহকই ভর্তুকির খাদ্য পাওয়ার কার্ড স্ব-ইচ্ছায় ছেড়ে দেবেন। সে ক্ষেত্রে রাজ্যের লক্ষ যেমন পূর্ণ হবে, ঠিক তেমনই সাধারণ মানুষ অনেকটাই খুশি থাকবেন। তবে শেষ পর্যন্ত রাজ্যের এই টার্গেট পূরণ হয় কিনা, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!