এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > শাসকদলের ঘুম উড়িয়ে এবার রন্তিদেব-শঙ্কুর হাত ধরে টলিপাড়াতেও বড়সড় থাবা বসাতে চলেছে বিজেপি

শাসকদলের ঘুম উড়িয়ে এবার রন্তিদেব-শঙ্কুর হাত ধরে টলিপাড়াতেও বড়সড় থাবা বসাতে চলেছে বিজেপি


রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার দাবি করে এসেছেন, বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতিকে তিনি আবার তুলে ধরতে চান। আর তাই রাজ্যের বিভিন্ন বিনোদনমূলক পেশার সঙ্গে জড়িত শিল্পীদের জন্য তিনি চালু করেছেন একাধিক পুরস্কার ও ভাতা। এমনকি, তাঁর দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিনোদন শিল্পের সঙ্গে জড়িত একাধিক নক্ষত্রকে একেবারে মঞ্চের সামনে আলো করে বসে থাকতে দেখা যায়। তৃণমূলের টিকিটে বিধায়ক বা সাংসদ হওয়া তো বটেই, তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচারেও দেখা যায় বাংলার চলচিত্র শিল্পের একাধিক নায়ক-নায়িকাকে।

কিন্তু, তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে টলিপাড়ার এত দহরম-মহরম থাকলেও, টলিপাড়া নাকি মোটেও ভালো নেই বলে দাবি বিরোধীদের। কিছুদিন আগেই, অনীক দত্ত পরিচালিত ‘ভবিষ্যতের ভূত’ সিনেমাটির প্রদর্শন ‘উপরমহলের’ নির্দেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া নাকি ‘হিমশৈলের চূড়া’ মাত্র। টলিপাড়ায় একটি পাতাও নাকি রাজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও তাঁর ভাইয়ের অঙ্গুলিহেলন ছাড়া নড়বার উপায় নেই। কোন সিনেমা বা সিরিয়ালের শুটিংয়ে কতজন ট্রলিবয় থাকবে বা কার কত ‘পেমেন্ট’ হবে সবই নাকি ঠিক করে দেন প্রবল প্রতাপশালী ওই দুই ব্যক্তিত্ব।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের কাজের সঙ্গে যুক্ত স্পটবয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের কলাকুশলীরা নাকি হাঁফিয়ে উঠছেন টালিগঞ্জের এই দমবন্ধকর পরিবেশে। আর তাই বাংলা সিনেমা ও সিনেমার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত কলাকূশলীকে ‘বাঁচাতে’ এবার আসরে অবতীর্ন হলেন বিদগ্ধ সাংবাদিক রন্তিদেব সেনগুপ্ত ও বিজেপি যুব নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। তাঁদের হাত ধরে আগামী ২১ শে জুন আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে বঙ্গীয় চলচিত্র পরিষদ। যে সংগঠনের প্রধান পরামর্শদাতা হবেন রন্তিদেব সেনগুপ্ত, সভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শঙ্কুদেব পণ্ডা।

এই সংগঠনের পরামর্শদাতা হিসাবে আরও থাকতে চলেছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, ‘সহজপাঠ’-এর জন্য জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রযোজক অভিজিৎ সাহা, অশোক ধানুকা, প্রদীপ চুরিওয়ালা, অনামিকা সাহা, সুভদ্রা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। একাধিক নামী প্রযোজক ইতিমধ্যেই এই সংগঠনের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। সংগঠনের সহ সভাপতি হচ্ছেন মিলন ভৌমিক, কোষাধ্যক্ষ হচ্ছেন সুরজিৎ দেবনাথ। সূত্রের খবর, আত্মপ্রকাশের সময়েই সংগঠনটি অন্তত ৫ হাজার সদস্যকে সামনে নিয়ে আসবে।

বঙ্গীয় চলচ্চিত্র পরিষদের লোগো – যা আত্মপ্রকাশ করবে আগামী ২১ শে জুন।
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!