এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ৮

রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ৮

রনো – দাঁড়া, একবার আন্টির কাছে দরকার আছে।

রাহুল – আবার কি দরকার।

ঘরে গিয়ে মিসেস মুখার্জীকে রনো জিজ্ঞাসা করলো – আন্টি শ্রীর দাদুর নাম কি ছিল ?

মিসেস মুখার্জী – উমাপদ চৌধুরী। কেন?

রনো – না এমনি।

আছে আন্টি আপনি শ্রীকে বললেন নি নতুন করে সব আবার শুরু করতে

মিসেস মুখার্জী – অনেকবার বলেছি। কিন্তু ও বলে যাকেই ও ভালোবেসেছে সেই নাকি অনেক দূরে চলে গেছে ওর থেকে, ওর দাদু, ঠাকুমা, কেশব। ও যেমন আছে ঠিক আছে।

রনো একবার ফের শ্রীর কাছে গেলো। অদিতি বসেছিল ওর কাছে।

শ্রীর মাথায় হাত দিয়ে দেখে বললো -জ্বর ছেড়ে গেছে এক কাজ কর তুই শুয়ে পর। রাতজাগার মতো কিছু হয়নি। আন্টি আপনিও শুয়ে পড়ুন।

মিসেস মুখার্জী – অদিতি তুমি যাও। জ্বর যখন ছেড়ে গেছে। আমি ওর কাছে শুচ্ছি দরকার হলে তোমাকে ডাকবো।

অদিতির ডাইরি হাতানো হলো না। অবশ্য এখন আর খুব একটা দরকার নেই রনোর। যা জানার ছিল জানা হয়ে গেছে। বাকিটা শ্রী নিজের মুখে বলবে।

রনো আর রাহুল চলে গেলো। ঘরে গিয়ে দুজনে বসলো। রনো বলতে শুরু করলো। অদিতি ঠিকই দেখেছে রাহুল, শ্রীর কাছে যে ফটোটা আছে সেটা আমারই। আর কেশব অন্য কেউ নয় আমি।

রনো – তুই মানে? তোর নাম আবার কবে থেকে কেশব হলো। তোদের বাড়িতে তো শুনিনি।

রনো – আমার দাদু, কৃষ্ণর অনুরাগী, কৃষ্ণপ্রেমী। আমার নাম রেখেছিলো কেশব। ওটাই হয়তো আমার ভালো নাম হতো কিন্তু মায়ের আপত্তি ছিল। মা বাবা আমার নাম রাখে অরণ্য। কেননা কোনো এক জঙ্গলে বেড়াতে যায়, তারপর জানতে পারে মা প্রেগনেন্ট, জঙ্গল দিয়ে নাম রাখতে চেয়েছিলো। সেখান থেকে অরণ্য। কিন্তু দাদু যতদিন বেঁচে ছিল ততদিন কেশব নামেই ডেকেছে আমাকে। দাদু ঠাকুমা ছাড়া অবশ্য আর কেউ ওই নামে ডাকেনি। ঠাকুমা অনেকে আগেই মারা যায়। দাদু তারপর ডাকতো। দাদু মারা যাবার পর ওই নামটা আর ইউস হয়নি। আমিও ভুলে গিয়েছিলাম।

 

আমি তখন মেডিক্যালে পড়ছি। বাড়ি গেছি দাদু বললো – দাদু নবদ্বীপ বেড়াতে গিয়েছিলো সেখানে আর এক কৃষ্ণপ্রেমী ভদ্রলোকের সাথে দেখা হয়েছে। তাঁর নাতনিকে দাদুর খুব পছন্দ হয়েছে। আমার জন্য নাকি দাদু তাকে পছন্দ করেছে। তার সাথেই আমার বিয়ে দেবে। তার ডাকনাম রাই ভালো নাম শ্রীরাধা। এদিকে আমার নাম তো দাদু নিজেই দিয়েছে কেশব। সুতরাং তাকে আমার জন্যই নাকি কৃষ্ণ এই পৃথিবীতে এনেছেন, আমাদের বন্ধন নাকি জন্ম জন্মান্তরের, স্বয়ং কৃষ্ণ এই সম্পর্ক তৈরী করেছেন এইসব। আমি পাত্তা দিই নি। বলেছিলাম পরে ভাববো এখন তো পড়াশোনা করি।দাদুকে যতই ভালোবাসি দাদু একজনকে দেখে আমার জন্য পছন্দ করেছে বলেই আমাকে তাকে বিয়ে করতে হবে এত ভালো ছেলে আমি নয়। আমি শুরুতে ভেবেছিলাম দাদুর বয়েস হয়েছে যা করছে করুক। পরে বাড়াবাড়ি কিছু করলে তখন ভাববো।

