এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রামমন্দির রায়ে খুশির হাওয়া কলকাতার অযোধ্যা “শহীদ” 2 ভাইয়ের পরিবারে

রামমন্দির রায়ে খুশির হাওয়া কলকাতার অযোধ্যা “শহীদ” 2 ভাইয়ের পরিবারে



 

অনেকের হৃদয়ের চিলোকোঠায় তাঁর বাস। অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে অযোধ্যায় রাম মন্দিরকে কেন্দ্র করে। বহুদিন ধরে এর একটা সুষ্ঠু বিচারের আশা করেছিলেন দেশবাসী। অবশেষে এল সেই বিচার। শনিবার বেলা সাড়ে দশটায় অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির তৈরীর নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত।

আর সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে এই রায় বেরোনোর পরেই এ যেন অকাল দীপাবলিতে মজে গেল কলকাতার কোঠারি পরিবার। অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়ত অযোধ্যা মামলার এই রায়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ন হতে পারে। যার জন্য বিভিন্ন মহলের তরফে সেই রায়ের আগে এবং পরে শান্তি স্থাপনের বার্তা দেওয়া হয়। কিন্তু ভারতবর্ষ বরাবর আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পাঠ দিয়েছে। আর তাইতো সেই রায়ে যেমন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলা হল, ঠিক তেমনই এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে খুশিতে ভরে উঠল শহর কলকাতা।

প্রসঙ্গত, গত 29 বছর আগে এই রামজন্মভূমির আন্দোলনে অংশ নিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারাতে হয়েছিল কলকাতার কোঠারি পরিবারের দুই ছেলে রাম কোঠারি এবং শারদ কোঠারিকে। জানা যায়, এই রাম এবং শারদ কোঠারি কলকাতার বড়বাজারে বাস করতেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের একনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন তারা।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

পরবর্তীতে গত 1990 সালে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অযোধ্যায় করসেবার ডাক পেলে সেই দুইজনও সেখানে যোগ দিয়েছিলেন। আর তাদের এই আন্দোলন কর্মসূচির সময় পুলিশের গুলিতে বেশকিছু করসেবকের মৃত্যু হওয়ার পাশাপাশি প্রাণ যায় কলকাতার এই রাম কোঠারি এবং শারদ কোঠারির। এদিন সেই রামমন্দির স্থাপনের ব্যাপারে শীর্ষ আদালত সবুজসংকেত দেওয়ায় চোখের কোনে আনন্দাশ্রু দেখা গেল সেই মৃতের পরিবার পরিজনদের।

এদিন এই প্রসঙ্গে শহীদ হওয়া সেই রাম কোঠারি এবং শারদ কোঠারির দিদি পূর্ণিমাদেবী বলেন, “আজ আমাদের পুরো পরিবার খুব খুশি। আমরা 29 বছর অপেক্ষা করেছি। দুই ভাই রামমন্দিরের জন্য লড়াই করতে গিয়ে মারা গিয়েছিল। আজ তারা বিচার পেল। তাদের আত্মা শান্তি পেয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় হোলি এবং দীপাবলীর মতই আমাদের পরিবারের কাছে আনন্দের বিষয়।” তবে শুধু রাম কোঠারি এবং শারদ কোঠারির পরিবারই নয়, এই আন্দোলনে যোগ দিতে যাওয়া মধ্যপ্রদেশের মান্দসৌরের আশুতোষ নাভালের পরিবারও বেশ খুশি এই রায়ে।

এদিন এই প্রসঙ্গে সেই অতীতের ঘটনা স্মৃতিচারণ করেন আশুতোষ নাভাল। তিনি বলেন, “আমি প্রায় 200 কিলোমিটার হেঁটে অযোধ্যায় সরযু নদীর সেতুতে পৌঁছেছিলাম। পুলিশের থেকে বাঁচতে প্রাক্তন মন্ত্রী জগদীশ দেবা এবং অন্যদের সঙ্গে ড্রেন এবং পুকুরে লুকিয়ে পড়ি। ভোলা নামে এক রিকশাচালক আমাদের তার বাড়িতে নিয়ে যায় এবং খাবারের ব্যবস্থা করে।” একইভাবে 66 বছর বয়সী অশোক পুরোহিত তার জীবদ্দশায় এই রাম মন্দির স্থাপনের ব্যাপারটি দেখতে পাওয়ায় প্রবল খুশি। সব মিলিয়ে অনেক মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, উদ্দীপনায় অযোধ্যায় রাম মন্দির স্থাপনের ব্যাপারে শীর্ষ আদালতের সবুজসংকেত কোথাও জল আবার কোথাও বা হাসি এনে দিল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!