এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > রাজ্যসভায় তৃণমূলকে নিয়ে দড়ি টানাটানি রাহুল-মোদীর,ক্রমশ গুরুত্ব বাড়ছে তৃণমূল নেত্রীর

রাজ্যসভায় তৃণমূলকে নিয়ে দড়ি টানাটানি রাহুল-মোদীর,ক্রমশ গুরুত্ব বাড়ছে তৃণমূল নেত্রীর

রাজনৈতিক সূত্রের খবর জানাচ্ছে  বঙ্গের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরর গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে কেন্দ্রীয় রাজনীতির দরবারে। রাহুল গান্ধী তো বটেই এমনকী মোদীজিও নাকি নেত্রীকে দলে টানার প্রয়াসে তৎপর হয়ে আছেন। সংসদের বাদল অধিবেশনে ডেপুটি চেয়ারপদের ভোটের জন্যেই বঙ্গের নেত্রীকে নিয়ে এই টানাটানি। হিসেব বলছে, জেতার জন্যে প্রার্থীকে সংগ্রহ করতে হবে ১২২ টি ভোট। আর রাজ্যসভায় বিজেপি দাঁড়িয়ে আছে ৬৯ টি আসন সংখ্যা নিয়ে। এনডিএ জোটের তরফে আছে ১১৫ টি আসন। ওদিকে চন্দ্রবাবু নাইডু দল ছাড়ার পড়েই ৬ জন সংসদ কমেছে শাসকদলের জোটে। চাপের কারণে সবার  সম্মতিতেই বিজপি নতুন প্রার্থী চাইছেন। আর তা খুঁজতেই ভালো সম্পর্ক বাড়াতে চাইছেন অন্যান্য দলীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে। এনডিএ যেমন এডিএমকের ১৩ জন, টিআরএসের ৬ জন, জগন্মোহন রেড্ডির দলের ২ জন সাংসদকে দলে চাইছে তেমনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলে টানতে জোরকদমে প্রয়াস চালাচ্ছে বিজেপি।

ওদিকে একই সমান্তরালে এগোচ্ছে কংগ্রেসও। সম্প্রতি এই পরিস্থিতি নিয়ে নেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র রাহুল গান্ধীও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রাহুলকে পরামর্শে জানিয়েছেন যে, বিরোধীরা যদি সবার মতামত নিয়ে কোনো নেতা বা নেত্রীকে এ ব্যাপারে প্রার্থী করেন তবে এটাই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং গণতন্ত্রের জন্য সঠিক পদক্ষেপ। বিজেপি নেতা বেঙ্কাইয়া নাইডু  রাজ্যসভার চেয়ারম্যান পদটি পাওয়ায় চাপ বেড়েছে বিরোধীমহলে। এক্ষেত্রে ডেপুটি চেয়ারম্যান পদটি যদি বিরোধীরা দখলে রাখতে পারে তাহলে ভালো হয়। এ নিয়ে কংগ্রেস নেতা অভিষেক সিঙ্ঘভি এবং গুলাম নবি আজাদ সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

অন্যদিকে,কংগ্রেস ও বিজেপির পাশাপাশি অন্যান্য বিরোধী নেতারাও চাইছেন ডেপুটি চেয়ারম্যানের পদটি হস্তগত করতে। এআইসিসির নেতারা যেমন পি জে কুরিয়েনকে ওই পদে দাবী করছেন। তবে কেরল কংগ্রেসের নেতারা আবার  কুরিয়েনকে এ পদে দেখতে নারাজ। এ অবস্থায় কংগ্রেস কাকে এই পদের জন্য সমর্থন করছেন তা এখনো জানা যায়নি। ওদিকে রাজ্যসভার ভোট নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে ওড়িষার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। তবে অন্দরের খবর বলছে, তাঁরা শ্যামচরণ দাসকে ও পদে আনতে পারেন অন্তিম লগ্নে। আবার সম্ভাবনা রয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে শেষ মুহূর্তে সুখেন্দুশেখর রায়কে আনার। বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সংখ্যা ১৩। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে যদি গোনা হয় তাহলে সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪। স্বাভাবিকভাবে বিরোধীশিবিরে গুরুত্ব পাবে তৃণমূলের মতামত। এমতাবস্থায়  রাজ্যসভার ভোটে মোদী বিরোধী জোট গঠনে বিশেষ উদ্যোগী কংগ্রেস তরফের রাহুল গান্ধী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দফায় দফায় কংগ্রেসী নেতাদের কথা হচ্ছে এ নিয়ে। তবে নেত্রীর আলোচনা চলছে অন্যান্য বিরোধী নেতাদের সঙ্গে। এই মুহূর্তেই নেত্রী কিন্তু প্রকাশ্যে আনেননি তাঁর তরফের প্রার্থী কে। এ নিয়ে আপাতত গভীর গুঞ্জন শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় রাজনীতিমহলে।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!