রাহুল – মানে সেই মেয়েটা আর কেউ নয় আমাদের শ্রী ? শ্রীকে তোর দাদু তোর জন্য পছন্দ করেছিল।

রনো – হুম, এখন পরিষ্কার যে ও আমার মুখে কি খুঁজতো? ওর মুখে কেশব নামটা শুনেই মনে হয়েছিল আমার, কিন্তু আমি সিওর ছিলাম না কেননা ওর পুরো নাম তখন জানতাম না। আর ওর দাদুর নামটাও জানতাম না। এখন সবটা পরিষ্কার যে শ্রীকেই আমার জন্য দাদু চুজ করেছিল।

রাহুল – ওকে, তারপর

রনো – যেমন বললাম তোকে প্রথমে আমার এটাকে নিছক ছেলেখেলা মনে হয়েছিল। মনে হয়েছিল যাকে নিয়ে এত কান্ড হচ্ছে সে যদি জানতে পারে কি করবে। তখন আমি ভেবেছিলাম শ্রী কিছুই জানে না। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম। তাছাড়া যাকে দেখিনি ,জানিনা , চিনিনা তাকে নিয়ে মাতামাতির কোনো মানে হয়না। এদিকে আস্তে আস্তে শুনলাম সেই ভদ্রলোকের সাথে দাদুর বন্ধুত্ব হয়ে গেছে রোজই প্রায় ফোনে কথা হয় তাদের। তারপর একদিন শুনলাম সেই মেয়ে আর তার দাদু ,ঠাকুমা আমাদের বাড়িতে এসেছিল দাদু তাকে রাধা কৃষ্ণের মন্দিরে নিয়ে গিয়েছিলো। সে রাধা কৃষ্ণকে প্রণাম করতেই নাকি একটা ফুল বেদি থেকে পড়েছে। আমার এসব শুনে সিরিয়াসলি খুব হাসি পেত। বিশেষ করে ওই ফুল পড়ার ব্যাপারটা নিয়ে। কেননা আমি এইসব বিশ্বাস করিনা কোনো কালেই। আর এটা কোনো অলৌকিক ঘটনা বলেও আমার মনে হয়নি। আমার মনে হয়েছিল বেদিতে প্রণাম করতে গিয়ে হয়তো নড়ে গিয়ে ফুল পড়েছে। দাদুকে বলেওছিলাম দাদু বিশ্বাস করার লোক নয়। দাদু ধরে আছে সব ইঙ্গিত দিচ্ছে কৃষ্ণ। আমি আর কথা বাড়াইনি।
তাছাড়া সেবার আর একটা ঘটনা ঘটে।

রাহুল – কি ?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

রনো – হঠাৎ দাদুর জন্য আমার মন খারাপ করে আমি যাদবপুর না গিয়ে দেশের বাড়িতে দাদুর কাছে যাই। গিয়েই জানতে পারি আমি বাড়ি পৌঁছানোর কিছুক্ষন আগেই শ্রীরা বাড়ি গেছে। হয়তো আমি যে ট্রেনে এসেছি সেই ট্রেনেই গেছে। দাদু বার বার আফসোস করছিলো সেদিনই দেখা হয়ে যেত আমার সাথে শ্রীর। আমি সেই নিয়েও বলেছিলাম যে দেখো কৃষ্ণ চায়না আমাদের বিয়ে হোক তাই এত কাছে এসেও দেখে হয়নি। দাদু সেই এক কথা – কৃষ্ণ নিশ্চই অন্য কিছু ভেবে রেখেছেন।

সত্যি বলতে আমার আফসোস হয়েছিল। আমার খুব দেখার ইচ্ছা ছিল দাদু কাকে আমার জন্য দেখে রেখেছে। বা দাদুর কৃষ্ণ কাকে আমার জন্য এই পৃথিবীতে এনেছে এস পার দাদু।

রাহুল – কোনো পিকচার দেখিস নি।

রনো – তাহলে কি আমি শ্রীকে দেখে চিনতে পারতাম না।

রাহুল – হুম সেটাও। আচ্ছা তারপর বল।

রনো – আমি ওর কথা কোনোদিন সেভাবে ভাবিনি। তবে দেখতে অনেকবার ইচ্ছা করেছে। মনে হয়েছে দাদু কাকে দেখে আমার বৌ ঠিক করে ফেললো, একবার দেখতে হবে। কখনো কখনো কাউকে দেখলে আমার মনে হয়েছে দাদুর দেখা মেয়েটা কি এইরকম? হয়তো আমিও কোথাও ,কিন্তু সিরিয়াসলি আমি জানি না ভালোবাসতাম কিনা। একটা এটাচমেন্ট হয়তো তৈরী হয়েছিল। কিন্তু জোর করে ঢুকতে দিইনি আমি। প্রেম করার ,বিয়ে করার তেমন কোনো ইচ্ছা ছিল না আমার তখন তুই জানিস ভালো করে।আমার মনে হতো আমি স্পটে নেই দাদু এসব করছে ওই মেয়েটা এইসব কথাবার্তা সহ্য করছে আর নিশ্চই আমাকে ঝেপে গালাগালি দিচ্ছে।তখন বাড়ি গেলেই দাদুর কাছে তার কথা শুনতে হতো আমায়।

