এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিধানসভা ভোটে কে এগিয়ে থাকবে বিজেপি না কংগ্রেস ?

মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিধানসভা ভোটে কে এগিয়ে থাকবে বিজেপি না কংগ্রেস ?

বিজেপি শাসিত দুটি রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ডঙ্কা বাজতে চলেছে বছর শেষের অন্তিমলগ্নে। রাজস্থান,মধ্যপ্রদেশ দুটি রাজ্যেই দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা বিজেপিকে হটাতে বিরোধীরা সক্রিয় হয়ে আছে। তবে কংগ্রেস কোনোভাবেই বিজেপির সামনে টিকতে পারবে না সেটার আঁচ আগেই পাওয়া গিয়েছে। কারণ মায়াবতী আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনোরকম জোট বাধবে না বসপা। এটা রাহুল গান্ধীর কাছে নির্বাচনের আগেই একটা বড় ধাক্কা। কারণ কংগ্রেস সুপ্রিমো ‘বহেনজি’ মায়াবতীর হাত ধরেই বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যূত করার ছক কষেছিলেন। তাঁর সমীকরণ ব্যর্থ করেদিলেন মায়াবতী।

অন্যদিকে,মধ্যপ্রদেশে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। নানান দুর্নীতিমূলক কর্মকান্ডে তাঁর নাম একাধিকভাবে উঠে আসায় ভাবমূর্তি খুব একটা স্বচ্ছ নেই বিজেপির। তবুও বিজেপিকে টেক্কা দিতে গেলে বেগ পেতে হবে বিরোধীদের। কারণ প্রতিপক্ষরা একদমই ফর্মে নেই। মায়াবতীর সঙ্গ ছাড়া কংগ্রেস হীনবল হয়ে পড়েছে। তাই জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না এখনই কংগ্রেস কতোটা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে। মোট ২৯ টি লোকসভা আসন রয়েছে মধ্যপ্রদেশে। সেখান থেকে ২৩ টি আসন বিজেপির দখলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বিধানসভা ভোটে। বাকি ৬ টি আসন কংগ্রেসের ঝুলিতে আসতে পারে। অন্যান্য প্রতিপক্ষরা কীভাবে কেমন লড়াই করতে পারবে সেই পরিসংখ্যান উঠে আসেনি এবিপি নিউজ-সি ভোটার সমীক্ষায়। তবে আশা করা হচ্ছে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় কংগ্রেসের ফল অপেক্ষাকৃত ভালো হবে। কারণ তখন মোদী ম্যাজিকের জেরে ২৬ টি আসনে সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছিল বিজেপি। আর কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ৩ টি আসন। কিন্তু বিগত ৪ বছরের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নানা পরিবর্তন হয়েছে। এখন মোদী বিরোধী ঝড়ে গোটা দেশে হইচই শুরু হয়েছে। এর জন্য কংগ্রেস কিছুটা লাভ পাবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে বিজেপির জনপ্রিয়তা কমেছে রাজস্থানেও। বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া হয়তো প্রতিপক্ষদের হারিয়ে বিধানসভা ভোটে জিতবেন,তবুও তাঁর ক্ষমতায় থাকা হবে না,এমনটাই জল্পনা। কারণ তাকে নিয়েই দলীয় অন্দরে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাছাড়া আমজনতার কাছেও তাঁর ভাবমূর্তি স্বচ্ছ নয়। বিক্ষুব্ধ জনতা রাজ্যস্থানের বিজেপিকে কতোটা ভোট দেবে তাতে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। তবে মোট ২৫ টি আসনের মধ্যে বিজেপির দখলে ১৮ টি আসন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কংগ্রেস পেতে পারে ৭ টি আসন। ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে বিজেপির এই ফলাফল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। মোদীজির ভাবমূর্তির সামনে ২০১৪ সালে হার স্বীকার করতে হয়েছিল বিরোধীদের। কংগ্রেসের অবস্থা ছিল কোনঠাসা। তবে এবছরও কংগ্রেস যে মোদী বিরোধীতাকে কাজে লাগিয়ে খুব বেশি ফায়দা তুলতে পারবে,এমনটাও জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না। এখনকার মতো পরিস্থিতি যদি লোকসভা ভোটের সময় থাকে তাহলে কংগ্রেস ও বিজেপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। এছাড়া কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব দলকে পিছনে টানার জন্য অন্যভাবে দায়ী। এছাড়া গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো মায়াবতী হাত ছেড়েছেন রাহুল গান্ধীর। ফলত সবমিলিয়ে বিজেপির অবস্থা ভালো না থাকলেও কংগ্রেসও কোনঠাসা অবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ফলত আসন্ন বিধানসভা ভোট নিয়ে চাপে রয়েছে দুই প্রতিপক্ষই।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!