এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > উপনির্বাচনের আগে নাগরিক পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এলাকাবাসী, ঘুম উড়তে চলেছে তৃণমূলের?

উপনির্বাচনের আগে নাগরিক পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এলাকাবাসী, ঘুম উড়তে চলেছে তৃণমূলের?

লোকসভা নির্বাচনের তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপের রেশ মিটতে না মিটতেই, আবার বাংলার বুকে নির্বাচনী দামামা। রাজ্যের ৩ প্রান্তের ৩ আসনে উপনির্বাচন হতে চলেছে আগামী ২৫ শে নভেম্বর। লোকসভায় ৪২-এ-৪২ দাবি করে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়তে হয়েছে, রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে। আর তারপরেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। ভোট বিশেষজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরকে দায়িত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে – গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মিটিয়ে পুরোনো কর্মীদের সসম্মানে ফিরিয়ে আনা – কোনো কিছু করতেই বাকি রাখে নি তৃণমূল।

আর সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই ৩ আসনের উপনির্বাচন কার্যত শাসকদলের কাছে অ্যাসিড টেস্ট। কেননা, লোকসভা নির্বাচনে যে গেরুয়া ঝড় উঠেছিল – তা যে আদতে ‘ফ্লুক’ ছিল, তা প্রমান করার এটাই শেষ সুযোগ শাসকদলের কাছে। এই উপনির্বাচনেও মুখ থুবড়ে পড়লে উঠে যাবে একাধিক প্রশ্ন। প্রশান্ত কিশোরকে এনে কি লাভ হল? বা, লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন আলাদা কোথায়? বা, বিধানসভায় তৃণমূলের ফায়দা, তাদের ‘মুখ’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – তাহলেও কেন পরাজয়? দলীয় স্তরেই এই সব প্রশ্নের ঝড় উঠে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু, উপনির্বাচনের আগে অন্যতম ‘প্রেস্টিজ-ফাইটের’ আসন খড়্গপুর-সদর নিয়ে এবার ঘুম উড়তে চলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় অধিবাসীরাই! কেননা, এখানে তৃণমূল অনেক ভাবনা চিন্তা করে প্রার্থী করেছে এখানকার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ সরকারকে। আর সেই প্রদীপবাবুর নেতৃত্বাধীন পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধেই এবার নাগরিক পরিষেবা না দেওয়ার অভিযোগে সরব হলেন খড়্গপুরবাসী! সূত্রের খবর, গতকাল খড়্গপুর শহরের নিমপুরা এলাকায় তৃণমূল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদে সরব হন এলাকাবাসী।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এলাকায় নিয়মিত নর্দমা, আবর্জনা পরিষ্কার হয় না, রাস্তাও খারাপ, কাউন্সিলারকে জানিয়েও কোনও লাভ হয় না – অভিযোগকারীরা রীতিমত ঝড় তুলে দেন। সবথেকে বড় কথা বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক বাড়ির মহিলারা ছিলেন, যা স্বাভাবিকভাবেই শাসকদলের অস্বস্তি আরও তীব্র করেছে। প্রসঙ্গত, গতকাল ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিল কেন্দ্রীয়বাহিনী, অভিযোগকারীরা তাদের সামনেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। খবর পেয়ে, তড়িঘড়ি পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু, পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায়।

ফলে, পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও, পুলিশ বিক্ষোভের কথা মেনে নিলেও, কাউকে আটক করা হয় নি বলেই জানিয়েছে। প্রসঙ্গত, গতকাল ওই এলাকায় স্থানীয় কাউন্সিলর সরিতা ঝা সহ কর্মীদের নিয়ে প্রচারে যান তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার। আর সেখানেই, এক ব্যক্তির সঙ্গে এই নাগরিক পরিষেবা নিয়ে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তিনি। আর তারপর তিনি এলাকা ছাড়তেই স্থানীয় এলাকাবাসীদের চূড়ান্ত বিক্ষোভ সামনে আসে।

পরে প্রদীপবাবু সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিধানসভা ভোটের সময় পুর এলাকার সমস্যার কথা তুলে কেউ কেউ পরিস্থিতিকে ঘোরালো করতে চাইছেন। অন্যদিকে, প্রদীপবাবুর সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদের বক্তব্য, এদিন প্রার্থী আমাদের এলাকায় এসেছিলেন, তাঁকে নিয়ে এলাকায় ঘোরা হয়েছে। আমাদের সামনে কোথাও কোনও বিক্ষোভ হয়নি, আমারা দেখিওনি। শুনেছি, এরকম একটা কিছু হয়েছে – এর পিছনে বিজেপির চক্রান্ত আছে। পাল্টা হিসাবে বিজেপি জেলা সহ-সভাপতি গৌতম ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, শহরের কোথাও কোনও কাজ হয়নি – আবর্জনা জমে আছে, নর্দমার জল রাস্তা দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। এক পশলা বৃষ্টি হলে জল জমে যাচ্ছে, পানীয় জলের সঙ্কট রয়েছে। এখন মানুষ এসবের প্রতিবাদ করছেন – তাই ওরা বিজেপি ভূত দেখছে!

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!