তারপর আর একবার বাড়ি নিয়ে দাদুর কাছে শুনলাম – শ্রীর দাদু মারা গেছে।

তারপর সে বছর দোলের সময় দাদুর খুব শরীর খারাপ ছিল। সেই সময় দাদু আমাকে বললো রাইয়ের দাদুকে দাদু কথা দিয়েছে যে আমার সাথে রাইয়ের বিয়ে দেবে তাই আমি যেন রাইকেই বিয়ে করি।আমাকেও কথা দিতে হবে দাদুকে। কিন্তু আমি কিছু বলার আগেই দাদুর কথাগুলো মা শুনে ফেলে। মা অশান্তি শুরু করে রাইকে নিয়ে দাদুকে যা খুশি বলতে শুরু করে। মাকে তো চিনিস, দাদুকে একেই দেখতে পারতো না, তার ধারণা ছিল দাদুর জন্যই আমি মাকে ইগনোর করি। নিজের দিকে আজ পর্যন্ত তাকিয়ে দেখলো না। মায়ের উপর রাগ দেখিয়ে আমি তখন দাদুকে বলেছিলাম যে আমি ওকেই বিয়ে করবো। সেদিন সন্ধেবেলায় দাদু মারা যায়।

কোনো কারণে সেদিন রাইদের বাড়ি থেকে ওর ঠাকুমা ফোন করেছিল আমাদের বাড়িতে। আমি ফোনটা ধরেছিলাম, কিন্তু কি বলছিলেন উনি শুনতে পাইনি। মা তারপর আমার কাছ থেকে ফোনটা নেয় আর কথা বলে। কি কথা হয়েছিল জানিনা। পরে মা বলেছিলো ওরা দোলের শুভেচ্ছা জানাতে কল করেছিল আর মা বলেছে দাদু আর নেই। কিন্তু আমি দূর থেকে শুনেছিলাম মা যা তা বলছে। কিছু কিছু কথা কানে গিয়েছিলো – যেমন, ভাগ্য করতে হবে, বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, নিজে দেখে রেখেছে। এইসব। আমিও তখন এত কিছু ভাবিনি। কেননা দাদুকে আমি খুব ভালোবাসতাম। দাদু সেদিন চলে গেলো আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। সেই নিয়েই ছিলাম। এত মাথা ঘামাই নি। পরে ভেবেছিলাম আগে পাস করি প্রাকটিস শুরু করি তারপর যখন বিয়ে করবো তখন শ্রীদের বাড়িতে কথা বলবো। যদি ওর দাদু বিয়ে ঠিক করে যায় অন্য জায়গায় বিয়ে হবে না। আর অন্য জায়গায় বিয়ে হলে হবে আমার কিছু করার নেই। কেননা তখনও আমি পড়ছি, শ্রী পড়ছে। সেই মুহূর্তে বিয়ে করা সম্ভব নয়।

সেই সময় নাতাশা আমার পিছনে পড়েছিল। মনে আছে আমাদের বাড়িতে গিয়ে নাতাশা মাকে বলেছিলো আমি রণকে ভালোবাসি আন্টি, তুমি বোঝাও।

রাহুল – হুম।মনে আছে আমাদের মধ্যে নাতাশাকে তোর মা খুব পছন্দ করতো। তোকে বলেছিলো ফোন করে একদিন তোর মা ওকে হ্যা বল। ওর সাথে তোর বিয়ে হলে সুখী হবি। তুই না করেছিলি।

রনো – হুম হয়তো রাই আমার মনের কোথাও ছিল তখন আমি বুঝিনি। আর সেই জন্যই হয়তো অন্য কাউকে বসতে দিইনি। তবে আমি একটু হলেও কনফিউস ছিলাম মায়ের উপর রাগ করে দাদুকে কথা দিয়েছি ঠিক কিন্তু তা বলে যাকে দেখিনি জানিনা তার সাথে সারাজীবন কাটাতে পারবো কি প্রশ্ন ছিল, মস্তিস্ক পুরোপুরি সম্মতি দিতো না। কিন্তু তবুও মাকে বলেছিলাম যে আমি দাদুকে কথা দিয়েছি তার দেখা মেয়েকেই বিয়ে করবো। নাতাশাকেও না করেছিলাম। সেই সময় মা একদিন বলে মা নাকি রাইয়েদের বাড়িতে কল করেছিল ও যাকে ভালোবাসতো তার সাথেই ওর বিয়ে ঠিক করেছে ওর বাড়ির লোকজন।  আমি বিশ্বাস করেছিলাম হয়তো জোর করেই।তারপর আস্তে আস্তে আমিও নাতাশার সাথে জড়াই। কিন্তু আজ মনে হচ্ছে হয়তো শ্রী কোথাও না কোথাও ছিল আমার মনে আর তাই আমি নাতাশাকে ইগনোর করতাম, ভালোবাসতে পারিনি।  কিন্তু মনে হতো নূপুরটা ফেরত দেওয়া হয়নি। আজ মনে হয়। তবে শ্রীকে দেখে ভেবেছিলাম  একটা একই দেখতে বানিয়ে ওকে গিফট করবো।

