এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > রেলের জমিতে তৃণমূল সহ সব দলেরই পার্টি অফিস, তবুও শুধু বিজেপি অফিস উচ্ছেদ ঘিরে বিক্ষোভ

রেলের জমিতে তৃণমূল সহ সব দলেরই পার্টি অফিস, তবুও শুধু বিজেপি অফিস উচ্ছেদ ঘিরে বিক্ষোভ

শাসক বনাম বিজেপি দ্বন্দ্ব এবার প্রভাব ফেলল রেলের জমিতেও। রাজনৈতিক ময়দানের টানাপোড়েনের সূত্র ধরে এদিন উত্তেজনা ছড়ালো খড়গপুর শহরের ট্রাফিক এলাকায়। রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা বিজেপির পার্টি অফিস সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা উচ্ছেদ করতে গেলে জোর তর্কাতর্কি বাধে দুপক্ষের মধ্যে। শেষ বচসা ক্রমে তীব্র আকার ধারণ করলে রেল আধিকারিকরা ফিরে আসতে বাধ্য হন।

খড়গপুর শহর এলাকাতে তৃণমূল,বিজেপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মর্জি খাটিয়ে রেলজমি দখল করে পার্টি অফিস বানিয়েছে। সেসব পার্টি অফিসকে বিলাসবহুল করা হয়েছে এসি লাগিয়ে,পার্টি চত্বরে পার্ক তৈরি করে। এই বেআইনি নির্মানকার্যের প্রতিবাদ বহুবার রেলকর্তৃপক্ষ করেছে। দফায় দফায় রেলের জমি উদ্ধার করার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। কিন্তু প্রতিবারের মতো এবারও ব্যর্থতা নিয়ে ফিরতে হল। তবে রেলের এক আধিকারিক এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন,’রেলের জমিতে কোনও বেআইনি নির্মাণ থাকতে পারে না। আমরা সব ক্ষেত্রেই পদক্ষেপ নেব।’

সম্প্রতি খড়গপুরের ট্রাফিক এলাকায় বিজেপি দরমা দিয়ে একটি অস্থায়ী পার্টি অফিস তৈরি করেছে। এই পার্টি অফিসই উচ্ছেদ করে এসে বাধার মুখে পড়ল রেল আধিকারিকরা। বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষের প্রতিনিধি প্রেমচাঁদ ঝা-এর যুক্তি, শহরে অনেকে রেলের জমিতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল পার্টি অফিস তৈরি করেছে। তবে বিজেপি তৈরি করলে আপত্তি কোথায়?

এর পিছনে কলকাঠি নেড়েছে তৃণমূল। কারণ বিজপিই তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ এই মুহূর্তে। তাই বিজেপিকে অপদস্ত করার কোনো সুযোগই ছাড়তে চায় না তাঁরা। তাই এর বিরুদ্ধে গর্জে উঠে তিনি বলেন,বিজেপির পার্টি অফিস ভাঙলে শহরের অন্য সমস্ত রাজনৈতিক দলের পার্টি অফিসও ভাঙতে হবে। তবে বিজেপি কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচিতে পথে নামবে না। কিন্তু যদি দেখা যায়,ফের বিজেপির পার্টি অফিসই শুধু ভাঙার উদ্যোগ করা হচ্ছে তাহলে প্রতিবাদের ঝড় তুলবে গেরুয়াশিবির,এমনটাই রেলের আধিকারিকদের হুঁসিয়ারী প্রেমচাঁদ ঝা-এর। এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য ডিসিএম কুলদীপ তেওয়ারির সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তাঁর ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তবে এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি অভিযোগের আঙুল তুলেছে শাসকদলের দিকে। শাসকদলের মদত ছাড়া রেলের কর্মকর্তারা কেবল বিজেপি পার্টি অফিসই শুধু উচ্ছেদ করবেই বা কেন? এ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। লোকসভা ভোটের আগেই শাসক দল বুঝিয়ে দিচ্ছে,এ রাজ্যে বিজেপির টিকে থাকতে গেলে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে। তবে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র বিজেপিও নয়। ইটের জবাব পাথরে কীভাবে দিতে হয় তা ভালোভাবেই জানা আছে দিলীপ ঘোষ-মুকুল রায়েদের। আসন্ন লোকসভা ভোটে তৃণমূল-বিজেপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই-এর ইঙ্গিত এদিনই পাওয়া গেল বিজেপির পার্টি অফিস উচ্ছেদের চেষ্টার প্রেক্ষিতে। এমনটাই মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!