এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > সোনিয়া-রাহুলকে রাজ্যে এনে বড় জনসভা করতেও কংগ্রেস তাকিয়ে তৃণমূলের দিকে? উঠছে প্রশ্ন

সোনিয়া-রাহুলকে রাজ্যে এনে বড় জনসভা করতেও কংগ্রেস তাকিয়ে তৃণমূলের দিকে? উঠছে প্রশ্ন

দলের শীর্ষ নেতা নরেন্দ্র মোদী বা অমিত শাহকে রাজ্যে এনে যখন সভা করার সাহস দেখাচ্ছে গেরুয়া শিবির তখন প্রদেশ কংগ্রেস দল তাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে রাজ্যে আহ্বান করে সভা করতে ব্যর্থ। এদিকে ফেডারেল ফ্রন্টকে গুরুত্ব দিয়ে কংগ্রেস দলের প্রাক্তন এবং বর্তমান সভাপতি সোনিয়া গান্ধী-রাহুল গান্ধীকে আগামী বছর ২০১৯ সালে ব্রিগেডের মহাসমাবেশে রাজ্যে আমন্ত্রন করলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যা কার্যতই রাজ্যে প্রদেশ কংগ্রেসের দুর্বল অস্তিত্বের কথা জানান দেয়। প্রসঙ্গত , ২০১৯ সালের ১৯ শে জানুয়ারী তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বান করা ব্রিগেড মহাসমাবেশের প্রধান উদ্দেশ্য আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরকে সর্বাঙ্গীণ ভাবে পরাস্ত করতে প্রকাশ্য জনসভা মঞ্চ থেকে জনসংযোগ বৃদ্ধি করা। একই সাথে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো দেশের সমস্ত অবিজেপি দলগুলিকেও ঐ সমাবেশের মঞ্চে থাকার জন্যে আমন্ত্রন জানিয়েছেন। এখন স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে তৃণমূল কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে যদি জাতীয় কংগ্রেস নেতৃত্বকে রাজ্যে আমন্ত্রন জানাতে সক্ষম হয় তাহলে প্রদেশ কংগ্রসের অধীর চৌধুরী-আব্দুল মান্নানের মতো তাবড় নেতারা কেন ও সেই কাজ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

উল্লেখ্য গত দু বছরে রাজ্যে বেশ কয়েকবার জনসভা করার কাজে অথবা দলীয় প্রয়োজনে এসেছেন বিজেপি দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে শেষবার অর্থাৎ ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস-সিপিএম জোটের হয়ে প্রচারে রাজ্যে এসেছিলেন সোনিয়া গান্ধী-রাহুল গান্ধী। এআইসিসি-র নেতা শুভঙ্কর সরকার , রাজ্যে কংগ্রেসের এই দুর্বল অস্তিত্বের জন্যে আংশিকভাবে দলীয় নেতৃত্বকেই দায়ী করে বললেন,  “অনেকদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস দুর্বল। যবে থেকে (২০০১ সাল) দলের তাত্ত্বিক নেতারা জোটের ফরফুলা কার্যকর করেছিলেন তবে থেকেই রাজভবনের ৩০০ মিটারের মধ্যে কংগ্রেসের কোনও পতাকা ছিল না। উত্তরবঙ্গ নিজেদের রেখে দক্ষিণবঙ্গ পুরোটা মমতাকে ছেড়ে দিয়েছিল কংগ্রেস। ওই জোট থেকেই কংগ্রেস দুর্বল হয়েছিল। “

একই সাথে কংগ্রেসের সাথে বিজেপি বা তৃণমূল কংগ্রেস দলের গুণগত পার্থক্য করে তিনি বললেন, “কংগ্রেসের সংগঠনের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষমতাও নেই বড় করে করার। যেটা তৃণমূল-বিজেপির আছে। তবে একজন কংগ্রেস নেতা হিসেবে আমি মনে করি রাহুল গান্ধীকে নিয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা হওয়া উচিত। যখন সমস্ত রাজনৈতিক দল তাদের শক্তি পরীক্ষা ব্রিগেডকে কেন্দ্র করে তখন কংগ্রেসের অবস্থা যাই হোক না কেন তারা এখনও মানুষের মনের মধ্যে রয়েছে। তাই কংগ্রেসেরও শক্তি পরীক্ষা দেওয়া উচিত।” অন্যদিকে কংগ্রেস দলের মুখপাত্র ওমপ্রকাশ মিশ্র বললেন, “বিজেপির সঙ্গে আমাদের কোনও প্রতিযোগিতা নেই। ওরা কাকে নিয়ে এসে সভা করাচ্ছে তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথাও নেই। সোনিয়া গান্ধী-রাহুল গান্ধী বাংলায় আগেও এসেছেন। প্রয়োজন পড়লে আবার আসবেন।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!