রাহুল – নুপুর ?ওটা তোর ঠাকুমার নয়, বলেছিলি যে ঠাকুমার নুপুর।

রনো – কি বলতাম দাদু একজনের সাথে বিয়ে ঠিক করেছে তার নুপুর?

রাহুল – নুপুর এলো কথা থেকে ? আর তোর ফটো পেলো কি করে শ্রী?

রনো –  যেবারে ও আমাদের বাড়িতে এসেছিলো সেবার আমি নিজের ঘরে গিয়ে খাটে শুতেই পিঠে কিছু একটা ঠেকে। উঠে দেখি একটা নুপুর। বাড়িতে সবাইকে জিজ্ঞাসা করি জানতে পারি যে মেয়েটা এসেছিলো তার । দাদুকে দিতে গিয়েছিলাম দাদু বলেছিলো যার জিনিস তাকে তুমিই দেবে। আমার দেওয়া হয়নি। আজও আমার কাছেই আছে।আর আশ্চর্য মাঝে মাঝেই নূপুরটা আমি দেখিও। কি দেখি, কেন দেখি জানিনা।আর ফোটোটার ব্যাপারে জানিনা। হয়তো দাদু দিয়েছিলো ওকে।

রাহুল – আমার মনে হয়, দাদুর কাছে শ্রীকে নিয়ে শুনতে শুনতে তুই কোথাও না কোথাও ওর দিকে ঝুকেছিলি, বুঝিস নি।

রনো – হতে পারে। আর মা সত্যিটা জানতো,যে শ্রীর বিয়ে হয়নি। আমাকে দেখে বুঝতে পেরেছিলো আমি শ্রীর দিকে ঝুকেছি সেই কারণেই হয়তো আমি পাস্ করার পরেই আমার সাথে নাতাশার বিয়েটা দিতে চেয়েছিলো। আমি বিয়ে করবো না বলে জেদ না ধরলে হয়তো বিয়ে হয়েও যেত।

রাহুল – হতে পারে। কিন্তু শ্রীকে তোর মায়ের অপছন্দ কেন ছিল ?

রনো – ভগবান জানে , হয়তো দাদু ঠিক করেছে বলে।

রাহুল – এখন প্রশ্ন হলো রাই বা শ্রী কি ভালোবাসে তোকে?

রনো – রনো – ভালোবাসে, নাহলে আমার ফটোটা এখনো কেন রেখে দেবে। এখনো কেন কেশব নামটা মনে রাখবে কেন। কিন্তু কেন বলেছিলো যে কেশব ওর থেকে দূরে চলে গেছে। ওর দাদু, আমার দাদু মারা গেছে আর কে বিয়ে দেবে সেই জন্যই কি? নাকি অন্য কিছু?

রাহুল – হুম ঠিকই বলেছিস, বাবা মা বাড়ির লোক ভালোবাসতো না সেখান থেকে হয়তো তোকে আঁকড়ে ধরে বাচঁতে চেয়েছিলো।

রনো – আমার ও সেটাই মনে হচ্ছে। ঠিক হোক ,তারপর দেখছি। একা থাকা বের করছি।

রাহুল – একদম তোর ফটোর সাথে প্রেম করবে আর তোর থেকে দূরে থাকবে এটা কেমন কথা ? ডাইরিটা পাওয়া গেলে ভালো হতো। কিন্তু হলো না।

রনো – শ্রী কি বলে দেখি। ও যদি সব বলে ডাইরির দরকার নেই।

চারজনেই রাত জাগছে , রনো রনোর মতো ভাবনায়, রাহুল অদিতিকে ফোন করে সব বলেছে ,দুজনের সেই কথা ভাবছে। আন্টি ভাবছেন সব কথা ওদের বলে ঠিক করলেন কি? আর যাকে নিয়ে এত কান্ড সে ঘুমাচ্ছে।

আগের পর্ব – রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ৭

—————————————————————————————

পরের পর্ব  — রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ৯

আপনার মতামত জানান -
Top