এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > রশিদ ছাড়া বাড়িতে আছে বিপুল পরিমান সোনা? এবার বিপুল ফাইনের মুখে পড়তে পারেন আপনি!

রশিদ ছাড়া বাড়িতে আছে বিপুল পরিমান সোনা? এবার বিপুল ফাইনের মুখে পড়তে পারেন আপনি!


এবার কালোটাকা অপসারণ করতে মোদি সরকার নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে। ইতিপূর্বে নরেন্দ্র মোদী কালোটাকা অপসারণের জন্য নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। সে সময় দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। এবার আরো একবার কালোটাকা আটকাতে মোদি সরকারের নতুন পদক্ষেপ। বাড়তি সোনা কেনার ওপ‍র রাশ টানা হতে চলেছে। কালো টাকা দিয়ে সোনা কেনার রীতিতে বাধা দিতে এবার মোদি সরকার আনতে চলেছে নতুন স্কিম। রসিদ ছাড়া যদি বিপুল পরিমাণ সোনা বাড়িতে থাকে, এবার পড়তে হবে আয়কর দপ্তরের কোপে। এ বিষয়ে বিশদ জেনে নেওয়া যাক।

সিএনবিসি এবং আওয়াজ এর সূত্রে জানা গেছে, মোদি সরকার কালো টাকা আটকাতে এবার সোনা কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে। আয়কর দপ্তর এর তরফ থেকে সোনা কেনার ওপর অ্যামেষ্টি স্কিম চালু হতে পারে। এটি হলো নির্দিষ্ট মাত্রার সোনা বেশি কিনে থাকলে তাহলে আয়কর দপ্তর কে সে বিষয়ে তথ্য দিতে হবে এবং সোনার মূল্য সরকারকেও জানাতে হবে।

রসিদ ছাড়া অতিরিক্ত সোনা থাকলে তার জন্য আয়কর দিতে হবে সরকারকে। অন্যদিকে সোনার মূল্য নির্ধারণ করতে ভ্যালুয়েশন সেন্টারের সার্টিফিকেট লাগবে। এটি একটি বিশেষ সময়সীমার জন্য খোলা হবে। স্কিম যদি শেষ হয়ে যায় তাহলে নির্দিষ্ট মাত্রার ওপর বেশি সোনা থাকলে বিপুল পরিমাণ অর্থ জরিমানা দিতে হতে পারে। অন্যদিকে মন্দির বা ট্রাস্টের কাছে যে সোনা পুজো হিসেবে দেওয়া হয়, সেগুলি প্রডাক্টিভ ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে ধরে নেওয়া হবে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, অ্যামেষ্টি স্কিম অনুযায়ী সোনাকে অ্যাসেট হিসাবে বাড়ানোর ঘোষণা করা হতে পারে। অন্যদিকে গোল্ড স্কিমকে জনপ্রিয় করার জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে মোদী সরকার।

অন্যদিকে, সূত্র মারফত জানা গেছে, এই সংক্রান্ত ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি ড্রাফট তৈরি করে সেটি ক্যাবিনেটে পাঠিয়েছে গৃহীত হবার জন্য। ক্যাবিনেট থেকে অনুমোদন পেলেই এটি সর্বসমক্ষে প্রচলিত হবে। অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার কথা ছিল। কিন্তু হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য সমস্ত বিষয়টি পিছিয়ে যায়।

মোদি সরকারের এই নীতির ফলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নীতির ফলে সোনার কালোবাজারি বহুলাংশে রোধ করা যাবে। যদিও বিরোধী দলের দাবি, নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত এই কালো টাকাকে আটকানোর জন্যই করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও কালো টাকার আমদানি বন্ধ করা যায়নি। আপাতত নতুন স্কিম অনুযায়ী বাড়তি সোনা কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপানো হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে এবার দেখার রসিদ ছাড়া কেনা সোনা আটকাতে পারলে দেশে কালো টাকার আমদানি আটকানো যাবে কিনা। এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে, কতটা ফলপ্রসূ হবে অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা, তা দেখতে মুখিয়ে আছে দেশের রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!