এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার স্বপ্ন আরও কয়েক কদম বাড়িয়ে দিলেন স্বয়ং রাহুল গান্ধী

প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার স্বপ্ন আরও কয়েক কদম বাড়িয়ে দিলেন স্বয়ং রাহুল গান্ধী

মোদিবাহিনীকে  থামাতে নিজেদের মধ্যের বিরোধীতা শিকেয় তুলে একযোগে যুদ্ধে নামবার প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি। তারই স্পষ্ট প্রমান পাওয়া গেল কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে। আপাতত প্রধানমন্ত্রী পদের চিন্তা ছেড়ে বিজেপিকে হারানোই তাঁর তথা দলের মূল লক্ষ্য। কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির জোট গড়ার ছাড়পত্র পাওয়ার পর রাহুলের বক্তব্যে এটাই জানা গেল যে সমঝোতার পথে হেঁটে তারা বিজেপিকে হারিয়ে বিরোধী মহাজোটের নেতা বা নেত্রীকে অনায়াসে প্রধানমন্ত্রী বানাতে রাজী। অর্থাৎ নিজেদের ইগো বাঁচানোর চাইতে বিজেপিকে হাটানো কংগ্রেস তথা বিরোধী শিবিরের পাখির চোখ বলা যায়।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

কর্ণাটক মডেলের ধাঁচে বিজেপিকে মসনদে বসা থেকে আটকাতেই এই নতুন স্ত্র্যাটেজি তাদের।
কংগ্রেস হাইকমান্ডের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদে কে বসবেন, নির্ভর করছে মহাজোটের কোন দল কত আসনে জয়ী হবে তার উপর। কংগ্রেস অবশ্য ভাল ফল করলে রাহুলকেই প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায়। কিন্তু যদি পরিস্থিতি অনুকূল না হয়, বিজেপি-আরএসএসকে রুখতে তারা অন্য পথে যেতেও তৈরি।

সূত্রের মত, মোদির জয়রথ থামাতে বৃহত্তর মহাজোটের আশায় পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও তারা তাকিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। কারণ একটাই তৃনমূল সুপ্রিমো আরএসএস বিরোধী। অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে থাকার কথা মনে করিয়ে তাঁকে পাশে পেতে চায় কংগ্রেস। রাজ্যে ৪২টি আসনেই লড়বে তৃণমূল। যেখানে যে দল শক্তিশালী, জোটের স্বার্থে সেখানে সেই দলকে জমি ছাড়তে হবে। অথচ প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব তৃণমূলের সঙ্গে জোটের বিরুদ্ধাচরণ করে আসছিল। তাই কংগ্রেস হাই কমান্ডের অবস্থানে তৃণমূলনেত্রীর হাতই শক্ত হল বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে দলিতনেত্রী মায়াবতী জানিয়েছেন সন্তুষ্টিজনক আসন সংখ্যা পাওয়ার উপরেই নির্ভর করছে আগামী রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে এই ৩ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন ও পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে রাহুলের হাত তাঁরা ধরবেন কিনা। কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর জোটের ইচ্ছের কথা স্পষ্ট করেই মায়াবতী বলেন। কিন্তু তা সম্মান জনক আসন পাওয়ার শর্তে।

অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রাষ্ট্রীয় জনতা দলে অন্যতম শীর্ষ নেতা তেজস্বী যাদব বলেছেন “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রবাবু নায়ডু, শরদ পাওয়ার, মায়াবতীর মতো অনেক নেতা বিরোধী শিবিরে রয়েছেন। তাই কোনওভাবেই রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী পদে একমাত্র প্রার্থী বলা যায় না। যে দল বা দলের নেতা দেশের সংবিধানকে রক্ষা করতে পারবে তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মেনে নেওয়া হবে। পুরো বিরোধী শিবির যাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেবে, তাঁকেই আরজেডি সমর্থন করবে।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!